
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী ত্রাণবাহী গাড়ির প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়ায় অঞ্চলটি খাদ্য সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেখানে আটকে পড়া ফিলিস্তিনিরা খাদ্যের জন্য মরিয়া হয়ে পড়েছে। খাদ্যের অভাবে অবরুদ্ধ অঞ্চলটিতে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ পরিস্থিতি।
এদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হওয়ার পরও থেমে নেই ইসরায়েলি আগ্রাসন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরে অব্যাহত বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
রাফাহ শহরের দক্ষিণাঞ্চলে স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার রাতে ইসরায়েল ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে আগুনের গোলায় রাতের আকাশ আলোকিত হয়ে ওঠে। সেখানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে জানিয়েছে, রাফাহ ও তার আশপাশে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৬৬ জন নিহত হয়েছে।
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, রাফাহ শহরের খিরবেত আল-আদাস এবং আল-শাওত এলাকায় দুটি বাড়িতে ইসরায়েলের বোমা হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী খান ইউনিসের পশ্চিমে নাসের হাসপাতালের চারপাশে হামলা চালিয়েছে বলেও ওয়াফা জানিয়েছে।
এদিকে দক্ষিণ গাজার খান ইউনুস শহরের কাছে উপকূলীয় আল মাওয়াসি এলাকায় একটি শরণার্থী শিবিরে গত মঙ্গলবার ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছে। এ বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল আল মাওয়াসিতে বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছে।
অন্যদিকে বিমান থেকে ফেলা ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে হামাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে গাজার হামাসচালিত সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে ভূমধ্যসাগরতীরের কাছে মঙ্গলবার বিমান থেকে ত্রাণ ফেলা হয়। এ সময় ত্রাণের বস্তা সংগ্রহ করতে গিয়ে সমুদ্রে ডুবে ১২ জন এবং হুড়াহুড়িতে পদপষ্টি হয়ে মারা যায় আরো ছয়জন। বিমান থেকে ত্রাণ না ফেলার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অনুরোধ করেছে হামাস।
এদিকে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিহে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে। হামাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত একটি লেবানিজ সংগঠন আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। দক্ষিণ লেবাননের হেব্বারিয়েহ গ্রামে সশস্ত্র গোষ্ঠীর জরুরি ও ত্রাণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে গত মঙ্গলবার উত্তর-পূর্ব লেবাননের দুটি শহরের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিন হিজবুল্লাহ সদস্য নিহত হন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়ভ গ্যালান্ট জানিয়েছেন, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইসরায়েল বা হামাস কেউই গাজা শাসন করবে না। এ ক্ষেত্রে একটি বিকল্প খুঁজে বের করতে হবে। সূত্র : আলজাজিরা, এএফপি।

উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী ত্রাণবাহী গাড়ির প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়ায় অঞ্চলটি খাদ্য সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেখানে আটকে পড়া ফিলিস্তিনিরা খাদ্যের জন্য মরিয়া হয়ে পড়েছে। খাদ্যের অভাবে অবরুদ্ধ অঞ্চলটিতে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ পরিস্থিতি।
এদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হওয়ার পরও থেমে নেই ইসরায়েলি আগ্রাসন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরে অব্যাহত বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
রাফাহ শহরের দক্ষিণাঞ্চলে স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার রাতে ইসরায়েল ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে আগুনের গোলায় রাতের আকাশ আলোকিত হয়ে ওঠে। সেখানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে জানিয়েছে, রাফাহ ও তার আশপাশে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৬৬ জন নিহত হয়েছে।
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, রাফাহ শহরের খিরবেত আল-আদাস এবং আল-শাওত এলাকায় দুটি বাড়িতে ইসরায়েলের বোমা হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী খান ইউনিসের পশ্চিমে নাসের হাসপাতালের চারপাশে হামলা চালিয়েছে বলেও ওয়াফা জানিয়েছে।
এদিকে দক্ষিণ গাজার খান ইউনুস শহরের কাছে উপকূলীয় আল মাওয়াসি এলাকায় একটি শরণার্থী শিবিরে গত মঙ্গলবার ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছে। এ বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল আল মাওয়াসিতে বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছে।
অন্যদিকে বিমান থেকে ফেলা ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে হামাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে গাজার হামাসচালিত সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে ভূমধ্যসাগরতীরের কাছে মঙ্গলবার বিমান থেকে ত্রাণ ফেলা হয়। এ সময় ত্রাণের বস্তা সংগ্রহ করতে গিয়ে সমুদ্রে ডুবে ১২ জন এবং হুড়াহুড়িতে পদপষ্টি হয়ে মারা যায় আরো ছয়জন। বিমান থেকে ত্রাণ না ফেলার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অনুরোধ করেছে হামাস।
এদিকে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিহে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে। হামাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত একটি লেবানিজ সংগঠন আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। দক্ষিণ লেবাননের হেব্বারিয়েহ গ্রামে সশস্ত্র গোষ্ঠীর জরুরি ও ত্রাণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে গত মঙ্গলবার উত্তর-পূর্ব লেবাননের দুটি শহরের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিন হিজবুল্লাহ সদস্য নিহত হন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়ভ গ্যালান্ট জানিয়েছেন, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইসরায়েল বা হামাস কেউই গাজা শাসন করবে না। এ ক্ষেত্রে একটি বিকল্প খুঁজে বের করতে হবে। সূত্র : আলজাজিরা, এএফপি।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রানচেসকা আলবানিজ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে পৃথিবীর ‘সবচেয়ে নিকৃষ্ট’ সেনাবাহিনী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করাসহ সব সীমারেখা অতিক্রম করেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হাতে জব্দ হওয়া পণ্যবাহী জাহাজ ‘তুসকা’ এবং এর আরোহীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন ও ‘অপরাধমূলক কাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে তেহরান।
১১ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, হুমকির মুখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় যেতে রাজি নয়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— পরিস্থিতি ফের যুদ্ধের দিকে গড়ালে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন কৌশল ও ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত রয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
পেন্টাগনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭১ জন সেনাবাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৬৩ জন, বিমানবাহিনীর ৬২ জন এবং ১৯ জন মেরিন সেনা আহত হয়েছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে