
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান ও ড্রোন হামলায় নারী ও শিশুসহ নতুন করে আরও ১৬ জন নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) দক্ষিণ লেবাননের টাইর, নাবাতিয়েহ ও বিনত জবেইল জেলার বিভিন্ন শহরে এই হামলা চালানো হয়। জবাবে উত্তর ইসরায়েলের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন ও রকেট দিয়ে ধারাবাহিক পাল্টা হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
লেবাননের চিকিৎসা বিভাগ ও স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সূত্রমতে, দক্ষিণ লেবাননের টাইর জেলার দেইর কানুন আল-নাহর শহরে একটি বড় ধরনের বিমান হামলা চালানো হয়। এতে নারী ও শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থানীয় উদ্ধারকারী দল তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়া কফারসির শহরের আল-মাহফারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং সেখানে চারজন নিহত হয়েছেন। নাবাতিয়েহ ও বিনত জবেইল জেলাতেও ড্রোন হামলায় আরও দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার দিনভর ইসরায়েলি বিমানবাহিনী কফাররিমান, কাফরা, আল-শাহাবিয়া এবং মারাকাসহ দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি শহরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালায়।
এদিকে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ধারাবাহিক পাল্টা হামলার দাবি করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা দোভিভ ও মিসগাভ আম এলাকায় ড্রোন ও রকেট ব্যবহার করে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর আঘাত হেনেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমও নিশ্চিত করেছে যে, মিসগাভ আমের কাছে একটি যানবাহনে হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
হিজবুল্লাহ আরও দাবি করেছে, তারা রাস আল-নাকৌরা নৌঘাঁটি এবং আরব আল-আরামশে গ্রামের পশ্চিমে ড্রোনের সাহায্যে অভিযান পরিচালনা করেছে। পাশাপাশি জাল আল-আলাম এলাকায় একটি প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম ক্ষতিগ্রস্ত করার দাবিও করেছে সংগঠনটি।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে দেশটিতে এ পর্যন্ত নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২ জনে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আহত হয়েছেন আরও ৯ হাজার ৩০১ জন মানুষ।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, লেবানন সীমান্তে সংঘাতের সূত্রপাত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৩ জন ইসরায়েলি সেনা ও কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং ১২২ জন মাঝারি ধরনের আঘাত পেয়েছেন। দুই পক্ষের এই সংঘাত ওই অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে ফেলছে।
রাজনীতি/এসআর

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান ও ড্রোন হামলায় নারী ও শিশুসহ নতুন করে আরও ১৬ জন নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) দক্ষিণ লেবাননের টাইর, নাবাতিয়েহ ও বিনত জবেইল জেলার বিভিন্ন শহরে এই হামলা চালানো হয়। জবাবে উত্তর ইসরায়েলের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ড্রোন ও রকেট দিয়ে ধারাবাহিক পাল্টা হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
লেবাননের চিকিৎসা বিভাগ ও স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সূত্রমতে, দক্ষিণ লেবাননের টাইর জেলার দেইর কানুন আল-নাহর শহরে একটি বড় ধরনের বিমান হামলা চালানো হয়। এতে নারী ও শিশুসহ ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থানীয় উদ্ধারকারী দল তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়া কফারসির শহরের আল-মাহফারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং সেখানে চারজন নিহত হয়েছেন। নাবাতিয়েহ ও বিনত জবেইল জেলাতেও ড্রোন হামলায় আরও দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার দিনভর ইসরায়েলি বিমানবাহিনী কফাররিমান, কাফরা, আল-শাহাবিয়া এবং মারাকাসহ দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি শহরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালায়।
এদিকে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ধারাবাহিক পাল্টা হামলার দাবি করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা দোভিভ ও মিসগাভ আম এলাকায় ড্রোন ও রকেট ব্যবহার করে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর আঘাত হেনেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমও নিশ্চিত করেছে যে, মিসগাভ আমের কাছে একটি যানবাহনে হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
হিজবুল্লাহ আরও দাবি করেছে, তারা রাস আল-নাকৌরা নৌঘাঁটি এবং আরব আল-আরামশে গ্রামের পশ্চিমে ড্রোনের সাহায্যে অভিযান পরিচালনা করেছে। পাশাপাশি জাল আল-আলাম এলাকায় একটি প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম ক্ষতিগ্রস্ত করার দাবিও করেছে সংগঠনটি।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে দেশটিতে এ পর্যন্ত নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২ জনে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আহত হয়েছেন আরও ৯ হাজার ৩০১ জন মানুষ।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, লেবানন সীমান্তে সংঘাতের সূত্রপাত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৩ জন ইসরায়েলি সেনা ও কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং ১২২ জন মাঝারি ধরনের আঘাত পেয়েছেন। দুই পক্ষের এই সংঘাত ওই অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে ফেলছে।
রাজনীতি/এসআর

বর্তমানে স্পেন, ফ্রান্স ও পর্তুগালের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে দাবানল আরও বিপজ্জনক রূপ ধারণ করেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে জলকামানসহ শত শত দমকলকর্মী দিনরাত কাজ করছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নেমে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, কারখানার নিচতলায় যেখানে দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ করা হতো, সেখান থেকেই মূলত আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ঘটনা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী কারখানার মালিকপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন, অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি কার্যত ‘শেষ’। তার এ অবস্থান এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। এর আগে হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে হামলা
১২ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের আলমেরিয়া প্রদেশের লস গাইয়ারদোস এলাকায় এ দাবানলের সূত্রপাত হয়। নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের মরদেহ আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে