
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নতুন বছরের প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম। ঠিক সেই মুহূর্তেই বেজে ওঠে ভূমিকম্পের সতর্ক সংকেত। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকালে অনুভূত হওয়া এই শক্তিশালী কম্পনে এখন পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
মেক্সিকোর জাতীয় ভূকম্পন সংস্থার তথ্যমতে, দক্ষিণ গুয়েরেরো অঙ্গরাজ্যের সান মার্কোস শহরের কাছে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়, যার প্রভাব পড়ে রাজধানী মেক্সিকো সিটিসহ উপকূলীয় পর্যটন এলাকাগুলোতে। কম্পন শুরু হতেই ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন আতঙ্কিত হাজারো মানুষ। বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি না হলেও এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রশাসনিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং উদ্ধার তৎপরতা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। খবর এএফপির।
মেক্সিকোর জাতীয় ভূকম্পন সংস্থা জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়েরেরো অঙ্গরাজ্যের সান মার্কোস শহরের কাছাকাছি। এলাকাটি প্রশান্ত মহাসাগর উপকূলবর্তী জনপ্রিয় পর্যটন শহর আকাপুলকোর কাছে অবস্থিত।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে সৃষ্টি হয়। এর অবস্থান ছিল গুয়েরেরোর পাহাড়ি এলাকায়, রানচো ভিয়েহো নামের একটি এলাকার উত্তর-পশ্চিম দিকে।
ভূমিকম্প শুরু হতেই মেক্সিকো সিটি ও আকাপুলকোর বাসিন্দা ও পর্যটকেরা আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। অনেকেই খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন, যাতে ভবন ধসের ঝুঁকি এড়ানো যায়।
কিছুক্ষণ পর প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম আবার প্রেস ব্রিফিং শুরু করেন। তিনি জানান, গুয়েরেরোর গভর্নর এভেলিন সালগাদোর সঙ্গে তার কথা হয়েছে। গভর্নরের বরাতে প্রেসিডেন্ট বলেন, এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

নতুন বছরের প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাউম। ঠিক সেই মুহূর্তেই বেজে ওঠে ভূমিকম্পের সতর্ক সংকেত। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকালে অনুভূত হওয়া এই শক্তিশালী কম্পনে এখন পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
মেক্সিকোর জাতীয় ভূকম্পন সংস্থার তথ্যমতে, দক্ষিণ গুয়েরেরো অঙ্গরাজ্যের সান মার্কোস শহরের কাছে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়, যার প্রভাব পড়ে রাজধানী মেক্সিকো সিটিসহ উপকূলীয় পর্যটন এলাকাগুলোতে। কম্পন শুরু হতেই ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন আতঙ্কিত হাজারো মানুষ। বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি না হলেও এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রশাসনিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং উদ্ধার তৎপরতা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। খবর এএফপির।
মেক্সিকোর জাতীয় ভূকম্পন সংস্থা জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়েরেরো অঙ্গরাজ্যের সান মার্কোস শহরের কাছাকাছি। এলাকাটি প্রশান্ত মহাসাগর উপকূলবর্তী জনপ্রিয় পর্যটন শহর আকাপুলকোর কাছে অবস্থিত।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে সৃষ্টি হয়। এর অবস্থান ছিল গুয়েরেরোর পাহাড়ি এলাকায়, রানচো ভিয়েহো নামের একটি এলাকার উত্তর-পশ্চিম দিকে।
ভূমিকম্প শুরু হতেই মেক্সিকো সিটি ও আকাপুলকোর বাসিন্দা ও পর্যটকেরা আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। অনেকেই খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন, যাতে ভবন ধসের ঝুঁকি এড়ানো যায়।
কিছুক্ষণ পর প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম আবার প্রেস ব্রিফিং শুরু করেন। তিনি জানান, গুয়েরেরোর গভর্নর এভেলিন সালগাদোর সঙ্গে তার কথা হয়েছে। গভর্নরের বরাতে প্রেসিডেন্ট বলেন, এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে মন্ত্রীরা জানান, তারা ইসরায়েলের এই অবৈধ ও অযৌক্তিক পদক্ষেপের পাশাপাশি আল-আকসা মসজিদ বা আল-হারাম আল-শরিফে ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান উস্কানিমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন। তারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, অধিকৃত জেরুজালেম কিংবা এর ইসলামি ও খ্রিস্টান পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলের কোনো
১ দিন আগে
ঘরবাড়ি ছাড়া লাখো শিশুর শিক্ষাজীবন ও নিরাপত্তা যখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে, তখন বিশ্বনেতাদের দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে ইউনিসেফ সতর্ক করেছে—এই সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ না হলে নিহতের মিছিল আরও দীর্ঘ হবে।
১ দিন আগে
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির সামরিক তদন্তকারীরা ধারণা করছেন এই হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনীই দায়ী হতে পারে। তবে পেন্টাগন এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে।
১ দিন আগে
‘কর্তৃপক্ষ আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং সব বাসিন্দা নিরাপদ রয়েছেন। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’ তবে ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছে, সে বিষয়ে ওই পোস্টে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
১ দিন আগে