
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর পদত্যাগের ঘোষণার পর থেকেই দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এই আলোচনায় ডমিনিক লেব্লাং, ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড, মেলানি জোলি, ফ্রান্সোয়া ফিলিপ এবং মার্ক কার্নির নাম এলেও সবচেয়ে বেশি চর্চিত হচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা আনন্দের নাম। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে। তা হলে অনিতা আনন্দই কি কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন?
অনিতা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে কানাডার ইতিহাসে তিনিই হবেন প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, যিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত। জাস্টিন ট্রুডো যদি তাকে এই পদে মনোনীত করেন, তবে তিনি ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত করবেন।
জাস্টিন ট্রুডো গত ৬ জানুয়ারি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। যার ফলে নতুন নেতা নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হয়েছে। অনিতা আনন্দ বর্তমানে ট্রুডো সরকারের পরিবহনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
অনিতা আনন্দ সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে
অনিতা আনন্দ কানাডার লিবারেল পার্টির সিনিয়র সদস্য। তিনি ২০১৯ সাল থেকে সংসদ সদস্য এবং সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং ট্রেজারি বোর্ডের সভাপতিও ছিলেন। ২০২৪ সাল থেকে তিনি পরিবহন এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
অনিতা ১৯৬৭ সালের ২০ মে কানাডার নোভাস্কোশিয়ার কেন্টভিলে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সারোজ ডি রাম এবং মা এসভি আনন্দ ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে ভারত থেকে কানাডায় পাড়ি জমান। তিন বোনের মধ্যে অনিতা সবার বড়। অন্য দুই বোন হলেন গীতা এবং সোনিয়া।
অনিতা ১৯৮৫ সালে ১৮ বছর বয়সে অন্টারিওতে চলে যান। সেখানে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন। পরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক হন। পরবর্তী সময়ে আবারও ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয় ও টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ইয়েল আইন স্কুলে শিক্ষকতা দিয়ে পেশাগত জীবন শুরু করেন। পরে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের অধ্যাপক হিসেবে তিনি বিনিয়োগকারী সুরক্ষা এবং করপোরেট গভর্নেন্সের জন্য জে আর কিম্বার চেয়ার অর্জন করেন। পরে তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী ডিন এবং রটম্যান স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের ক্যাপিটাল মার্কেটস ইনস্টিটিউটের পলিসি ও রিসার্চ পরিচালক নিযুক্ত হন।
অনিতা আনন্দ ১৯৯৫ সালে কানাডার আইনজীবী এবং ব্যবসায়ী জন নোলটনকে বিয়ে করেন। আইন অধ্যয়নের সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় অনিতার। তাদের চার সন্তান। তারা ২১ বছরেরও বেশি সময় ধরে অকভিলে বসবাস করছেন।
অনিতা আনন্দের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ২০১৯ সালে। সে সময় অকভিল থেকে নির্বাচন করে তিনি সংসদ সদস্য হন। সরকারি পরিষেবার মন্ত্রী থাকার সময় করোনা মহামারিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২০২১ সালে তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষার মন্ত্রী নিযুক্ত হন। এই পদে থাকাকালীন তিনি কানাডার সামরিক বাহিনীতে মৌলিক সংস্কার করেন। বিশেষ করে সেনাবাহিনীতে যৌন হয়রানির মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে কাজ করেন। এ ছাড়া তিনি ইউক্রেনে কানাডার সামরিক সহায়তার তদারকির দায়িত্বও পালন করেন।
বর্তমানে পরিবহনমন্ত্রী হিসেবে অনিতা আনন্দ কানাডার বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরির প্রকল্পগুলো দেখভাল করছেন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পরিবহন খাতে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ প্রকল্পের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
কানাডার ইতিহাসে ১৯৯৩ সালে প্রগ্রেসিভ কনজারভেটিভ পার্টির কিম ক্যাম্পবেল প্রথম ও একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তবে লিবারেল পার্টির মধ্যে কোনো নারী প্রধানমন্ত্রী এখনো নেই। অনিতা আনন্দ যদি জাস্টিন ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হন, তবে তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করবেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রথম নারী এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত। সূত্র: এনডিটিভি

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর পদত্যাগের ঘোষণার পর থেকেই দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এই আলোচনায় ডমিনিক লেব্লাং, ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড, মেলানি জোলি, ফ্রান্সোয়া ফিলিপ এবং মার্ক কার্নির নাম এলেও সবচেয়ে বেশি চর্চিত হচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিতা আনন্দের নাম। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে। তা হলে অনিতা আনন্দই কি কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন?
