
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদসহ দেশটির বিস্তীর্ণ অঞ্চল।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে অনুভূত হওয়া ৬.১ মাত্রার এই কম্পন কেবল পাকিস্তানেই নয়, প্রতিবেশী ভারত ও আফগানিস্তানের রাজধানী শহরগুলোতেও তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তরের ন্যাশনাল সিসমিক মনিটরিং সেন্টার (এনএসএমসি) জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৩ মিনিটে ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়। এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৯০ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালা।
রাওয়ালপিন্ডি, পেশোয়ার, মুজাফফরাবাদ এবং স্কারদুসহ বিভিন্ন শহরে শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। এ ছাড়া ইসলামাবাদ, মুরি, ট্যাক্সিলা, ফয়সালাবাদ ও মুলতানেও মানুষ ভূমিকম্প টের পান। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া পাঞ্জাব প্রদেশের সারগোধা, চাকওয়াল, চিনিওট, ঝেলাম, মিয়ানওয়ালি, নারোয়াল, ভাক্কার, হাফিজাবাদ, খানেওয়াল, মান্ডি বাহাউদ্দিন ও কামালিয়াতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
খাইবার পাখতুনখাওয়া অঞ্চলের পেশাওয়ার, নওশেরা, সোয়াত, শাংলা, লোয়ার ও আপার দির, কোহাট, মালাকান্দ, মারদান, হাঙ্গু, অ্যাবোটাবাদ, মানসেহরা, বুনের, বান্নু, বাজাউর, ট্যাংক ও চারসাদ্দাসহ অনেক এলাকায় কাঁপন ছড়িয়ে পড়ে।
গিলগিট-বালতিস্তানের গিলগিট, স্কার্দু ও দিয়ামিরেও কম্পন অনুভূত হয়। আর আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের মুজাফফরাবাদ, ভিম্বার, নীলাম ভ্যালি, সামাহনি ও হাত্তিয়ান বালাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্পের প্রভাব পড়ে।
এ ছাড়া আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল এবং ভারতের রাজধানী দিল্লিতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদসহ দেশটির বিস্তীর্ণ অঞ্চল।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে অনুভূত হওয়া ৬.১ মাত্রার এই কম্পন কেবল পাকিস্তানেই নয়, প্রতিবেশী ভারত ও আফগানিস্তানের রাজধানী শহরগুলোতেও তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তরের ন্যাশনাল সিসমিক মনিটরিং সেন্টার (এনএসএমসি) জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৩ মিনিটে ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়। এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৯০ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালা।
রাওয়ালপিন্ডি, পেশোয়ার, মুজাফফরাবাদ এবং স্কারদুসহ বিভিন্ন শহরে শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। এ ছাড়া ইসলামাবাদ, মুরি, ট্যাক্সিলা, ফয়সালাবাদ ও মুলতানেও মানুষ ভূমিকম্প টের পান। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া পাঞ্জাব প্রদেশের সারগোধা, চাকওয়াল, চিনিওট, ঝেলাম, মিয়ানওয়ালি, নারোয়াল, ভাক্কার, হাফিজাবাদ, খানেওয়াল, মান্ডি বাহাউদ্দিন ও কামালিয়াতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
খাইবার পাখতুনখাওয়া অঞ্চলের পেশাওয়ার, নওশেরা, সোয়াত, শাংলা, লোয়ার ও আপার দির, কোহাট, মালাকান্দ, মারদান, হাঙ্গু, অ্যাবোটাবাদ, মানসেহরা, বুনের, বান্নু, বাজাউর, ট্যাংক ও চারসাদ্দাসহ অনেক এলাকায় কাঁপন ছড়িয়ে পড়ে।
গিলগিট-বালতিস্তানের গিলগিট, স্কার্দু ও দিয়ামিরেও কম্পন অনুভূত হয়। আর আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের মুজাফফরাবাদ, ভিম্বার, নীলাম ভ্যালি, সামাহনি ও হাত্তিয়ান বালাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্পের প্রভাব পড়ে।
এ ছাড়া আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল এবং ভারতের রাজধানী দিল্লিতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১ দিন আগে
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
২ দিন আগে