
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেল কোম্পানিগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলা নিয়ে তার পরিকল্পনার পক্ষে এসব কোম্পানির সমর্থন আদায় করাই এ বৈঠকের উদ্দেশ্য।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আগামী কয়েক বছর ধরে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ করার আশা করছেন তিনি।
এর আগে গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক ঝটিকা সামরিক অভিযানে মার্কিন সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যায়। তাদের রাখা হয় নিউইয়র্কের ব্রুকলিক কারাগারে। এরই মধ্যে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তারা মাদক পাচারসহ তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন।
ভেনেজুয়েলায় অভিযান নিয়ে ট্রাম্প কোনো রাখঢাক করেননি। ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই তার এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল, সেটি তিনি স্পষ্টই ঘোষণা দিয়েছেন। বলেছেন, ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করবে যুক্তরাষ্ট্র।
শীর্ষ মার্কিন তেল কোম্পানির নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেন, এই মুহূর্তে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষের ওপর ওয়াশিংটনের সর্বোচ্চ মাত্রার প্রভাব রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন বারবার বলেছে, তারা ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করছে। বুধবার জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পকে ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ নিয়ন্ত্রণ করবে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, হোয়াইট হাউজের এ বৈঠকে এক্সন মবিল, শেভরন ও কনোকোফিলিপসের প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রাম্পের মুখপাত্র লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, এটি মূলত একটি আলোচনামূলক বৈঠক, যেখানে স্পষ্টতই এই মুহূর্তে তেল কোম্পানিগুলোর সামনে যে বিশাল সুযোগ রয়েছে, তা নিয়ে কথা হবে।
এদিকে মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন মাদুরো সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগতভাবে সহায়তার সম্পর্ক থাকবে তার দেশের।
ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি জানিয়েছে, তারা কেবল তেল বিক্রি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে।
শেভরনই বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় কার্যক্রম চালানোর লাইসেন্সপ্রাপ্ত একমাত্র মার্কিন কোম্পানি। এক্সন মোবিল ও কনোকোফিলিপস ২০০৭ সালে দেশটি ছেড়ে যায়। ওই সময়কার প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের বিদেশি কোম্পানিগুলোর স্থানীয় কার্যক্রমে সরকারের কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা হস্তান্তরের শর্ত দিলে এসব কোম্পানি তাতে রাজি হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেল কোম্পানিগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলা নিয়ে তার পরিকল্পনার পক্ষে এসব কোম্পানির সমর্থন আদায় করাই এ বৈঠকের উদ্দেশ্য।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আগামী কয়েক বছর ধরে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ করার আশা করছেন তিনি।
এর আগে গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক ঝটিকা সামরিক অভিযানে মার্কিন সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যায়। তাদের রাখা হয় নিউইয়র্কের ব্রুকলিক কারাগারে। এরই মধ্যে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তারা মাদক পাচারসহ তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন।
ভেনেজুয়েলায় অভিযান নিয়ে ট্রাম্প কোনো রাখঢাক করেননি। ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই তার এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল, সেটি তিনি স্পষ্টই ঘোষণা দিয়েছেন। বলেছেন, ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করবে যুক্তরাষ্ট্র।
শীর্ষ মার্কিন তেল কোম্পানির নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেন, এই মুহূর্তে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষের ওপর ওয়াশিংটনের সর্বোচ্চ মাত্রার প্রভাব রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন বারবার বলেছে, তারা ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করছে। বুধবার জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পকে ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ নিয়ন্ত্রণ করবে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, হোয়াইট হাউজের এ বৈঠকে এক্সন মবিল, শেভরন ও কনোকোফিলিপসের প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রাম্পের মুখপাত্র লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, এটি মূলত একটি আলোচনামূলক বৈঠক, যেখানে স্পষ্টতই এই মুহূর্তে তেল কোম্পানিগুলোর সামনে যে বিশাল সুযোগ রয়েছে, তা নিয়ে কথা হবে।
এদিকে মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন মাদুরো সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগতভাবে সহায়তার সম্পর্ক থাকবে তার দেশের।
ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি জানিয়েছে, তারা কেবল তেল বিক্রি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে।
শেভরনই বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় কার্যক্রম চালানোর লাইসেন্সপ্রাপ্ত একমাত্র মার্কিন কোম্পানি। এক্সন মোবিল ও কনোকোফিলিপস ২০০৭ সালে দেশটি ছেড়ে যায়। ওই সময়কার প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের বিদেশি কোম্পানিগুলোর স্থানীয় কার্যক্রমে সরকারের কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা হস্তান্তরের শর্ত দিলে এসব কোম্পানি তাতে রাজি হয়নি।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৯ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে