
বিবিসি বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রয়াত যৌন অপরাধী ও আর্থিক লগ্নিকারী জেফরি এপস্টেইনের তদন্তের নথিপত্র থেকে বেশ কিছু ফাইল হঠাৎ করে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
জেফ্রি এপস্টেইন সম্পর্কিত হাজার হাজার নথিপত্রের মধ্যে গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) প্রকাশিত কমপক্ষে ১৩টি ছবি শনিবারের (২০ ডিসেম্বর) মধ্যে কোনো ধরনের ব্যাখ্যা না দিয়েই ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।
ওইসব ছবির মধ্যে দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবিও রয়েছে, যদিও সমালোচনার পরে সেটি আবারও প্রকাশ করা হয়েছে। ছবি সরিয়ে ফেলার সঙ্গে অবশ্য ট্রাম্পের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী টড ব্লাঞ্চ।
কোনো ধরনের ব্যাখ্যা না দিয়েই আকস্মিকভাবে ছবি সরিয়ে ফেলার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাউজ ওভারসাইট কমিটিতে থাকা ডেমোক্র্যাট সদস্যরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি পোস্টে তারা অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির উদ্দেশে লিখেছেন, ‘আবার কী ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে?’
রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত পোস্টে মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার জন্য নেওয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই বেশ কিছু ফাইল সরিয়ে ফেলা হয়, যেগুলোর মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ছবিটিও ছিল। তবে আরও পর্যালোচনার জন্য ‘সাময়িকভাবে’ ছবিটি সরানো হয় বলে দাবি করেছেন কর্মকর্তারা।
পর্যালোচনার পর ছবিটিতে ভুক্তভোগীদের চিত্রিত করার কোনো প্রমাণ পাওয়া না যাওয়ায় কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন ছাড়াই সেটি পুনরায় ওয়েবসাইটে পোস্ট করা হয়েছে বলে দেশটির বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রোববার ভোরে ট্রাম্পের ছবিটি ওয়েবসাইটের একটি লিংকে দেখা গেছে। তবে সরিয়ে ফেলা অন্য ফাইলগুলো রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওয়েবসাইটে পুনরায় প্রকাশিত হয়নি।
ট্রাম্পের কারণেই ছবিটি সরানো হয়েছিল— এমন অভিযোগ ‘হাস্যকর’ বলে অভিহিত করেছেন আইনজীবী টড ব্লাঞ্চ। এনবিসি নিউজকে তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কোনো সম্পর্ক নেই। আগে প্রকাশিত কয়েক ডজন ছবিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এরই মধ্যেই এপস্টেইনের সঙ্গে দেখা গেছে। কাজেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপস্থিতির কারণে একটি ছবি, একটিমাত্র ছবি সরিয়ে ফেলার দাবি অযৌক্তিক, হাস্যকর।

টড ব্লাঞ্চ উলটো নিউইয়র্কের একজন বিচারকের কথা উল্লেখ করেছেন, যিনি ‘কোনো ভুক্তভোগী বা অধিকার গোষ্ঠী উদ্বেগ প্রকাশ করলে তাদের কথা শোনার নির্দেশ দিয়েছেন।’ ব্লাঞ্চ বলেন, ওই নির্দেশের কারণেই গত শুক্রবার প্রকাশের পর বেশ কিছু ছবি সরিয়ে ফেলা হয়।
যৌন অপরাধী এপস্টেইনের সঙ্গে ছবি দেখা গেলেও কোনো অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত নন বলে আগেই দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এপস্টেইনের ভুক্তভোগীরাও এখন পর্যন্ত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি।
গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে যৌন অপরাধী ও আর্থিক লগ্নিকারী জেফরি এপস্টেইনের তদন্তের সব ফাইল প্রকাশের বিষয়ে সম্মতি দেয় মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষ। ৪২৭-১ ভোটে সেটি অনুমোদন করে প্রতিনিধি পরিষদ। সিনেটের নেতা চাক শুমার বিলটি উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে আনুষ্ঠানিক ভোট ছাড়াই দ্রুত পাস হয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প সই করার পর মার্কিন বিচার বিভাগ এসব নথিপত্র প্রকাশ করে। ২০ হাজারেরও বেশি পৃষ্ঠার তদন্তের নথির মধ্যে কিছু জায়গায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথাও উল্লেখ রয়েছে। এটি ঘিরে ট্রাম্প ও এপস্টেইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক আবারও খবরের শিরোনামে উঠে আসে। যদিও কোনো অন্যায় কাজে ট্রাম্পের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউজ।
২০০৮ সালে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর মা-বাবা ফ্লোরিডায় পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, নিজের পাম বিচের বাড়িতে তাদের মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেছে এপস্টেইন।

এ ঘটনায় এপস্টেইন প্রসিকিউটরদের সঙ্গে একটি আপিল চুক্তিতে পৌঁছান। তার পুরো বাড়ি জুড়ে নারীদের ছবি পাওয়া যায় এবং তাকে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে যৌনকর্মে প্ররোচনার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তখন থেকে তাকে যৌন অপরাধী হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। তবে প্রসিকিউটরদের সঙ্গে চুক্তির ফলে বড় ধরনের জেলের সাজা থেকে রক্ষা পায় এপস্টেইন।
১১ বছর পর ফের এপস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌনতার জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের একটি নেটওয়ার্ক চালানোর অভিযোগ আনা হয়। বিচারের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় তিনি কারাগারে মারা যান এবং তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে রায় দেওয়া হয়।
এ দুটি ফৌজদারি তদন্তে বিপুল পরিমাণ নথিপত্র জড়ো করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি এবং তার বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযান চালিয়ে জব্দ করা জিনিসপত্র।
তার ব্রিটিশ সহযোগী ও সাবেক বান্ধবী গিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধেও একটি পৃথক তদন্ত হয়েছিল, যাকে ২০২১ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে যৌনতার জন্য মেয়েদের পাচারের ষড়যন্ত্রের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, ট্রাম্প ও এপস্টেইন সামাজিক মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন। যদিও প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ২০০৮ সালে এপস্টেইন দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেই তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। এপস্টেইনের অপরাধমূলক কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

গত সপ্তাহে হাউজ ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাটরা তিনটি ইমেইল চেইন প্রকাশ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে এপস্টেইন ও ম্যাক্সওয়েলের মধ্যে আদানপ্রদান করা চিঠিপত্র, যিনি বর্তমানে যৌন পাচারের জন্য ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
এদের মধ্যে কেউ কেউ ট্রাম্পের কথা উল্লেখ করেছেন। ২০১১ সালে পাঠানো একটি ইমেলও রয়েছে, যেখানে ম্যাক্সওয়েলকে এপস্টেইন লিখেছিলেন, ‘আমি চাই তুমি বুঝতে পারো— যে কুকুরটি ঘেউ ঘেউ করেনি সে ট্রাম্প, (ভিক্টিম) তার সঙ্গে আমার বাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছে।’
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইমেইলে উল্লেখিত ভুক্তভোগী হলেন এপস্টেইনকে অভিযুক্ত করা ভার্জিনিয়া গিফ্রে। এপ্রিল মাসে মারা যাওয়া গিফ্রে বলেছিলেন, তিনি কখনো ট্রাম্পকে কোনো নির্যাতনে অংশ নিতে দেখেননি এবং ইমেলগুলোতে ট্রাম্পের অন্যায়ের কোনো ইঙ্গিতও নেই।
ট্রাম্পও এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অন্যায়ের কথা বারবার অস্বীকার করে আসছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রয়াত যৌন অপরাধী ও আর্থিক লগ্নিকারী জেফরি এপস্টেইনের তদন্তের নথিপত্র থেকে বেশ কিছু ফাইল হঠাৎ করে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
জেফ্রি এপস্টেইন সম্পর্কিত হাজার হাজার নথিপত্রের মধ্যে গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) প্রকাশিত কমপক্ষে ১৩টি ছবি শনিবারের (২০ ডিসেম্বর) মধ্যে কোনো ধরনের ব্যাখ্যা না দিয়েই ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।
ওইসব ছবির মধ্যে দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবিও রয়েছে, যদিও সমালোচনার পরে সেটি আবারও প্রকাশ করা হয়েছে। ছবি সরিয়ে ফেলার সঙ্গে অবশ্য ট্রাম্পের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী টড ব্লাঞ্চ।
কোনো ধরনের ব্যাখ্যা না দিয়েই আকস্মিকভাবে ছবি সরিয়ে ফেলার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাউজ ওভারসাইট কমিটিতে থাকা ডেমোক্র্যাট সদস্যরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি পোস্টে তারা অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির উদ্দেশে লিখেছেন, ‘আবার কী ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে?’
রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত পোস্টে মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার জন্য নেওয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই বেশ কিছু ফাইল সরিয়ে ফেলা হয়, যেগুলোর মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ছবিটিও ছিল। তবে আরও পর্যালোচনার জন্য ‘সাময়িকভাবে’ ছবিটি সরানো হয় বলে দাবি করেছেন কর্মকর্তারা।
পর্যালোচনার পর ছবিটিতে ভুক্তভোগীদের চিত্রিত করার কোনো প্রমাণ পাওয়া না যাওয়ায় কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন ছাড়াই সেটি পুনরায় ওয়েবসাইটে পোস্ট করা হয়েছে বলে দেশটির বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রোববার ভোরে ট্রাম্পের ছবিটি ওয়েবসাইটের একটি লিংকে দেখা গেছে। তবে সরিয়ে ফেলা অন্য ফাইলগুলো রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওয়েবসাইটে পুনরায় প্রকাশিত হয়নি।
ট্রাম্পের কারণেই ছবিটি সরানো হয়েছিল— এমন অভিযোগ ‘হাস্যকর’ বলে অভিহিত করেছেন আইনজীবী টড ব্লাঞ্চ। এনবিসি নিউজকে তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কোনো সম্পর্ক নেই। আগে প্রকাশিত কয়েক ডজন ছবিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এরই মধ্যেই এপস্টেইনের সঙ্গে দেখা গেছে। কাজেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপস্থিতির কারণে একটি ছবি, একটিমাত্র ছবি সরিয়ে ফেলার দাবি অযৌক্তিক, হাস্যকর।

টড ব্লাঞ্চ উলটো নিউইয়র্কের একজন বিচারকের কথা উল্লেখ করেছেন, যিনি ‘কোনো ভুক্তভোগী বা অধিকার গোষ্ঠী উদ্বেগ প্রকাশ করলে তাদের কথা শোনার নির্দেশ দিয়েছেন।’ ব্লাঞ্চ বলেন, ওই নির্দেশের কারণেই গত শুক্রবার প্রকাশের পর বেশ কিছু ছবি সরিয়ে ফেলা হয়।
যৌন অপরাধী এপস্টেইনের সঙ্গে ছবি দেখা গেলেও কোনো অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত নন বলে আগেই দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এপস্টেইনের ভুক্তভোগীরাও এখন পর্যন্ত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি।
গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে যৌন অপরাধী ও আর্থিক লগ্নিকারী জেফরি এপস্টেইনের তদন্তের সব ফাইল প্রকাশের বিষয়ে সম্মতি দেয় মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষ। ৪২৭-১ ভোটে সেটি অনুমোদন করে প্রতিনিধি পরিষদ। সিনেটের নেতা চাক শুমার বিলটি উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে আনুষ্ঠানিক ভোট ছাড়াই দ্রুত পাস হয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প সই করার পর মার্কিন বিচার বিভাগ এসব নথিপত্র প্রকাশ করে। ২০ হাজারেরও বেশি পৃষ্ঠার তদন্তের নথির মধ্যে কিছু জায়গায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথাও উল্লেখ রয়েছে। এটি ঘিরে ট্রাম্প ও এপস্টেইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক আবারও খবরের শিরোনামে উঠে আসে। যদিও কোনো অন্যায় কাজে ট্রাম্পের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউজ।
২০০৮ সালে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর মা-বাবা ফ্লোরিডায় পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, নিজের পাম বিচের বাড়িতে তাদের মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেছে এপস্টেইন।

এ ঘটনায় এপস্টেইন প্রসিকিউটরদের সঙ্গে একটি আপিল চুক্তিতে পৌঁছান। তার পুরো বাড়ি জুড়ে নারীদের ছবি পাওয়া যায় এবং তাকে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে যৌনকর্মে প্ররোচনার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তখন থেকে তাকে যৌন অপরাধী হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। তবে প্রসিকিউটরদের সঙ্গে চুক্তির ফলে বড় ধরনের জেলের সাজা থেকে রক্ষা পায় এপস্টেইন।
১১ বছর পর ফের এপস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌনতার জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের একটি নেটওয়ার্ক চালানোর অভিযোগ আনা হয়। বিচারের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় তিনি কারাগারে মারা যান এবং তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে রায় দেওয়া হয়।
এ দুটি ফৌজদারি তদন্তে বিপুল পরিমাণ নথিপত্র জড়ো করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি এবং তার বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযান চালিয়ে জব্দ করা জিনিসপত্র।
তার ব্রিটিশ সহযোগী ও সাবেক বান্ধবী গিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধেও একটি পৃথক তদন্ত হয়েছিল, যাকে ২০২১ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে যৌনতার জন্য মেয়েদের পাচারের ষড়যন্ত্রের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, ট্রাম্প ও এপস্টেইন সামাজিক মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন। যদিও প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ২০০৮ সালে এপস্টেইন দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেই তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। এপস্টেইনের অপরাধমূলক কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

গত সপ্তাহে হাউজ ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাটরা তিনটি ইমেইল চেইন প্রকাশ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে এপস্টেইন ও ম্যাক্সওয়েলের মধ্যে আদানপ্রদান করা চিঠিপত্র, যিনি বর্তমানে যৌন পাচারের জন্য ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
এদের মধ্যে কেউ কেউ ট্রাম্পের কথা উল্লেখ করেছেন। ২০১১ সালে পাঠানো একটি ইমেলও রয়েছে, যেখানে ম্যাক্সওয়েলকে এপস্টেইন লিখেছিলেন, ‘আমি চাই তুমি বুঝতে পারো— যে কুকুরটি ঘেউ ঘেউ করেনি সে ট্রাম্প, (ভিক্টিম) তার সঙ্গে আমার বাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছে।’
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইমেইলে উল্লেখিত ভুক্তভোগী হলেন এপস্টেইনকে অভিযুক্ত করা ভার্জিনিয়া গিফ্রে। এপ্রিল মাসে মারা যাওয়া গিফ্রে বলেছিলেন, তিনি কখনো ট্রাম্পকে কোনো নির্যাতনে অংশ নিতে দেখেননি এবং ইমেলগুলোতে ট্রাম্পের অন্যায়ের কোনো ইঙ্গিতও নেই।
ট্রাম্পও এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অন্যায়ের কথা বারবার অস্বীকার করে আসছেন।

এই দ্বীপটি উপকূল থেকে কিছুটা দূরে এমন এক গভীর জলসীমায় অবস্থিত, যেখানে ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি) নামক বিশাল তেলের ট্যাঙ্কারগুলো সহজেই ভিড়তে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র এমন সব স্থাপনায় হামলা চালাবে, যেগুলো এখনো ইচ্ছাকৃতভাবে স্পর্শ করা হয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে
কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ইরানের নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ধ্বংস করা। এরপর বর্তমান সংঘাত কমিয়ে আনা ও কূটনৈতিকভাবে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, যাতে তারা অবাধ অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ দেয়।
১১ ঘণ্টা আগে
শনিবার দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ইরানের খার্গ দ্বীপে অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ দ্বীপ থেকেই ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি প্রক্রিয়াজাত হয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী উপকূলীয় এলাকাগুলোকেও সম্ভাব্
১১ ঘণ্টা আগে