অনিতা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে কানাডার ইতিহাসে তিনিই হবেন প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, যিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত। জাস্টিন ট্রুডো যদি তাকে এই পদে মনোনীত করেন, তবে তিনি ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত করবেন।
জাস্টিন ট্রুডো গত ৬ জানুয়ারি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। যার ফলে নতুন নেতা নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হয়েছে। অনিতা আনন্দ বর্তমানে ট্রুডো সরকারের পরিবহনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
অনিতা আনন্দ সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে
অনিতা আনন্দ কানাডার লিবারেল পার্টির সিনিয়র সদস্য। তিনি ২০১৯ সাল থেকে সংসদ সদস্য এবং সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং ট্রেজারি বোর্ডের সভাপতিও ছিলেন। ২০২৪ সাল থেকে তিনি পরিবহন এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
অনিতা ১৯৬৭ সালের ২০ মে কানাডার নোভাস্কোশিয়ার কেন্টভিলে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সারোজ ডি রাম এবং মা এসভি আনন্দ ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে ভারত থেকে কানাডায় পাড়ি জমান। তিন বোনের মধ্যে অনিতা সবার বড়। অন্য দুই বোন হলেন গীতা এবং সোনিয়া।
অনিতা ১৯৮৫ সালে ১৮ বছর বয়সে অন্টারিওতে চলে যান। সেখানে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন। পরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক হন। পরবর্তী সময়ে আবারও ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয় ও টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ইয়েল আইন স্কুলে শিক্ষকতা দিয়ে পেশাগত জীবন শুরু করেন। পরে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের অধ্যাপক হিসেবে তিনি বিনিয়োগকারী সুরক্ষা এবং করপোরেট গভর্নেন্সের জন্য জে আর কিম্বার চেয়ার অর্জন করেন। পরে তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী ডিন এবং রটম্যান স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের ক্যাপিটাল মার্কেটস ইনস্টিটিউটের পলিসি ও রিসার্চ পরিচালক নিযুক্ত হন।
অনিতা আনন্দ ১৯৯৫ সালে কানাডার আইনজীবী এবং ব্যবসায়ী জন নোলটনকে বিয়ে করেন। আইন অধ্যয়নের সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় অনিতার। তাদের চার সন্তান। তারা ২১ বছরেরও বেশি সময় ধরে অকভিলে বসবাস করছেন।
অনিতা আনন্দের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ২০১৯ সালে। সে সময় অকভিল থেকে নির্বাচন করে তিনি সংসদ সদস্য হন। সরকারি পরিষেবার মন্ত্রী থাকার সময় করোনা মহামারিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২০২১ সালে তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষার মন্ত্রী নিযুক্ত হন। এই পদে থাকাকালীন তিনি কানাডার সামরিক বাহিনীতে মৌলিক সংস্কার করেন। বিশেষ করে সেনাবাহিনীতে যৌন হয়রানির মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে কাজ করেন। এ ছাড়া তিনি ইউক্রেনে কানাডার সামরিক সহায়তার তদারকির দায়িত্বও পালন করেন।
বর্তমানে পরিবহনমন্ত্রী হিসেবে অনিতা আনন্দ কানাডার বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরির প্রকল্পগুলো দেখভাল করছেন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পরিবহন খাতে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ প্রকল্পের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
কানাডার ইতিহাসে ১৯৯৩ সালে প্রগ্রেসিভ কনজারভেটিভ পার্টির কিম ক্যাম্পবেল প্রথম ও একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তবে লিবারেল পার্টির মধ্যে কোনো নারী প্রধানমন্ত্রী এখনো নেই। অনিতা আনন্দ যদি জাস্টিন ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হন, তবে তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করবেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রথম নারী এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত। সূত্র: এনডিটিভি

সমুদ্রতলে সম্ভাব্য মাইন এড়িয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালিতে নতুন ও বিকল্প নৌরুট ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌ শাখা। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরাইল সম্পূর্ণভাবে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ বন্ধ করে দেয় এবং শুধু মসজিদের কর্মী এবং জেরুজালেম ইসলামিক ওয়াকফ-এর কর্মকর্তাদের নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়। আর ফিলিস্তিনিদের শহরের ছোট ছোট মসজিদে নামাজ পড়তে বাধ্য করা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
ন্যাটোর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, ‘যখন আমাদের তাদের প্রয়োজন ছিল, তখন ন্যাটো পাশে ছিল না। আর ভবিষ্যতেও দরকার হলে তারা থাকবে না। গ্রিনল্যান্ডের কথা মনে রাখো—ওই বড়, খারাপভাবে পরিচালিত বরফের টুকরো।
১০ ঘণ্টা আগে