
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কানাডার পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় নাগরিক ডলি বেগম। ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে তিনি অন্টারিও প্রদেশের টরোন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে জয় পেয়েছেন। কানাডার সংবাদমাধ্যম সিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডলি বেগমের এই জয়ে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, স্কারবোরো সাউথওয়েস্টের নতুন এমপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ডলি বেগমকে অভিনন্দন। তিনি তার সম্প্রদায়ের জন্য একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়তে অত্যন্ত জোরালো ও কার্যকরভাবে লড়াই করেছেন। তার অভিজ্ঞতা ও অক্লান্ত কণ্ঠস্বর সবার জন্য আরও শক্তিশালী এবং ন্যায়ভিত্তিক কানাডা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন কার্নি।
ডলির দল লিবারেল পার্টিও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে। দলটির অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে বলা হয়, স্কারবোরো সাউথওয়েস্টের পরবর্তী লিবারেল এমপি হিসেবে ডলি বেগমের জয় দলের জন্য গর্বের। দীর্ঘদিন ধরে তিনি তার পুরো সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছেন এবং পার্লামেন্টে নতুন লিবারেল টিমের অংশ হিসেবে সেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন।
বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় ১৯৮৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন ডলি বেগম। পেশায় রাজনীতিবিদ এই নারী এর আগে কানাডার অন্টারিও প্রদেশের প্রাদেশিক পার্লামেন্টের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। লিবারেল পার্টির হয়ে ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি অন্টারিও নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিনিধিত্ব করেন।
২০১৮ সালে মাত্র ২৯ বছর বয়সে ডলি বেগম কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে কোনো প্রাদেশিক বা ফেডারেল রাজনৈতিক পদে নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে নাগরিকত্ব, বিদেশি সনদের স্বীকৃতি এবং অভিবাসন সেবাবিষয়ক বিরোধী দলের সমালোচক (অপজিশন ক্রিটিক) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিবিদ হিসেবেও তিনি ইতিহাস গড়েন।

কানাডার পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় নাগরিক ডলি বেগম। ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে তিনি অন্টারিও প্রদেশের টরোন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে জয় পেয়েছেন। কানাডার সংবাদমাধ্যম সিবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডলি বেগমের এই জয়ে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, স্কারবোরো সাউথওয়েস্টের নতুন এমপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ডলি বেগমকে অভিনন্দন। তিনি তার সম্প্রদায়ের জন্য একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়তে অত্যন্ত জোরালো ও কার্যকরভাবে লড়াই করেছেন। তার অভিজ্ঞতা ও অক্লান্ত কণ্ঠস্বর সবার জন্য আরও শক্তিশালী এবং ন্যায়ভিত্তিক কানাডা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন কার্নি।
ডলির দল লিবারেল পার্টিও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে। দলটির অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে বলা হয়, স্কারবোরো সাউথওয়েস্টের পরবর্তী লিবারেল এমপি হিসেবে ডলি বেগমের জয় দলের জন্য গর্বের। দীর্ঘদিন ধরে তিনি তার পুরো সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছেন এবং পার্লামেন্টে নতুন লিবারেল টিমের অংশ হিসেবে সেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন।
বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় ১৯৮৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন ডলি বেগম। পেশায় রাজনীতিবিদ এই নারী এর আগে কানাডার অন্টারিও প্রদেশের প্রাদেশিক পার্লামেন্টের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। লিবারেল পার্টির হয়ে ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি অন্টারিও নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিনিধিত্ব করেন।
২০১৮ সালে মাত্র ২৯ বছর বয়সে ডলি বেগম কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে কোনো প্রাদেশিক বা ফেডারেল রাজনৈতিক পদে নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে নাগরিকত্ব, বিদেশি সনদের স্বীকৃতি এবং অভিবাসন সেবাবিষয়ক বিরোধী দলের সমালোচক (অপজিশন ক্রিটিক) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিবিদ হিসেবেও তিনি ইতিহাস গড়েন।

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের প্রশ্নটি সম্ভাব্য সমঝোতা প্রতিষ্ঠার অন্যতম কেন্দ্রীয় ইস্যু হয়ে উঠেছে। আস্থা তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে মস্কো এর আগেও একাধিকবার ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত নিজেদের কাছে সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছিল।
৫ ঘণ্টা আগে
চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা বসতে যাচ্ছে লেবানন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উপস্থিতিতে ওয়াশিংটনে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতরা এ বৈঠকে অংশ নেবেন। তবে হিজবুল্লাহ নেতা নাঈম কাশেম ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা প্রত্যাখ্যান করে এ বৈঠক বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
যিশুর বেশে অসুস্থ ব্যক্তিকে সেবা করার প্রতীকী রূপের মধ্যেই অবশ্য ট্রাম্পের ছবিটি শেষ হয়নি। ওই ছবির পেছনের পটে একপাশে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা, ঈগল; আরেক পাশে স্ট্যাচু অব লিবার্টি, হোয়াইট হাউজ। পেছনের আকাশে ঈগলের পাশাপাশি উড়তে দেখা যায় যুদ্ধবিমানও। আর সূর্যের আলোর রেখা ভেদ করে আকাশ থেকে নেমে আসছেন কমান্
৬ ঘণ্টা আগে
মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, ‘মার্কিন সামরিক বাহিনী ওমান উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীর পূর্বে আরব সাগরে অবস্থানরত সকল দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে।’
২০ ঘণ্টা আগে