ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তার নিজ কার্যালয়ে কাজ করার সময় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল শনিবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
তেহরানে খামেনির প্রধান কার্যালয় 'লিডারশিপ হাউজ কম্পাউন্ড'-এর ওপর চালানো এই হামলায় ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার সত্যতা বিবিসি ভেরিফাই-এর স্যাটেলাইট চিত্রেও ধরা পড়েছে।
স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি পর্যালোচনা করে এর আগেই বিবিসি ভেরিফাই লিডারশিপ হাউজ কম্পাউন্ডের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।
আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, খামেনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে যে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল তা ছিল 'শত্রুর মনস্তাত্ত্বিক লড়াই'; বরং তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজ দপ্তরেই অবস্থান করছিলেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির দ্বিতীয় সুপ্রিম লিডার ও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফের এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো ইরানজুড়ে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।



















