
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ওমানে চার প্রবাসী বাংলাদেশি ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চালু থাকা গাড়ির এসির এক্সজস্ট থেকে নির্গত বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে টাইমস অব ওমানের খবরে বলা হয়, গাড়ি চালু থাকা অবস্থায় দীর্ঘ সময় ভেতরে অবস্থান করায় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন চার ভাই। এ ঘটনার পর আবদ্ধ গাড়ির ভেতরে ঘুমানো থেকে বিরত থাকতে সতর্কতা জারি করেছে রয়্যাল ওমান পুলিশ।
নিহতরা হলেন— রাশেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম। তারা সবাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তাদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।
এদিকে চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের নেতারা জানান, বুধবার সন্ধ্যায় বারকা এলাকা থেকে মুলাদ্দাহর উদ্দেশে রওনা হন চার ভাই। রাত ৮টার পর তাদের একজন এক আত্মীয়কে ভয়েস মেসেজে অসুস্থতার কথা জানান। সঙ্গে নিজেদের অবস্থানও পাঠান। তিনি জানান, গাড়ি থেকে বের হওয়ার মতো অবস্থায় তারা নেই, নাক-মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। এ সময় তারা মায়ের কাছেও ফোন করে দোয়া চান।
পরে একটি ক্লিনিকের সামনে পার্ক করা গাড়ির ভেতরে চারজনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়ির দরজা খুলে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে নিহত চার ভাইয়ের মরদেহ আগামী মঙ্গলবার দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। স্বজন, বাংলাদেশ দূতাবাস এবং চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সহযোগিতায় একই ফ্লাইটে তাদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে তিন দিন পেরিয়ে গেলেও চার ভাইয়ের মা খাদিজা বেগম এখনো জানেন না তার ছেলেরা আর বেঁচে নেই। পরিবারের সদস্যরা তাকে জানিয়েছেন, ছেলেরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ছেলেদের মৃত্যুর খবর সহ্য করতে পারবেন না আশঙ্কায় বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে।
পরিবারের একমাত্র জীবিত ছেলে মোহাম্মদ এনাম মায়ের দেখভাল করছেন। আত্মীয়স্বজন বা প্রতিবেশীরা যেন এই খবর খাদিজা বেগমকে জানাতে না পারেন, সেজন্য বাড়ির ফটকেও তালা দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এ সময় তিনি মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী বলেন, দূতাবাস ও ওমান সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রায় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশগামী ফ্লাইটে চার ভাইয়ের মরদেহ একসঙ্গে দেশে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে
নিহত চার ভাইয়ের দাফনের জন্য ইতোমধ্যে কবরস্থানে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কবরেই দাফন করা হবে তাদের। নিহতদের খালাতো ভাই এমরান হোসেন জানান, প্রবাসে থাকা চার ভাইয়ের পাঠানো টাকায় দীর্ঘদিন পর সচ্ছলতার মুখ দেখেছিল পরিবারটি। কিন্তু একসঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।

ওমানে চার প্রবাসী বাংলাদেশি ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চালু থাকা গাড়ির এসির এক্সজস্ট থেকে নির্গত বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে টাইমস অব ওমানের খবরে বলা হয়, গাড়ি চালু থাকা অবস্থায় দীর্ঘ সময় ভেতরে অবস্থান করায় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন চার ভাই। এ ঘটনার পর আবদ্ধ গাড়ির ভেতরে ঘুমানো থেকে বিরত থাকতে সতর্কতা জারি করেছে রয়্যাল ওমান পুলিশ।
নিহতরা হলেন— রাশেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম। তারা সবাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তাদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।
এদিকে চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের নেতারা জানান, বুধবার সন্ধ্যায় বারকা এলাকা থেকে মুলাদ্দাহর উদ্দেশে রওনা হন চার ভাই। রাত ৮টার পর তাদের একজন এক আত্মীয়কে ভয়েস মেসেজে অসুস্থতার কথা জানান। সঙ্গে নিজেদের অবস্থানও পাঠান। তিনি জানান, গাড়ি থেকে বের হওয়ার মতো অবস্থায় তারা নেই, নাক-মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। এ সময় তারা মায়ের কাছেও ফোন করে দোয়া চান।
পরে একটি ক্লিনিকের সামনে পার্ক করা গাড়ির ভেতরে চারজনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়ির দরজা খুলে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে নিহত চার ভাইয়ের মরদেহ আগামী মঙ্গলবার দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। স্বজন, বাংলাদেশ দূতাবাস এবং চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সহযোগিতায় একই ফ্লাইটে তাদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে তিন দিন পেরিয়ে গেলেও চার ভাইয়ের মা খাদিজা বেগম এখনো জানেন না তার ছেলেরা আর বেঁচে নেই। পরিবারের সদস্যরা তাকে জানিয়েছেন, ছেলেরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ছেলেদের মৃত্যুর খবর সহ্য করতে পারবেন না আশঙ্কায় বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে।
পরিবারের একমাত্র জীবিত ছেলে মোহাম্মদ এনাম মায়ের দেখভাল করছেন। আত্মীয়স্বজন বা প্রতিবেশীরা যেন এই খবর খাদিজা বেগমকে জানাতে না পারেন, সেজন্য বাড়ির ফটকেও তালা দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এ সময় তিনি মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াসিন চৌধুরী বলেন, দূতাবাস ও ওমান সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রায় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশগামী ফ্লাইটে চার ভাইয়ের মরদেহ একসঙ্গে দেশে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে
নিহত চার ভাইয়ের দাফনের জন্য ইতোমধ্যে কবরস্থানে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কবরেই দাফন করা হবে তাদের। নিহতদের খালাতো ভাই এমরান হোসেন জানান, প্রবাসে থাকা চার ভাইয়ের পাঠানো টাকায় দীর্ঘদিন পর সচ্ছলতার মুখ দেখেছিল পরিবারটি। কিন্তু একসঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন বীরেশ্বর। নিজের গাড়িতে করে কলকাতা থেকে পালিয়ে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। ঝাড়খণ্ডে বীরেশ্বরের কয়েকজন কর্মচারীর বাড়ি রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই গিয়ে তিনি তাদের সহায়তা নিয়েছিলেন।
১ দিন আগে
তবে অ্যাসোসিয়েটেড নিউজপেপার্সের মোট আইনি খরচ কতটা বাদীদের দিতে হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অযৌক্তিক হিসেবে বিবেচিত খরচের বিষয়ে আদালত আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা না হলে আলাদা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই খরচ নির্ধারণ করা হবে।
১ দিন আগে
জাতিসংঘের পাওনা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বকেয়া অর্থের একটি অংশ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘকে ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেবে। এ বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসকেও অবহিত করা হয়েছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।
১ দিন আগে
ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট জজ জ্যানেট ভার্গাস শুক্রবার (২১ আগস্ট) এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তিনি বলেন, স্টেট ডিপার্টমেন্টের জানুয়ারিতে ঘোষিত এই নীতি ছিল ‘স্পষ্টতই বেআইনি’। এটি কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনেরও পরিপন্থি। কারণ, ওই আইনে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি ক
১ দিন আগে