
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতে ২৪২ জন যাত্রী নিয়ে বিধ্বস্ত হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার ওই ফ্লাইটে কারও জীবিত থাকার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, বিমানটি যেখানে বিধ্বস্ত হয়েছে সেখানকারও কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন।
আহমেদাবাদের পুলিশ প্রধান জি এস মালিক বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির যাত্রীদের কেউই আর বেঁচে নেই। যেহেতু বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে, তাই সেখানে থাকা কিছু স্থানীয়ও নিহত হতে পারেন।
নিহতের সংখ্যা অবশ্য নিশ্চিত করতে পারেননি জি এস মালিক। তবে যে মেডিকেল হোস্টেলের ওপর বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে, সেখানকার অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে ওই হোস্টেলের বিভিন্ন সূত্রে বরাতে খবর দিয়েছে এনডিটিভি।
২৩০ জন যাত্রী ও ১২ জন ক্রু নিয়ে এআই১৭১ নম্বরের বিমানটি বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভারতের স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৮ মিনিট) গুজরাটের অহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই পাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে। ব্রিটেনের গ্যাটউইক বিমানবন্দর ছিল এর গন্তব্য।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, ফ্লাইটটি যাত্রা শুরুর পরপরই গুজরাটের মেঘানিনগরে লোকালয়ে বিধ্বস্ত হয়। এরপরই বিমানটিতে আগুন লেগে যায়। ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা গেছে, বিমান ভেঙে পড়ার পরে আগুন ও কালো ধোঁয়া বার হচ্ছে।
এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বিমানটির যাত্রীদের মধ্যে ১৬৯ জন ভারতীয়। বাকিদের মধ্যে ৫৩ জন ব্রিটিশ, সাতজন পর্তুগিজ ও একজন কানাডিয়ান। এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে তিনি এরই মধ্যে অহমেদাবাদে পৌঁছেছেন।
বিমানটি যে বহুতল ভবনের ওপর ভেঙে পড়েছে, সেটি বিজে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের একটি হোস্টেল। স্থানীয়দের দাবি, ওই হোস্টেলে ৫০ জন চিকিৎসক অবস্থান করেন। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, বিমান ভেঙে পড়ায় ওই হোস্টেলের পাঁচ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে।
দুর্ঘটনার পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় শতাধিক অ্যাম্বুল্যান্স। রয়টার্স জানিয়েছে, অহমদাবাদের হাসপাতালে অন্তত ১০০টি মরদেহ পৌঁছেছে। অনেক মরদেহ ঝলসে যাওয়ায় শনাক্ত করা যাচ্ছে না।

ভারতে ২৪২ জন যাত্রী নিয়ে বিধ্বস্ত হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার ওই ফ্লাইটে কারও জীবিত থাকার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, বিমানটি যেখানে বিধ্বস্ত হয়েছে সেখানকারও কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন।
আহমেদাবাদের পুলিশ প্রধান জি এস মালিক বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির যাত্রীদের কেউই আর বেঁচে নেই। যেহেতু বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে, তাই সেখানে থাকা কিছু স্থানীয়ও নিহত হতে পারেন।
নিহতের সংখ্যা অবশ্য নিশ্চিত করতে পারেননি জি এস মালিক। তবে যে মেডিকেল হোস্টেলের ওপর বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে, সেখানকার অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে ওই হোস্টেলের বিভিন্ন সূত্রে বরাতে খবর দিয়েছে এনডিটিভি।
২৩০ জন যাত্রী ও ১২ জন ক্রু নিয়ে এআই১৭১ নম্বরের বিমানটি বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভারতের স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৮ মিনিট) গুজরাটের অহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই পাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে। ব্রিটেনের গ্যাটউইক বিমানবন্দর ছিল এর গন্তব্য।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, ফ্লাইটটি যাত্রা শুরুর পরপরই গুজরাটের মেঘানিনগরে লোকালয়ে বিধ্বস্ত হয়। এরপরই বিমানটিতে আগুন লেগে যায়। ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা গেছে, বিমান ভেঙে পড়ার পরে আগুন ও কালো ধোঁয়া বার হচ্ছে।
এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বিমানটির যাত্রীদের মধ্যে ১৬৯ জন ভারতীয়। বাকিদের মধ্যে ৫৩ জন ব্রিটিশ, সাতজন পর্তুগিজ ও একজন কানাডিয়ান। এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে তিনি এরই মধ্যে অহমেদাবাদে পৌঁছেছেন।
বিমানটি যে বহুতল ভবনের ওপর ভেঙে পড়েছে, সেটি বিজে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের একটি হোস্টেল। স্থানীয়দের দাবি, ওই হোস্টেলে ৫০ জন চিকিৎসক অবস্থান করেন। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, বিমান ভেঙে পড়ায় ওই হোস্টেলের পাঁচ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে।
দুর্ঘটনার পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় শতাধিক অ্যাম্বুল্যান্স। রয়টার্স জানিয়েছে, অহমদাবাদের হাসপাতালে অন্তত ১০০টি মরদেহ পৌঁছেছে। অনেক মরদেহ ঝলসে যাওয়ায় শনাক্ত করা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১ দিন আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে