
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ছিটমহল সেউতা সীমান্তে মরক্কো থেকে আসা হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীর ব্যাপক অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত পারাপারের চেষ্টার সময় মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গেল সপ্তাহে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ১০০ জনে। যাদের বড় একটি অংশ সমুদ্রে ডুবে অথবা হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
শহরে এখনও হাজার হাজার অভিবাসী
সেউতার মেয়র জুয়ান জেসুস ভিভাস লারা এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন, সংকট এখনও কাটেনি। অন্তত ৮০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীর একটি বড় অংশ ফেরত গেলেও এখনও ৩ থেকে ৫ হাজার মানুষ শহরের ভেতরে অবস্থান করছেন।
মেয়র বলেন, "সেউতা এখনও স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেনি। এই বিপুলসংখ্যক মানুষের আগমন একটি বড় ধরনের মানবিক সংকট তৈরি করেছে, যা শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে স্থানীয় জনগণের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করেছে।"
ইইউর জরুরি সহায়তা দাবি
স্থানীয় বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তা ও মানবিক ঝুঁকিতে রয়েছেন উল্লেখ করে এই সংকট সামাল দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিভিন্ন সংস্থার কাছে দ্রুত সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন সেউতার মেয়র। এই ঘটনার পর পুরো ইউরোপ জুড়ে অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন করে জোরালো বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও বাস্তবতা
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মরক্কো আফ্রিকায় একটি উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে পরিচিতি পেলেও এর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম স্পর্শকাতর রুট হয়ে উঠেছে দেশটি। বছরের পর বছর ধরে নথিপত্রহীন অভিবাসীরা কাঁটাতার ও সীমান্ত দেয়াল পেরিয়ে সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করে আসছে, যাতে সেখান থেকে মূল ভূখণ্ড স্পেনসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে পৌঁছানো যায়।
তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীরা যে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সীমান্ত পাড়ি দিচ্ছেন, বাস্তবে সেখানে সেই সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।

স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ছিটমহল সেউতা সীমান্তে মরক্কো থেকে আসা হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীর ব্যাপক অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত পারাপারের চেষ্টার সময় মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গেল সপ্তাহে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ১০০ জনে। যাদের বড় একটি অংশ সমুদ্রে ডুবে অথবা হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
শহরে এখনও হাজার হাজার অভিবাসী
সেউতার মেয়র জুয়ান জেসুস ভিভাস লারা এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন, সংকট এখনও কাটেনি। অন্তত ৮০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীর একটি বড় অংশ ফেরত গেলেও এখনও ৩ থেকে ৫ হাজার মানুষ শহরের ভেতরে অবস্থান করছেন।
মেয়র বলেন, "সেউতা এখনও স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেনি। এই বিপুলসংখ্যক মানুষের আগমন একটি বড় ধরনের মানবিক সংকট তৈরি করেছে, যা শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে স্থানীয় জনগণের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করেছে।"
ইইউর জরুরি সহায়তা দাবি
স্থানীয় বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তা ও মানবিক ঝুঁকিতে রয়েছেন উল্লেখ করে এই সংকট সামাল দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিভিন্ন সংস্থার কাছে দ্রুত সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন সেউতার মেয়র। এই ঘটনার পর পুরো ইউরোপ জুড়ে অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন করে জোরালো বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও বাস্তবতা
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মরক্কো আফ্রিকায় একটি উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে পরিচিতি পেলেও এর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম স্পর্শকাতর রুট হয়ে উঠেছে দেশটি। বছরের পর বছর ধরে নথিপত্রহীন অভিবাসীরা কাঁটাতার ও সীমান্ত দেয়াল পেরিয়ে সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করে আসছে, যাতে সেখান থেকে মূল ভূখণ্ড স্পেনসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে পৌঁছানো যায়।
তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীরা যে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সীমান্ত পাড়ি দিচ্ছেন, বাস্তবে সেখানে সেই সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ননথাবুরি প্রদেশের বাং কুরাই জেলায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় স্কুলে নিয়মিত কার্যক্রম চলছিল।
৬ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে ট্রাম্পের সামনে মূলত দুটি পথ খোলা— ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় থাকা একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি মেনে নেওয়া, যা কার্যকর হলে যুদ্ধের আগে কখনো না পাওয়া হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণের একটি অংশ পাবে তেহরান; অন্য পথে ট্রাম্প চাইলে তার দেওয়া হুঁশিয়ারি অনুযায়ী সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন, যাতে
৯ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে অবগত সূত্রগুলোর ভাষ্য, উপসাগর জুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখাই ছিল ইরানের বৃহত্তর কৌশলের অংশ। ২৮ জুলাই ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দেওয়ার পর উচ্চপর্যায়ের একাধিক কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ
২০ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে গেলে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে তেহরানের পক্ষে বড় পরিবর্তন ঘটবে। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা ইরান যুদ্ধের আগে বিশ্বের সব দেশের জাহাজ কোনো ধরনের ফি ছাড়াই অবাধে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারত।
১ দিন আগে