
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউক্রেনের পোলতাভায় একটি সামরিক শিক্ষা কেন্দ্রে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রাশিয়ান সৈন্যরা। এতে কমপক্ষে ৪১ জন নিহত ও ১৮০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ধ্বংসস্তূপে অনেকেই আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সম্প্রচার মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুটি রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র একটি হাসপাতাল এবং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আঘাত হানে। এতে কমপক্ষে ৪১ জন নিহত ও ১৮০ জন আহত হয়েছে।
এ ঘটনায় এক ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানান, ‘আমি পোলতাভাতে রাশিয়ান হামলার প্রাথমিক প্রতিবেদন পেয়েছি। ওই এলাকায় রাশিয়ান দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তারা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং একটি হাসপাতালকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এতে ভবনগুলো আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে।’
তিনি জানান, ‘এ হামলায় ৪১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৮০ জনেরও বেশি মানুষ। এছাড়াও ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়েছেন অনেকেই। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে, ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।’
নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও শোক জানিয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি হামলা ও পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও উদ্ধার অভিযানে এগিয়ে আসার জন্য সাহায্যকারীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
এদিকে এ ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ অভিহিত করে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সকলকে অনুরোধ করছি, যাদের এই সন্ত্রাসী হামলা বন্ধ করার ক্ষমতা আছে, তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন। রাশিয়ান সন্ত্রাসী হামলা থেকে আমাদের রক্ষা করুন। নয়তো এরা আমাদের আরও প্রাণ কেড়ে নেবে।

ইউক্রেনের পোলতাভায় একটি সামরিক শিক্ষা কেন্দ্রে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রাশিয়ান সৈন্যরা। এতে কমপক্ষে ৪১ জন নিহত ও ১৮০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ধ্বংসস্তূপে অনেকেই আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সম্প্রচার মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুটি রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র একটি হাসপাতাল এবং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আঘাত হানে। এতে কমপক্ষে ৪১ জন নিহত ও ১৮০ জন আহত হয়েছে।
এ ঘটনায় এক ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানান, ‘আমি পোলতাভাতে রাশিয়ান হামলার প্রাথমিক প্রতিবেদন পেয়েছি। ওই এলাকায় রাশিয়ান দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তারা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং একটি হাসপাতালকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এতে ভবনগুলো আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে।’
তিনি জানান, ‘এ হামলায় ৪১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৮০ জনেরও বেশি মানুষ। এছাড়াও ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়েছেন অনেকেই। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে, ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।’
নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও শোক জানিয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি হামলা ও পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও উদ্ধার অভিযানে এগিয়ে আসার জন্য সাহায্যকারীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
এদিকে এ ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ অভিহিত করে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সকলকে অনুরোধ করছি, যাদের এই সন্ত্রাসী হামলা বন্ধ করার ক্ষমতা আছে, তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন। রাশিয়ান সন্ত্রাসী হামলা থেকে আমাদের রক্ষা করুন। নয়তো এরা আমাদের আরও প্রাণ কেড়ে নেবে।

২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকেই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছিল, যেখানে এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দূতরা উভয় পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা পরিচালনা করেছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনও একই পদক্ষেপ নেবে বলে তারা আশা করছে। এতে আরো বলা হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোউসভ সেনাবাহিনী প্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভকে ওই সময় সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে যেকোনো ধরনের লঙ্ঘনের জবাব দিতে রুশ বাহিনী প্রস্তুত থাকবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ছয় সপ্তাহের সংঘাতে ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বড় অংশের লক্ষ্যই ছিল উপসাগরীয় দেশগুলো। এসব হামলার বেশির ভাগই প্রতিহত করা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে । তবে এরপরও তারা বুঝতে পারছে, এককভাবে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নজরদারি ড্রোন ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে— এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে