
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফর কেন্দ্র করে দিল্লিতে গড়ে তোলা হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিসের দক্ষ সদস্য, ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের (এনএসজি) শীর্ষ কমান্ডো, স্নাইপার, ড্রোন, জ্যামার ও এআইনির্ভর নজরদারি, সব মিলিয়ে পাঁচস্তরের সুরক্ষাব্যবস্থা প্রস্তুত হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পুতিন দিল্লিতে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র বলছে, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজ সারবেন। পরদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে তাকে দেওয়া হবে আনুষ্ঠানিক স্বাগত।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) পুতিন রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর হায়দরাবাদ হাউজে অনুষ্ঠিত হবে শীর্ষ সম্মেলন ও ভারত মণ্ডপমে আরেকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। দিনশেষে ভারতীয় প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মুর নৈশভোজেও যোগ দেবেন পুতিন।
এই ব্যস্ত সফরসূচি ঘিরে অতিসতর্ক অবস্থানে রয়েছে দিল্লি। সূত্র জানায়, তার আগমনের আগে রাশিয়ার চার ডজনেরও বেশি শীর্ষ নিরাপত্তাকর্মী দিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন। দিল্লি পুলিশ ও এনএসজি সদস্যদের সঙ্গে তারা পুতিনের সম্ভাব্য যাতায়াতপথগুলো পর্যায়ক্রমে পরীক্ষা ও নিরাপদ করছেন।
রুশ প্রেসিডেন্টের কনভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত ড্রোন সবসময় নজর রাখবে একটি আলাদা নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে। প্রেসিডেন্টের পুরো গতিপথজুড়ে মোতায়েন থাকবে একাধিক স্নাইপার। পাশাপাশি জ্যামার, এআই মনিটরিং ও ফেসিয়াল রিকগনিশন ক্যামেরা, সবই যুক্ত হয়েছে এই বিস্তৃত প্রযুক্তিভিত্তিক সুরক্ষা বেষ্টনীতে।
সূত্রের বর্ণনায়, পুতিন ভারতে নামার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয় একে একে সক্রিয় হবে। নিরাপত্তাসংক্রান্ত প্রতিটি ইউনিট নিয়মিত যোগাযোগ রাখবে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে। এনএসজি ও দিল্লি পুলিশের সদস্যরা থাকবেন বাইরের বলয়গুলোতে, আর রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সামলাবে অন্তঃবলয়। তবে যখন রুশ প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে থাকবেন, তখন ভারতের স্পেশাল প্রটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) কমান্ডোরা যুক্ত হবেন অন্তঃবলয়ে।
পুতিন যেসব স্থানে যাবেন, সেগুলোও রুশ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা পরিদর্শন করছেন। যে হোটেলে তিনি অবস্থান করবেন, তা সম্পূর্ণভাবে স্যানিটাইজ করা হয়েছে। এমনকি, সম্ভাব্য আকস্মিক গন্তব্যগুলোর তালিকা তৈরি করে সেগুলোতেও নিরাপত্তা পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।
পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিশেষ আকর্ষণ ‘অরাস সিনাট’, যা সরকারিভাবে তার ব্যবহৃত অত্যাধুনিক বিলাসবহুল সাঁজোয়া লিমুজিন। মস্কো থেকে বিশেষভাবে আনা হচ্ছে এই বিলাসবহুল গাড়িটি। এ বছরের শুরুতে চীনে অনুষ্ঠিত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠকে পুতিন ও মোদীকে একই সিনাট গাড়িতে চড়া অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।
‘ফোর্ট্রেস-অন-হুইলস’ হিসেবে পরিচিত সেনাট হলো রাশিয়ার অরাস মোটরসের তৈরি একটি পুরোপুরি বিলাসবহুল সাঁজোয়া লিমুজিন। ২০১৮ সালে চালু হওয়া এই গাড়ি পুতিনের সরকারি রাষ্ট্রীয় যান ও কোর্তেজ প্রকল্পের অংশ, যার উদ্দেশ্য রুশ সরকারের জন্য নিজস্ব বিলাসবহুল ও সাঁজোয়া যান তৈরি করা

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফর কেন্দ্র করে দিল্লিতে গড়ে তোলা হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিসের দক্ষ সদস্য, ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের (এনএসজি) শীর্ষ কমান্ডো, স্নাইপার, ড্রোন, জ্যামার ও এআইনির্ভর নজরদারি, সব মিলিয়ে পাঁচস্তরের সুরক্ষাব্যবস্থা প্রস্তুত হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পুতিন দিল্লিতে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র বলছে, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজ সারবেন। পরদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে তাকে দেওয়া হবে আনুষ্ঠানিক স্বাগত।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) পুতিন রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর হায়দরাবাদ হাউজে অনুষ্ঠিত হবে শীর্ষ সম্মেলন ও ভারত মণ্ডপমে আরেকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। দিনশেষে ভারতীয় প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মুর নৈশভোজেও যোগ দেবেন পুতিন।
এই ব্যস্ত সফরসূচি ঘিরে অতিসতর্ক অবস্থানে রয়েছে দিল্লি। সূত্র জানায়, তার আগমনের আগে রাশিয়ার চার ডজনেরও বেশি শীর্ষ নিরাপত্তাকর্মী দিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন। দিল্লি পুলিশ ও এনএসজি সদস্যদের সঙ্গে তারা পুতিনের সম্ভাব্য যাতায়াতপথগুলো পর্যায়ক্রমে পরীক্ষা ও নিরাপদ করছেন।
রুশ প্রেসিডেন্টের কনভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত ড্রোন সবসময় নজর রাখবে একটি আলাদা নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে। প্রেসিডেন্টের পুরো গতিপথজুড়ে মোতায়েন থাকবে একাধিক স্নাইপার। পাশাপাশি জ্যামার, এআই মনিটরিং ও ফেসিয়াল রিকগনিশন ক্যামেরা, সবই যুক্ত হয়েছে এই বিস্তৃত প্রযুক্তিভিত্তিক সুরক্ষা বেষ্টনীতে।
সূত্রের বর্ণনায়, পুতিন ভারতে নামার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয় একে একে সক্রিয় হবে। নিরাপত্তাসংক্রান্ত প্রতিটি ইউনিট নিয়মিত যোগাযোগ রাখবে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে। এনএসজি ও দিল্লি পুলিশের সদস্যরা থাকবেন বাইরের বলয়গুলোতে, আর রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সামলাবে অন্তঃবলয়। তবে যখন রুশ প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে থাকবেন, তখন ভারতের স্পেশাল প্রটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) কমান্ডোরা যুক্ত হবেন অন্তঃবলয়ে।
পুতিন যেসব স্থানে যাবেন, সেগুলোও রুশ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা পরিদর্শন করছেন। যে হোটেলে তিনি অবস্থান করবেন, তা সম্পূর্ণভাবে স্যানিটাইজ করা হয়েছে। এমনকি, সম্ভাব্য আকস্মিক গন্তব্যগুলোর তালিকা তৈরি করে সেগুলোতেও নিরাপত্তা পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।
পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিশেষ আকর্ষণ ‘অরাস সিনাট’, যা সরকারিভাবে তার ব্যবহৃত অত্যাধুনিক বিলাসবহুল সাঁজোয়া লিমুজিন। মস্কো থেকে বিশেষভাবে আনা হচ্ছে এই বিলাসবহুল গাড়িটি। এ বছরের শুরুতে চীনে অনুষ্ঠিত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠকে পুতিন ও মোদীকে একই সিনাট গাড়িতে চড়া অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।
‘ফোর্ট্রেস-অন-হুইলস’ হিসেবে পরিচিত সেনাট হলো রাশিয়ার অরাস মোটরসের তৈরি একটি পুরোপুরি বিলাসবহুল সাঁজোয়া লিমুজিন। ২০১৮ সালে চালু হওয়া এই গাড়ি পুতিনের সরকারি রাষ্ট্রীয় যান ও কোর্তেজ প্রকল্পের অংশ, যার উদ্দেশ্য রুশ সরকারের জন্য নিজস্ব বিলাসবহুল ও সাঁজোয়া যান তৈরি করা

ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনও একই পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আশা করছে। এতে আরো বলা হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোউসভ সেনাবাহিনী প্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভকে ওই সময় সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে যেকোনো ধরনের লঙ্ঘনের জবাব দিতে রুশ বাহিনী প্রস্তুত থাকবে।
৫ ঘণ্টা আগে
ছয় সপ্তাহের সংঘাতে ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বড় অংশের লক্ষ্যই ছিল উপসাগরীয় দেশগুলো। এসব হামলার বেশির ভাগই প্রতিহত করা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে । তবে এরপরও তারা বুঝতে পারছে, এককভাবে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নজরদারি ড্রোন ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে— এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৭৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের তুলনায় প্রায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড তেলের দামও ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি।
৮ ঘণ্টা আগে