
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন জুয়াকের আয়োজনে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শনিবার লন্ডনের একটি কমিউনিটি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আগত সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান জুয়াকের সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবা জেবিন।
সভাপতি শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারন সম্পাদক আলিম আল রাজির পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. সাবের শাহ্।
অনুষ্ঠানে আগত নতুনদের স্বাগত জানিয়ে বরন করে নেন জুয়াকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব পারভেজ মল্লিক।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য ও স্মৃতিচারন করেন আশ্রাফুন রোজী, মো. জহির উদ্দিন, রানা ইসলাম, নজরুল ইসলাম, সিনা আকন্দ, সুফিয়া কমর, নাসিমা চৌধুরী, হাবিবে আলম চৌধুরী, ওয়াকারুল আমিন রনি, হাবিবে আলম, আশরাফুল আলম, সিকান্দার আলি সিকো, মতিয়ার রহমান, ড. আসমা পারভিন, আনিসুর রহমান,জুলফিকার আলি ভুটটো, মোরশেদ ঠাকুর, ফারহানা ইয়াসমিন চমন, ইফতেখার ইফতি, ফারহানা খান একা, মো. সায়েম, শফিকুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, নাহিয়ান, ওমর ফারুক জাভেদ, রায়হানুর রহমান, মাহামুদুল হাসান অয়ন, জান্নাতুন নেসা চয়ন, সাইফ বিন আলম, টিপু সুলতান,জামিল, তা্নজি তুহিন, ঊর্মি, ফারিহা প্রভা, এহসানুল হকসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের মুল আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় সঙ্গীত শিল্পী শেফালি ও বিলেতের জেমস খ্যাত রাজ হাসানের পরিবেশনা মাতোয়ারা করে দেয় সকলকে। ঐতিহ্যবাহী রঙবেরঙের পোশাকে অংশ নেয়া জুয়াকের সদস্যরা নেচে গেয়ে আনন্দে মেতে উঠেন।
জাকিয়া তাসনিম, সুমি আমিন, পান্না ইকবাল, রুমানা তুলি, তাহমিনা আহমেদ, এনি জামান , নুরজাহান মুন্না প্রমুখ নেচে গেয়ে ঈদ উৎসবকে দেয় ভিন্ন মাত্রা। সবশেষে লাকি ড্রতে বিজয়িদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উৎসবে আগত অতিথিরা।

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন জুয়াকের আয়োজনে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শনিবার লন্ডনের একটি কমিউনিটি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আগত সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান জুয়াকের সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবা জেবিন।
সভাপতি শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারন সম্পাদক আলিম আল রাজির পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. সাবের শাহ্।
অনুষ্ঠানে আগত নতুনদের স্বাগত জানিয়ে বরন করে নেন জুয়াকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব পারভেজ মল্লিক।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য ও স্মৃতিচারন করেন আশ্রাফুন রোজী, মো. জহির উদ্দিন, রানা ইসলাম, নজরুল ইসলাম, সিনা আকন্দ, সুফিয়া কমর, নাসিমা চৌধুরী, হাবিবে আলম চৌধুরী, ওয়াকারুল আমিন রনি, হাবিবে আলম, আশরাফুল আলম, সিকান্দার আলি সিকো, মতিয়ার রহমান, ড. আসমা পারভিন, আনিসুর রহমান,জুলফিকার আলি ভুটটো, মোরশেদ ঠাকুর, ফারহানা ইয়াসমিন চমন, ইফতেখার ইফতি, ফারহানা খান একা, মো. সায়েম, শফিকুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, নাহিয়ান, ওমর ফারুক জাভেদ, রায়হানুর রহমান, মাহামুদুল হাসান অয়ন, জান্নাতুন নেসা চয়ন, সাইফ বিন আলম, টিপু সুলতান,জামিল, তা্নজি তুহিন, ঊর্মি, ফারিহা প্রভা, এহসানুল হকসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের মুল আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় সঙ্গীত শিল্পী শেফালি ও বিলেতের জেমস খ্যাত রাজ হাসানের পরিবেশনা মাতোয়ারা করে দেয় সকলকে। ঐতিহ্যবাহী রঙবেরঙের পোশাকে অংশ নেয়া জুয়াকের সদস্যরা নেচে গেয়ে আনন্দে মেতে উঠেন।
জাকিয়া তাসনিম, সুমি আমিন, পান্না ইকবাল, রুমানা তুলি, তাহমিনা আহমেদ, এনি জামান , নুরজাহান মুন্না প্রমুখ নেচে গেয়ে ঈদ উৎসবকে দেয় ভিন্ন মাত্রা। সবশেষে লাকি ড্রতে বিজয়িদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উৎসবে আগত অতিথিরা।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন বীরেশ্বর। নিজের গাড়িতে করে কলকাতা থেকে পালিয়ে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। ঝাড়খণ্ডে বীরেশ্বরের কয়েকজন কর্মচারীর বাড়ি রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই গিয়ে তিনি তাদের সহায়তা নিয়েছিলেন।
১ দিন আগে
তবে অ্যাসোসিয়েটেড নিউজপেপার্সের মোট আইনি খরচ কতটা বাদীদের দিতে হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অযৌক্তিক হিসেবে বিবেচিত খরচের বিষয়ে আদালত আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা না হলে আলাদা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই খরচ নির্ধারণ করা হবে।
১ দিন আগে
জাতিসংঘের পাওনা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বকেয়া অর্থের একটি অংশ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘকে ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেবে। এ বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসকেও অবহিত করা হয়েছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।
২ দিন আগে
ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট জজ জ্যানেট ভার্গাস শুক্রবার (২১ আগস্ট) এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তিনি বলেন, স্টেট ডিপার্টমেন্টের জানুয়ারিতে ঘোষিত এই নীতি ছিল ‘স্পষ্টতই বেআইনি’। এটি কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনেরও পরিপন্থি। কারণ, ওই আইনে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি ক
২ দিন আগে