
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়ার জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নতুন আইন অনুমোদন করেছে।
এই আইন অনুসারে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পাইপলাইন ও এলএনজি আমদানি বন্ধ হবে, তবে বিদ্যমান চুক্তিগুলোর জন্য ধাপে ধাপে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
এটি ইইউ-এর 'আরই-পাওয়ার-ইইউ' পরিকল্পনার অংশ। বর্তমানে ইইউ-এর মোট গ্যাস আমদানির প্রায় ১৩ শতাংশ রাশিয়া থেকে আসে। ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ইইউ।
২০২৫ সালের ১৭ জুনের আগে স্বাক্ষরিত স্বল্পমেয়াদি চুক্তি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত চালু থাকবে, আর দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ২০২৮ সালের শুরু পর্যন্ত বহাল থাকবে।
ইইউ জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত তাদের ‘আরই-পাওয়ার-ইইউ’ পরিকল্পনার অংশ, যার লক্ষ্য রাশিয়ার জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করা। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যেসব দেশ এখনও রুশ গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল, তাদের দ্রুত বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করতে নিজস্ব পরিকল্পনা জমা দিতে হবে।
ইইউ কমিশন জানিয়েছে, নতুন আইন কার্যকরের পর দুই বছরের মধ্যে এর অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে। প্রয়োজনে সরবরাহ সংকট দেখা দিলে সাময়িক ছাড় দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
এর আগে ইইউ রাশিয়ার ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত থাকবে।
ইইউর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালে সংস্থাটিতে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমে ৩ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। তবে রুশ গ্যাস এখনও মোট আমদানির প্রায় ১৩ শতাংশ, যার বার্ষিক আর্থিক মূল্য ১৫ বিলিয়ন ইউরোরও বেশি।

রাশিয়ার জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নতুন আইন অনুমোদন করেছে।
এই আইন অনুসারে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পাইপলাইন ও এলএনজি আমদানি বন্ধ হবে, তবে বিদ্যমান চুক্তিগুলোর জন্য ধাপে ধাপে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
এটি ইইউ-এর 'আরই-পাওয়ার-ইইউ' পরিকল্পনার অংশ। বর্তমানে ইইউ-এর মোট গ্যাস আমদানির প্রায় ১৩ শতাংশ রাশিয়া থেকে আসে। ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ইইউ।
২০২৫ সালের ১৭ জুনের আগে স্বাক্ষরিত স্বল্পমেয়াদি চুক্তি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত চালু থাকবে, আর দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ২০২৮ সালের শুরু পর্যন্ত বহাল থাকবে।
ইইউ জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত তাদের ‘আরই-পাওয়ার-ইইউ’ পরিকল্পনার অংশ, যার লক্ষ্য রাশিয়ার জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করা। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যেসব দেশ এখনও রুশ গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল, তাদের দ্রুত বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করতে নিজস্ব পরিকল্পনা জমা দিতে হবে।
ইইউ কমিশন জানিয়েছে, নতুন আইন কার্যকরের পর দুই বছরের মধ্যে এর অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে। প্রয়োজনে সরবরাহ সংকট দেখা দিলে সাময়িক ছাড় দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
এর আগে ইইউ রাশিয়ার ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত থাকবে।
ইইউর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালে সংস্থাটিতে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমে ৩ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। তবে রুশ গ্যাস এখনও মোট আমদানির প্রায় ১৩ শতাংশ, যার বার্ষিক আর্থিক মূল্য ১৫ বিলিয়ন ইউরোরও বেশি।

ইসরায়েলের সঙ্গে লেবাননের সদ্য সই হওয়া ১৪ দফার কাঠামোগত চুক্তি (ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট) দেশটিতে চলমান সংঘাত প্রশমনের আশা তৈরি করলেও, এর একটি ধারা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীরা।
১৮ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৯ জুন) স্টাডে শহরের ডানকার্শট্রাসে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার পরপরই বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে দুই সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজনকে মূল হামলাকারী বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে
এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার কাতারে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে এ তথ্য যাচাই করতে পারেনি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্যও করেনি হোয়াইট হাউজ।
১ দিন আগে
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের বেলো মন্টে মর্গের সামনে একের পর এক এসে থামছে মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি আর পিকআপ ভ্যান। প্রতিটি যানবাহনই বহন করে আনছে ভূমিকম্পে নিহত মানুষের মরদেহ। স্বজনরা ভিড় করছেন শুধু একটি আশায়— হয়তো নিখোঁজ প্রিয়জনের খোঁজ মিলবে।
১ দিন আগে