
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থকদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়নের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কেরালার ওয়ানাড়ের সাংসদ ও বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা এবং কংগ্রেসের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ৭, লোক কল্যাণ মার্গে পৌঁছে সড়কে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘গতকাল তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো নৃশংসতার জবাব চাইতেই আমরা প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবনের সামনে এসেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের তরুণদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।’
উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত ওই এলাকায় কংগ্রেস নেতাদের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। তবে বিক্ষোভকারীরা সেখানে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।
কংগ্রেসের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাহুল গান্ধী দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্লাস্টিকের জিপ টাই বিতরণ করছেন। পরে বিক্ষোভকারীরা নিজেদের হাত একসঙ্গে বেঁধে ফেলেন, যাতে পুলিশ সহজে তাদের আটক করতে না পারে।
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচির কয়েক ঘণ্টা আগে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সেখানে তারা সোমবার সিজেপির বিক্ষোভে পুলিশের হামলায় আহত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করে তাদের খোঁজখবর নেন।
সিজেপির এই আন্দোলনের সূচনা হয় গত জুন মাসের শুরুতে। সে সময় দিল্লিতে সংগঠনটির প্রথম সরাসরি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির মূল দাবি ছিল, বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার আনতে হবে।
জুনের শেষ সপ্তাহে আন্দোলনে যোগ দেন লাদাখের প্রখ্যাত প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ ও পরিবেশবাদী সোনাম ওয়াংচুক। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তরে আমরণ অনশন শুরু করেন। অনশনের ২০তম দিনে, ১৮ জুলাই গভীর রাতে পুলিশ তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতাল থেকেই ওয়াংচুক সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির আহ্বান জানান।
সোমবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে মিছিল করেন সিজেপির সমর্থকরা। প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দিল্লি ও আশপাশের এলাকা থেকে হাজারও মানুষ অংশ নেন।
দুপুরে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভকারীরা পুলিশি ব্যারিকেড অতিক্রমের চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংসদ মার্গ ও যন্তর মন্তর এলাকায় পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে এবং লাঠিচার্জ চালায়। ড্রোনে ধারণ করা ভিডিওতে হাজারও বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পালতাধাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়।
দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষে প্রায় ১৮০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১৮ জন নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের সদস্য এবং ৬০ জন বিক্ষোভকারী। এ ছাড়া ৭০ জন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে।
পরিস্থিতির অবনতি হলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। প্রায় চার ঘণ্টার বৈঠকে সিজেপির প্রতিনিধি আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস তিনটি দাবি তুলে ধরেন— সোনাম ওয়াংচুককে মুক্তি দিতে হবে, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
তবে বৈঠক শেষে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। জে পি নাড্ডা আন্দোলন ও অনশন প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
অন্যদিকে হাসপাতাল থেকেই সোনাম ওয়াংচুক জানিয়েছেন, সংসদে শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত তার অনশন চলবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, শুধু আশ্বাসে তারা সন্তুষ্ট নন; দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থকদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়নের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কেরালার ওয়ানাড়ের সাংসদ ও বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা এবং কংগ্রেসের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ৭, লোক কল্যাণ মার্গে পৌঁছে সড়কে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘গতকাল তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো নৃশংসতার জবাব চাইতেই আমরা প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবনের সামনে এসেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের তরুণদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।’
উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত ওই এলাকায় কংগ্রেস নেতাদের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। তবে বিক্ষোভকারীরা সেখানে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।
কংগ্রেসের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাহুল গান্ধী দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্লাস্টিকের জিপ টাই বিতরণ করছেন। পরে বিক্ষোভকারীরা নিজেদের হাত একসঙ্গে বেঁধে ফেলেন, যাতে পুলিশ সহজে তাদের আটক করতে না পারে।
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচির কয়েক ঘণ্টা আগে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সেখানে তারা সোমবার সিজেপির বিক্ষোভে পুলিশের হামলায় আহত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করে তাদের খোঁজখবর নেন।
সিজেপির এই আন্দোলনের সূচনা হয় গত জুন মাসের শুরুতে। সে সময় দিল্লিতে সংগঠনটির প্রথম সরাসরি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির মূল দাবি ছিল, বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার আনতে হবে।
জুনের শেষ সপ্তাহে আন্দোলনে যোগ দেন লাদাখের প্রখ্যাত প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ ও পরিবেশবাদী সোনাম ওয়াংচুক। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তরে আমরণ অনশন শুরু করেন। অনশনের ২০তম দিনে, ১৮ জুলাই গভীর রাতে পুলিশ তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতাল থেকেই ওয়াংচুক সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির আহ্বান জানান।
সোমবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংসদ অভিমুখে মিছিল করেন সিজেপির সমর্থকরা। প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দিল্লি ও আশপাশের এলাকা থেকে হাজারও মানুষ অংশ নেন।
দুপুরে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভকারীরা পুলিশি ব্যারিকেড অতিক্রমের চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংসদ মার্গ ও যন্তর মন্তর এলাকায় পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে এবং লাঠিচার্জ চালায়। ড্রোনে ধারণ করা ভিডিওতে হাজারও বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পালতাধাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়।
দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষে প্রায় ১৮০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১৮ জন নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের সদস্য এবং ৬০ জন বিক্ষোভকারী। এ ছাড়া ৭০ জন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে।
পরিস্থিতির অবনতি হলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। প্রায় চার ঘণ্টার বৈঠকে সিজেপির প্রতিনিধি আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস তিনটি দাবি তুলে ধরেন— সোনাম ওয়াংচুককে মুক্তি দিতে হবে, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
তবে বৈঠক শেষে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি। জে পি নাড্ডা আন্দোলন ও অনশন প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
অন্যদিকে হাসপাতাল থেকেই সোনাম ওয়াংচুক জানিয়েছেন, সংসদে শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত তার অনশন চলবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, শুধু আশ্বাসে তারা সন্তুষ্ট নন; দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রাসহ কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। তবে বিকেলের পর তাদের আটক করা শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। একই দিনে সিজেপিও ঘোষণা দিয়েছে, তারা আর সংসদ অভিমুখে মিছিল করবে না, তবে
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পালটাপালটি হামলা অব্যাহত থাকার মধ্যেই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা বেড়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন)। একই সঙ্গে গত ৭ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে তারা।
৯ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ট্রুথ সোশ্যালকে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক উসকে দেওয়ার অন্যতম প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। তার সর্বশেষ মন্তব্য শুধু নেতানিয়াহুকে ঘিরে অবস্থান স্পষ্ট করেনি; বরং নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসনের সঙ্গে ফেডারেল সরকারের সম্ভাব্য ক্ষমতার দ্বন্দ্বের ইঙ্গিতও দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সীমান্তে বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি একাধিক ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। মহাসমাবেশের আগে হরিয়ানার বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েকজন কৃষক নেতাকেও আটক করেছে পুলিশ। কৃষক নেতাদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে