
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ সোমবার (২৩ মার্চ) আগামী পাঁচ দিন ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন। তার এ ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে তেলের দাম ১৩ শতাংশের বেশি কমে গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
গত শনিবার ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলেন। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, এই সময়ের মধ্যে প্রণালিটি উন্মুক্ত করা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে। আজ নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিলেন।
ট্রাম্পের হুমকির পর পালটা হুমকিতে ইরান জানায়, ট্রাম্প যদি ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলা চালালে হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণ’ বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হবে।
এমন পরিস্থিতিতে আজ নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনা সপ্তাহ জুড়ে চলবে। তিনি প্রতিরক্ষা বিভাগকে আগামী পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্পের এ ঘোষণার পর আজ তেলের দাম পড়ে যায়। রয়টার্স জানায়, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৪ ডলারে নেমে আসে, যা প্রায় ৭ শতাংশ কম। এক পর্যায়ে তা ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে ৯৬ ডলারে নেমে যায়। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৭ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৯০ ডলারের কাছাকাছি দাঁড়ায়; এক পর্যায়ে সর্বনিম্ন ৮৫ ডলারে নামে, এতে প্রায় ১৩ শতাংশ দরপতন পতন হয়।
ট্রাম্পের হুমকিতে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি
গত শনিবার (২১ মার্চ) ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছিল। আজ সোমবার ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার আগ পর্যন্ত তেলের দামে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছিল।
বার্তা সংস্থা এএফপর প্রতিবেদনের বলা হয়েছিল, গ্রিনিচ মান সময় রোববার রাত ১০টায় বাজার খোলার পরপরই মার্কিন অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) মে মাসের সরবরাহ দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে যায়। এতে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তবে পরে তা কিছুটা কমে আসে।
একই সময়ে বেড়েছিল নর্থ সি ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দামও বাড়ে। মে মাসের সরবরাহ মূল্য বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৩ দশমিক ৪৪ ডলারে পৌঁছেছে। তবে লেনদেন শুরুর প্রায় ৪৫ মিনিট পর তা কিছুটা কমে ১১১ ডলারের আশপাশে স্থিতিশীল হয়েছিল।
এদিকে আজ সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক ও আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকস জ্বালানি তেলের দামের পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, মার্চ ও এপ্রিলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি গড়ে ১১০ থাকবে। তাদের আগের পূর্বাভাস ছিল ৯৮ ডলার।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামের পূর্বাভাসও বাড়িয়েছে। তারা বলেছে, ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম মার্চে ৯৮ ও এপ্রিলে ১০৫ ডলার থাকবে। গোল্ডম্যানের বিশ্লেষকরা আরও জানান, হরমুজ প্রণালি যদি ১০ এপ্রিল পর্যন্ত স্বাভাবিকের মাত্র ৫ শতাংশ সচল থাকে, তাহলে ওই সময়ের মধ্যে দাম বাড়ার প্রবণতা থাকবে।
প্রতিষ্ঠানটি আরও বলেছে, হরমুজ প্রণালি যদি ১০ সপ্তাহ ধরে স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্র ৫ শতাংশ কার্যকর থাকে, তাহলে অপরিশোধিত তেলের দাম সম্ভবত ২০০৮ সালের রেকর্ড দরকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। ২০০৮ সালের জুলাইতে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৪৭ ডলার ছুঁয়েছিল; যদিও কয়েক মাসের মধ্যে বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের কারণে তা ৪০ ডলারের কাছাকাছি নামতে বাধ্য হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরুর আগের দিন ডব্লিউটিআই ও ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল যথাক্রমে ব্যারেলপ্রতি ৬৭ দশমিক ০২ এবং ৭২ দশমিক ৪৮ ডলার। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্য জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অল্প সময়ের ব্যবধানে বৈশ্বিক তেলের বাজারে এ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
আজ সোমবার ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিড়োল সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি খুব গুরুতর। ১৯৭০ দশকের দুটি তেলসংকট এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের চেয়ে অনেক খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
এর আগে গত ১১ মার্চ আইইএর সদস্যদেশগুলো একমত হয়েছে যে সরবরাহ-বিঘ্ন মোকাবিলায় কৌশলগত মজুত থেকে রেকর্ড ৪০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়া হবে। আইইএর প্রধান এ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি এশিয়া ও ইউরোপের সরকারগুলোর সঙ্গে প্রয়োজনে আরও মজুত তেল ছাড়ার বিষয়ে পরামর্শ করছেন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাধান হবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ সোমবার (২৩ মার্চ) আগামী পাঁচ দিন ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন। তার এ ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে তেলের দাম ১৩ শতাংশের বেশি কমে গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
গত শনিবার ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলেন। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, এই সময়ের মধ্যে প্রণালিটি উন্মুক্ত করা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে। আজ নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিলেন।
ট্রাম্পের হুমকির পর পালটা হুমকিতে ইরান জানায়, ট্রাম্প যদি ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলা চালালে হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণ’ বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হবে।
এমন পরিস্থিতিতে আজ নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনা সপ্তাহ জুড়ে চলবে। তিনি প্রতিরক্ষা বিভাগকে আগামী পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্পের এ ঘোষণার পর আজ তেলের দাম পড়ে যায়। রয়টার্স জানায়, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৪ ডলারে নেমে আসে, যা প্রায় ৭ শতাংশ কম। এক পর্যায়ে তা ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে ৯৬ ডলারে নেমে যায়। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৭ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৯০ ডলারের কাছাকাছি দাঁড়ায়; এক পর্যায়ে সর্বনিম্ন ৮৫ ডলারে নামে, এতে প্রায় ১৩ শতাংশ দরপতন পতন হয়।
ট্রাম্পের হুমকিতে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি
গত শনিবার (২১ মার্চ) ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছিল। আজ সোমবার ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার আগ পর্যন্ত তেলের দামে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছিল।
বার্তা সংস্থা এএফপর প্রতিবেদনের বলা হয়েছিল, গ্রিনিচ মান সময় রোববার রাত ১০টায় বাজার খোলার পরপরই মার্কিন অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) মে মাসের সরবরাহ দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে যায়। এতে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তবে পরে তা কিছুটা কমে আসে।
একই সময়ে বেড়েছিল নর্থ সি ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দামও বাড়ে। মে মাসের সরবরাহ মূল্য বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৩ দশমিক ৪৪ ডলারে পৌঁছেছে। তবে লেনদেন শুরুর প্রায় ৪৫ মিনিট পর তা কিছুটা কমে ১১১ ডলারের আশপাশে স্থিতিশীল হয়েছিল।
এদিকে আজ সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক ও আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকস জ্বালানি তেলের দামের পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, মার্চ ও এপ্রিলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি গড়ে ১১০ থাকবে। তাদের আগের পূর্বাভাস ছিল ৯৮ ডলার।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামের পূর্বাভাসও বাড়িয়েছে। তারা বলেছে, ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম মার্চে ৯৮ ও এপ্রিলে ১০৫ ডলার থাকবে। গোল্ডম্যানের বিশ্লেষকরা আরও জানান, হরমুজ প্রণালি যদি ১০ এপ্রিল পর্যন্ত স্বাভাবিকের মাত্র ৫ শতাংশ সচল থাকে, তাহলে ওই সময়ের মধ্যে দাম বাড়ার প্রবণতা থাকবে।
প্রতিষ্ঠানটি আরও বলেছে, হরমুজ প্রণালি যদি ১০ সপ্তাহ ধরে স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্র ৫ শতাংশ কার্যকর থাকে, তাহলে অপরিশোধিত তেলের দাম সম্ভবত ২০০৮ সালের রেকর্ড দরকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। ২০০৮ সালের জুলাইতে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৪৭ ডলার ছুঁয়েছিল; যদিও কয়েক মাসের মধ্যে বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের কারণে তা ৪০ ডলারের কাছাকাছি নামতে বাধ্য হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরুর আগের দিন ডব্লিউটিআই ও ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল যথাক্রমে ব্যারেলপ্রতি ৬৭ দশমিক ০২ এবং ৭২ দশমিক ৪৮ ডলার। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্য জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অল্প সময়ের ব্যবধানে বৈশ্বিক তেলের বাজারে এ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
আজ সোমবার ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিড়োল সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি খুব গুরুতর। ১৯৭০ দশকের দুটি তেলসংকট এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের চেয়ে অনেক খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
এর আগে গত ১১ মার্চ আইইএর সদস্যদেশগুলো একমত হয়েছে যে সরবরাহ-বিঘ্ন মোকাবিলায় কৌশলগত মজুত থেকে রেকর্ড ৪০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়া হবে। আইইএর প্রধান এ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি এশিয়া ও ইউরোপের সরকারগুলোর সঙ্গে প্রয়োজনে আরও মজুত তেল ছাড়ার বিষয়ে পরামর্শ করছেন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাধান হবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া।

একইসঙ্গে ইরান, গাজা ও লেবাননের সঙ্গে চলমান বহুমুখী যুদ্ধের জন্য সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করে তেল আবিবে বড় ধরনের বিক্ষোভ করেছে সাধারণ ইসরায়েলিরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে নেতানিয়াহু প্রশাসন দেশকে ভুল পথে পরিচালিত করছে।
৬ ঘণ্টা আগে
সোমবার এক বার্তায় ডেমোক্র্যাট এই নেতা সাফ জানিয়ে দেন, এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো যুদ্ধ শেষ করা। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, রিপাবলিকানরা যদি এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে ট্রাম্পের এই যুদ্ধের দায়ভার তাদেরই বহন করতে হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
এবারের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তেহরান বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়ন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মূলত ইরানকে তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সন্ত্রাসী মিত্রগোষ্ঠীর অর্থায়ন থেকে বিচ্ছিন্ন করতেই যুক্তরাষ্ট্র
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবে রোববার ইরান যে পাল্টা প্রস্তাব পাঠিয়েছে, সেখানে যুদ্ধ বন্ধ এবং মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নিয়ে হরমুজ প্রণালীকে পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে