
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সম্ভাব্য হামলার শঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি থেকে কিছু বিমান ও যুদ্ধজাহাজ সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’জন মার্কিন কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে এ তথ্য জানান।
এই পদক্ষেপ এমন এক সময় নেওয়া হলো, যখন ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেননি, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালাবে কি না।
দূতাবাসকর্মী ও কাতারে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ‘বিমান ও যুদ্ধজাহাজ সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ও সরঞ্জামকে নিরাপদ রাখা।’ তবে ঠিক কতগুলো বিমান ও জাহাজ সরানো হয়েছে এবং সেগুলো কোথায় নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তারা কিছু জানাননি।
একজন কর্মকর্তা বলেন, আল-উদেইদ ঘাঁটির যেসব বিমান শক্তিশালী সুরক্ষার আওতায় ছিল না, সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাহরাইনের একটি বন্দরের জাহাজগুলোও সেখান থেকে সরানো হয়েছে। এই বন্দরেই যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর অবস্থান করে।

ইরানের সম্ভাব্য হামলার শঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি থেকে কিছু বিমান ও যুদ্ধজাহাজ সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’জন মার্কিন কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে এ তথ্য জানান।
এই পদক্ষেপ এমন এক সময় নেওয়া হলো, যখন ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেননি, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালাবে কি না।
দূতাবাসকর্মী ও কাতারে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ‘বিমান ও যুদ্ধজাহাজ সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ও সরঞ্জামকে নিরাপদ রাখা।’ তবে ঠিক কতগুলো বিমান ও জাহাজ সরানো হয়েছে এবং সেগুলো কোথায় নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তারা কিছু জানাননি।
একজন কর্মকর্তা বলেন, আল-উদেইদ ঘাঁটির যেসব বিমান শক্তিশালী সুরক্ষার আওতায় ছিল না, সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাহরাইনের একটি বন্দরের জাহাজগুলোও সেখান থেকে সরানো হয়েছে। এই বন্দরেই যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর অবস্থান করে।

পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরকে সংযুক্ত করা এই প্রণালিটি ‘বৈশ্বিক জ্বালানির প্রবেশদ্বার’ হিসেবে পরিচিত, যেখান দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরল গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১০টি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনার পর ইরানের এই নতুন নিষেধাজ্ঞা বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের দামে
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া দেশটির সাথে কোনো চুক্তি হবে না। একই সাথে তিনি বলেছেন, তার প্রশাসনের কাছে গ্রহণযোগ্য কাউকে ইরানের নতুন নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত।
৩ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার সহায়তার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ না করলেও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, ইরানি শাসকগোষ্ঠী বর্তমানে চরম বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে। তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষমতা প্রতিদিন কমছে, নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এবং উৎপাদন ক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘কিছু দেশ মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা শুরু করেছে। পরিষ্কার বলি, আমরা অঞ্চলে স্থায়ী শান্তির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ, তবে আমাদের জাতির মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো দ্বিধা নেই’।
১৭ ঘণ্টা আগে