
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ ও ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কাঠামো চুক্তি হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা শহরে এসব হামলা চালানো হয়। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, হামলায় একটি অ্যাম্বুলেন্স দলও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
এনএনএর তথ্য অনুযায়ী, শহরটির ওল্ড স্কয়ার এলাকায় পরপর দুটি বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। হামলার পর ঘটনাস্থলে ছুটে যাওয়া একটি অ্যাম্বুলেন্স দলকে লক্ষ্য করে তৃতীয় হামলা চালানো হয়। এতে হতাহতের তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবানন একটি ত্রিপক্ষীয় কাঠামো চুক্তিতে সই করে। এতে দক্ষিণ লেবাননের নির্দিষ্ট এলাকায় ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং সেই এলাকাগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব লেবাননের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা করা হয়। এর বিনিময়ে লেবাননের ভূখণ্ডে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং সশস্ত্র অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে।
চুক্তির আওতায় প্রথমে দুটি ‘পাইলট জোনে’ ইসরায়েলি বাহিনী নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করবে এবং সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনী পূর্ণ নিরাপত্তা দায়িত্ব নেবে। তবে চুক্তিতে ইসরায়েলের তাৎক্ষণিক ও সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা নেই। ইসরায়েল জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত তারা দক্ষিণ লেবাননে নিজেদের নিরাপত্তা অবস্থান ধরে রাখতে পারে।
চুক্তির পরও দক্ষিণ লেবাননে হামলা ও গোলাবর্ষণ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী ইউনিফিলের প্রধানও শনিবার বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনীর দখলে থাকা এলাকায় ঘরবাড়ি ধ্বংসের মতো কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। একই সময়ে বছরের শেষ নাগাদ ইউনিফিলের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে, যা দক্ষিণ লেবাননে নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি করতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে।
লেবাননের কর্তৃপক্ষের হিসাবে, মার্চের শুরু থেকে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় চার হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং ১২ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ। দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ইসরায়েলি বাহিনী এখনও দেশটির ভূখণ্ডের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।
ফলে ২৬ জুনের চুক্তি সত্ত্বেও স্থল নিয়ন্ত্রণ, হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার— এই তিনটি বিষয়ই বাস্তবায়নের বড় বাধা হয়ে রয়েছে। জুলাইয়ে রোমে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পরবর্তী দফার আলোচনায় দুটি ‘পাইলট জোন’ থেকে ইসরায়েলি প্রত্যাহারের কাঠামো নিয়ে অগ্রগতির কথা জানানো হলেও মাঠপর্যায়ে হামলা অব্যাহত থাকায় চুক্তির বাস্তবায়ন এখনো অনিশ্চিত।

মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ ও ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কাঠামো চুক্তি হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা শহরে এসব হামলা চালানো হয়। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, হামলায় একটি অ্যাম্বুলেন্স দলও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
এনএনএর তথ্য অনুযায়ী, শহরটির ওল্ড স্কয়ার এলাকায় পরপর দুটি বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। হামলার পর ঘটনাস্থলে ছুটে যাওয়া একটি অ্যাম্বুলেন্স দলকে লক্ষ্য করে তৃতীয় হামলা চালানো হয়। এতে হতাহতের তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবানন একটি ত্রিপক্ষীয় কাঠামো চুক্তিতে সই করে। এতে দক্ষিণ লেবাননের নির্দিষ্ট এলাকায় ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং সেই এলাকাগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব লেবাননের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা করা হয়। এর বিনিময়ে লেবাননের ভূখণ্ডে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং সশস্ত্র অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে।
চুক্তির আওতায় প্রথমে দুটি ‘পাইলট জোনে’ ইসরায়েলি বাহিনী নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করবে এবং সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনী পূর্ণ নিরাপত্তা দায়িত্ব নেবে। তবে চুক্তিতে ইসরায়েলের তাৎক্ষণিক ও সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা নেই। ইসরায়েল জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত তারা দক্ষিণ লেবাননে নিজেদের নিরাপত্তা অবস্থান ধরে রাখতে পারে।
চুক্তির পরও দক্ষিণ লেবাননে হামলা ও গোলাবর্ষণ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী ইউনিফিলের প্রধানও শনিবার বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনীর দখলে থাকা এলাকায় ঘরবাড়ি ধ্বংসের মতো কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। একই সময়ে বছরের শেষ নাগাদ ইউনিফিলের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে, যা দক্ষিণ লেবাননে নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি করতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে।
লেবাননের কর্তৃপক্ষের হিসাবে, মার্চের শুরু থেকে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় চার হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং ১২ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ। দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ইসরায়েলি বাহিনী এখনও দেশটির ভূখণ্ডের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।
ফলে ২৬ জুনের চুক্তি সত্ত্বেও স্থল নিয়ন্ত্রণ, হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার— এই তিনটি বিষয়ই বাস্তবায়নের বড় বাধা হয়ে রয়েছে। জুলাইয়ে রোমে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পরবর্তী দফার আলোচনায় দুটি ‘পাইলট জোন’ থেকে ইসরায়েলি প্রত্যাহারের কাঠামো নিয়ে অগ্রগতির কথা জানানো হলেও মাঠপর্যায়ে হামলা অব্যাহত থাকায় চুক্তির বাস্তবায়ন এখনো অনিশ্চিত।

"প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন, তা কার্যকর হলে এটি হবে সেই মৌলিক ও সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত অধিকারের ওপর একটি অবৈধ আক্রমণ," বিবৃতিতে বলা হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের শক্তিশালী বোন কিম ইয়ো জং পৃথক এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের এই পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও দ্বৈত মানদণ্ডের তীব্র অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার মূল কারণ হলো আইএইএ-এর এই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ।"
১৪ ঘণ্টা আগে
মোট সাতজনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল পুলিশ লাইনস কম্পাউন্ডে অনুপ্রবেশ করে। তারা সিটিডি (কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট) এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার একপর্যায়ে এক আত্মঘাতী হামলাকারী মসজিদের ভেতরে নিজের কাছে থাকা বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন নিহত হন।
১৫ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে দখল বা অধিগ্রহণ করার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কয়েক মাসের হুমকির পর এই চুক্তি হলো। তিনি জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন, প্রতিরক্ষার দিক থেকে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান এবং এর খনিজ সম্পদের কারণে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
১৬ ঘণ্টা আগে