
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এক নতুন মোড় নিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, ইরানে চলমান সামরিক অভিযান অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে এবং কয়েক মাসের মধ্যে নয়, বরং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নির্ধারিত সামরিক লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জিত হবে। ইতোমধ্যে ইরানের বিমান ও নৌবাহিনীর অধিকাংশ সক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি ওয়াশিংটনের। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে বলে জানিয়েছে ইরান। ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মজিদ ইবনে রেজা তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বলেছেন, তেহরান ‘আগ্রাসনকারীদের শাস্তি দেওয়া, প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি রোধে’ কাজ চালিয়ে যাবে।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি আলোচনার গুঞ্জন, অন্যদিকে রণক্ষেত্রে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা—সব মিলিয়ে এক অস্থির সময় পার করছে বিশ্ব। হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো অবরুদ্ধ হওয়ার শঙ্কায় বিশ্ব অর্থনীতিতে নেমে এসেছে জ্বালানি সংকটের কালো ছায়া।
ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মজিদ ইবনে রেজা আগ্রাসনকারীদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার কথা বললেও ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত থামাতে পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলো কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার মুখে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই মুখোমুখি অবস্থান বিশ্বকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
মার্কিন সামরিক অভিযান অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে— উল্লেখ করে ওয়াশিংটনের মূল সামরিক লক্ষ্যগুলো ব্যাখ্যা করেছেন মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল ইরানের বিমান বাহিনীকে ধ্বংস করা, যা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় লক্ষ্য ছিল তাদের নৌবাহিনীকে গুঁড়িয়ে দেওয়া, যার বড় অংশই অর্জিত হয়েছে।’
রুবিও আরও জানান, এখন তাদের মূল মনোযোগ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করা।
সামরিক অভিযানের অগ্রগতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের নির্ধারিত সময়ের চেয়েও এগিয়ে আছি। চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনে আমাদের মাসের পর মাস সময় লাগবে না, এটি এখন মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যাপার। ঠিক কত সপ্তাহ লাগবে তা আমি সুনির্দিষ্টভাবে বলব না, তবে এটি কয়েক মাসের বিষয় নয়।’
ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মজিদ ইবনে রেজা তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বলেছেন, তেহরান ‘আগ্রাসনকারীদের শাস্তি দেওয়া, প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি রোধে’ কাজ চালিয়ে যাবে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়ে বলেছে তেহরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করা হয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় জ্বালানির বিশ্ববাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সোমবারও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। পাশাপাশি লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত অবকাঠামোতেও হামলা চালিয়েছে তারা। তবে ইসরায়েলও স্বস্তিতে নেই। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও ইসরায়েলে রকেট হামলা বাড়িয়েছে।
একই সঙ্গে ইয়েমেন থেকে ইরান-সমর্থিত হুতিরা প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এক মাস আগে যুদ্ধের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ও সেনা অবস্থানকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করছিল ইরান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জ্বালানিক্ষেত্রের মতো বেসামরিক স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। যুদ্ধের পরিসরও বেড়েছে। সেটি এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ছড়িয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে বিশ্বের অর্থনীতিকে চাপে ফেলা এ যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগও চলছে। পাকিস্তান, তুরস্ক, মিসর, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গতকাল সোমবার ইসলামাবাদে বৈঠক করেছেন। ওয়াশিংটন ও তেহরানকে সরাসরি আলোচনায় বসানো তাঁদের লক্ষ্য। গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘সরাসরি ও পরোক্ষভাবে’ আলোচনা করছে। এদিকে ইসরায়েলে হামলায় ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী যোগ দেওয়ার পর বাব আল-মান্দেব প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি নৌপথও অবরুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাহলে হরমুজ প্রণালির মতো লোহিত সাগর দিয়েও চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ট্রাম্প আলোচনার কথা বলার মধ্যে আবার মধ্যপ্রাচ্যে আরও মার্কিন সেনা পাঠাচ্ছেন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের গালিবাফ। তাঁর অভিযোগ, একদিকে ওয়াশিংটন আলোচনার কথা বলছে, অন্যদিকে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে। স্থল অভিযান হলে ইরানও প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাঘের গালিবাফ। তাঁর ভাষায়, তাঁদের ভূখণ্ডে নামলে মার্কিন সেনারা ‘বৃষ্টির মতো’ গুলিবর্ষণের শিকার হবেন।যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় মূল দেশ হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদে গতকাল মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বৈঠক করেন। পাকিস্তান জানিয়েছে, একটি ‘ফলপ্রসূ আলোচনার’ আয়োজন করতে যাচ্ছে তারা। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এ আলোচনায় অংশ নিতে রাজি হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এক নতুন মোড় নিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, ইরানে চলমান সামরিক অভিযান অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে এবং কয়েক মাসের মধ্যে নয়, বরং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নির্ধারিত সামরিক লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জিত হবে। ইতোমধ্যে ইরানের বিমান ও নৌবাহিনীর অধিকাংশ সক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি ওয়াশিংটনের। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে বলে জানিয়েছে ইরান। ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মজিদ ইবনে রেজা তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বলেছেন, তেহরান ‘আগ্রাসনকারীদের শাস্তি দেওয়া, প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি রোধে’ কাজ চালিয়ে যাবে।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি আলোচনার গুঞ্জন, অন্যদিকে রণক্ষেত্রে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা—সব মিলিয়ে এক অস্থির সময় পার করছে বিশ্ব। হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো অবরুদ্ধ হওয়ার শঙ্কায় বিশ্ব অর্থনীতিতে নেমে এসেছে জ্বালানি সংকটের কালো ছায়া।
ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মজিদ ইবনে রেজা আগ্রাসনকারীদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার কথা বললেও ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত থামাতে পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলো কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার মুখে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই মুখোমুখি অবস্থান বিশ্বকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
মার্কিন সামরিক অভিযান অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে— উল্লেখ করে ওয়াশিংটনের মূল সামরিক লক্ষ্যগুলো ব্যাখ্যা করেছেন মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল ইরানের বিমান বাহিনীকে ধ্বংস করা, যা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় লক্ষ্য ছিল তাদের নৌবাহিনীকে গুঁড়িয়ে দেওয়া, যার বড় অংশই অর্জিত হয়েছে।’
রুবিও আরও জানান, এখন তাদের মূল মনোযোগ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করা।
সামরিক অভিযানের অগ্রগতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের নির্ধারিত সময়ের চেয়েও এগিয়ে আছি। চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনে আমাদের মাসের পর মাস সময় লাগবে না, এটি এখন মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যাপার। ঠিক কত সপ্তাহ লাগবে তা আমি সুনির্দিষ্টভাবে বলব না, তবে এটি কয়েক মাসের বিষয় নয়।’
ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মজিদ ইবনে রেজা তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বলেছেন, তেহরান ‘আগ্রাসনকারীদের শাস্তি দেওয়া, প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি রোধে’ কাজ চালিয়ে যাবে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়ে বলেছে তেহরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করা হয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় জ্বালানির বিশ্ববাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সোমবারও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। পাশাপাশি লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত অবকাঠামোতেও হামলা চালিয়েছে তারা। তবে ইসরায়েলও স্বস্তিতে নেই। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও ইসরায়েলে রকেট হামলা বাড়িয়েছে।
একই সঙ্গে ইয়েমেন থেকে ইরান-সমর্থিত হুতিরা প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এক মাস আগে যুদ্ধের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ও সেনা অবস্থানকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করছিল ইরান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জ্বালানিক্ষেত্রের মতো বেসামরিক স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। যুদ্ধের পরিসরও বেড়েছে। সেটি এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ছড়িয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে বিশ্বের অর্থনীতিকে চাপে ফেলা এ যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগও চলছে। পাকিস্তান, তুরস্ক, মিসর, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গতকাল সোমবার ইসলামাবাদে বৈঠক করেছেন। ওয়াশিংটন ও তেহরানকে সরাসরি আলোচনায় বসানো তাঁদের লক্ষ্য। গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘সরাসরি ও পরোক্ষভাবে’ আলোচনা করছে। এদিকে ইসরায়েলে হামলায় ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী যোগ দেওয়ার পর বাব আল-মান্দেব প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি নৌপথও অবরুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাহলে হরমুজ প্রণালির মতো লোহিত সাগর দিয়েও চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ট্রাম্প আলোচনার কথা বলার মধ্যে আবার মধ্যপ্রাচ্যে আরও মার্কিন সেনা পাঠাচ্ছেন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের গালিবাফ। তাঁর অভিযোগ, একদিকে ওয়াশিংটন আলোচনার কথা বলছে, অন্যদিকে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে। স্থল অভিযান হলে ইরানও প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাঘের গালিবাফ। তাঁর ভাষায়, তাঁদের ভূখণ্ডে নামলে মার্কিন সেনারা ‘বৃষ্টির মতো’ গুলিবর্ষণের শিকার হবেন।যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় মূল দেশ হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদে গতকাল মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বৈঠক করেন। পাকিস্তান জানিয়েছে, একটি ‘ফলপ্রসূ আলোচনার’ আয়োজন করতে যাচ্ছে তারা। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এ আলোচনায় অংশ নিতে রাজি হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সোমবার (৩০ মার্চ) ফিলিপাইনের সরকারি পর্যবেক্ষক সংস্থার বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহের সংকটে ফিলিপাইনের ৩০০-এর বেশি পেট্রোল পাম্প বা জ্বালানি স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক চাপ, চলমান যুদ্ধ এবং ইরানের ভেতরে বদলে যাওয়া জনমত নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে— তাহলে কি শেষ পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্রের পথেই হাঁটছে কোণঠাসা ইরান? দেশটি এরই মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়েও তৎপরতা শুরু করেছে।
১ দিন আগে
ক্যাথলিক খিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ চতুর্দশ লিও বলেছেন, ‘যারা যুদ্ধে জড়ায়, সৃষ্টিকর্তা তাদের প্রার্থনায় সাড়া দেন না।’ রোববার (২৯ মার্চ) ‘পাম সানডে’ দিনের উপাসনা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
১ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঘিরে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে। বিশ্ববাজারে ফের বেড়েছে তেলের দাম, পাশাপাশি এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে দেখা দিয়েছে উল্লেখযোগ্য দরপতন।
১ দিন আগে