
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছল, তবে তাতে রাজি হয়নি। ওয়াশিংটনে রিপাবলিকান পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প এমন অদ্ভুত দাবি করেন, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তেহরানের নেতৃত্ব অনানুষ্ঠানিকভাবে তাকে ওই পদে বসার প্রস্তাব দেয়। তবে তিনি এতে আগ্রহ দেখাননি।
বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “বিশ্বের কোনো দেশের নেতাই ইরানের প্রধান হতে চাইবে না। তারা আমাকে স্পষ্টভাবে বলেছিল— ‘আমরা আপনাকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা বানাতে চাই।’ আমি তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছি, এটার আমার দরকার নেই।”
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চালানো অভিযানে দেশটির উচ্চপর্যায়ের হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, সেখানে বর্তমানে একটি ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, চলমান সংঘাত থামাতে ইরান ‘গোপনে’ ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘তারা একটি চুক্তির জন্য মরিয়া। কিন্তু তা প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছে— কারণ, ইরানি নেতারা মনে করছেন এতে তারা নিজের দেশের লোকের হাতেই নিহত হতে পারেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নিহত হওয়ারও ভয় পাচ্ছেন।’
হোয়াইট হাউস ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলার দাবি করলেও দেশটি তা প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছে। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির জন্য তেহরান কিছু শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা না করার নিশ্চয়তা, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কর্তৃত্বের স্বীকৃতি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলা সত্ত্বেও ইরান এখনো পিছু হটার কোনো লক্ষণ দেখায়নি বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনও অনিশ্চিত।
তবে চলমান এই যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাকিস্তান মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া তুরস্ক, মিসরসহ আরও কয়েকটি দেশ এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের বরাত দিয়ে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছল, তবে তাতে রাজি হয়নি। ওয়াশিংটনে রিপাবলিকান পার্টির এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প এমন অদ্ভুত দাবি করেন, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তেহরানের নেতৃত্ব অনানুষ্ঠানিকভাবে তাকে ওই পদে বসার প্রস্তাব দেয়। তবে তিনি এতে আগ্রহ দেখাননি।
বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “বিশ্বের কোনো দেশের নেতাই ইরানের প্রধান হতে চাইবে না। তারা আমাকে স্পষ্টভাবে বলেছিল— ‘আমরা আপনাকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা বানাতে চাই।’ আমি তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছি, এটার আমার দরকার নেই।”
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চালানো অভিযানে দেশটির উচ্চপর্যায়ের হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, সেখানে বর্তমানে একটি ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, চলমান সংঘাত থামাতে ইরান ‘গোপনে’ ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘তারা একটি চুক্তির জন্য মরিয়া। কিন্তু তা প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছে— কারণ, ইরানি নেতারা মনে করছেন এতে তারা নিজের দেশের লোকের হাতেই নিহত হতে পারেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নিহত হওয়ারও ভয় পাচ্ছেন।’
হোয়াইট হাউস ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলার দাবি করলেও দেশটি তা প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছে। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির জন্য তেহরান কিছু শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা না করার নিশ্চয়তা, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কর্তৃত্বের স্বীকৃতি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলা সত্ত্বেও ইরান এখনো পিছু হটার কোনো লক্ষণ দেখায়নি বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনও অনিশ্চিত।
তবে চলমান এই যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাকিস্তান মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া তুরস্ক, মিসরসহ আরও কয়েকটি দেশ এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের বরাত দিয়ে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৮ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
২১ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
১ দিন আগে