লেবানন আর কারও যুদ্ধের ময়দান হবে না: প্রেসিডেন্ট আউন

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১: ৩৩
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননকে আর কোনো দেশ বা শক্তির যুদ্ধের ময়দান কিংবা দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি এই কঠোর বার্তা দেন। একই সঙ্গে তিনি বর্তমানে চলমান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিকে একটি স্থায়ী চুক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এসময় প্রেসিডেন্ট আউন জানান, তারা এখন এমন এক ধাপে প্রবেশ করেছে যেখানে যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি স্থায়ী চুক্তিতে উপনীত হতে হবে। যা দেশের জনগণের অধিকার, ভূমির অখণ্ডতা এবং জাতির সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে।

এদিকে, লেবানন-ইসরাইলের মধ্যকার চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় দিন চলছে আজ। এর আগে যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকরের এক ঘণ্টার মধ্যেই তা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে লেবাননের সেনাবাহিনী।

তাদের দাবি, দেশটির বেশ কয়েকটি গ্রামে গোলাবর্ষণ ও হামলার পাশাপাশি ব্যাপক সামরিক তৎপরতা চালিয়েছে ইসরাইল।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

হরমুজ খোলার ঘোষণায় পড়ল তেলের দাম, তবু অনিশ্চয়তা

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাতে ইরান হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার ঘোষণা দেয়। ইরানের দক্ষিণে অবস্থিত সংকীর্ণ এই নৌ রুট দিয়ে বিশ্বে ব্যবহৃত মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। বিশ্লেষকসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ঘোষণায় তারা স্বস্তিবোধ করলেও এখনই নির্ভার হতে পারছেন না।

৩ ঘণ্টা আগে

হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান, নমনীয় বার্তা ট্রাম্পের

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণ খোলা এবং ব্যবসার জন্য প্রস্তুত। তবে ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ (নেভাল ব্লকেড) বহাল থাকবে।’

১৫ ঘণ্টা আগে

অভিবাসীদের বৈধতা দিতে শুরু করেছে স্পেন, আশা-উৎকণ্ঠায় আবেদনকারীরা

স্পেনে নথিপত্রহীন অভিবাসীদের বৈধ করার লক্ষ্যে দেশটির বামপন্থি সরকারের গণ-বৈধকরণ প্রকল্প চালু হয়েছে। এ উদ্যোগকে ঘিরে অভিবাসীদের মধ্যে যেমন নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে, তেমনি আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দেখা দিয়েছে নানা উৎকণ্ঠা ও দৌড়ঝাঁপ।

১৭ ঘণ্টা আগে

সমুদ্রপথে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর ২০২৫

২০২৫ সালে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) তথ্যমতে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে চলাচলের ক্ষেত্রে এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর।

১৮ ঘণ্টা আগে