
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, পুরস্কারজয়ী ভেনেজুয়েলার নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো এই সম্মান তার সম্মানেই গ্রহণ করেছেন।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ট্রাম্প বলেন, মাচাদো তাকে ফোন করে বলেছেন—পুরস্কারটি আসলে ট্রাম্পের প্রাপ্য। নিজের শান্তি আলোচনার ফিরিস্তি দিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, তার অন্তত চার-পাঁচবার নোবেল পাওয়া উচিত ছিল।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১০ অক্টোবর) এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘‘যিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন, তিনি আজ আমাকে ফোন করে বললেন—‘আমি এই পুরস্কারটি আপনার সম্মানে গ্রহণ করছি, কারণ প্রকৃতপক্ষে এটি আপনারই প্রাপ্য।’ এটি সত্যিই ভদ্রতা ও সৌজন্যের পরিচয়।”
ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি মাচাদোর আন্দোলনে সহায়তা করেছেন এবং বলেন, ‘আমি খুশি, কারণ লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছি।’
এর আগে, নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর এক্স (পূর্বের টুইটার)-এ পোস্টে মারিয়া করিনা মাচাদো লিখেছিলেন, ‘আমি এই পুরস্কারটি ভেনেজুয়েলার কষ্টভোগী জনগণের উদ্দেশে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে উৎসর্গ করছি, যিনি আমাদের আন্দোলনে দৃঢ় সহায়তা করেছেন।’
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন যে, তিনি বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত বন্ধে ভূমিকা রেখেছেন এবং এজন্য নোবেল পুরস্কারের যোগ্য। তিনি বলেন, ‘আমি আটটি শান্তিচুক্তি করেছি—এর মধ্যে ইসরায়েল-গাজা ও ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার একটি চুক্তিও ছিল।’
তার ভাষায়, ‘ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সাতটি যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল, পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। আমি বাণিজ্যনীতি দিয়ে এটি থামিয়েছিলাম। বলেছিলাম, যদি তোমরা যুদ্ধ চালাও, তবে বিশাল শুল্ক আরোপ করা হবে। পরে তারা থেমে যায়—দুই দেশই পারমাণবিক শক্তিধর।’
তবে ট্রাম্পের এই দাবিকে আগেই দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছিল ভারত সরকার।
নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মারিয়া করিনা মাচাদো ‘ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য অবিরাম লড়াই’ করার স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছরের শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন।
ট্রাম্প গত এক বছর ধরে নিজেকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ আখ্যা দিয়ে নোবেল পুরস্কারের প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। জাতিসংঘের অধিবেশনে তিনি দাবি করেছিলেন, ‘আমার মতো শান্তির রেকর্ড কারও নেই’—ইসরায়েল-ইরান, ভারত-পাকিস্তান এমনকি ‘থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যকার’ বিরোধও তিনি নাকি মিটিয়ে দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে অন্তত চার-পাঁচবার নোবেল দেয়া উচিত ছিল। সবাই জানে আমি এটার যোগ্য।’

নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, পুরস্কারজয়ী ভেনেজুয়েলার নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো এই সম্মান তার সম্মানেই গ্রহণ করেছেন।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ট্রাম্প বলেন, মাচাদো তাকে ফোন করে বলেছেন—পুরস্কারটি আসলে ট্রাম্পের প্রাপ্য। নিজের শান্তি আলোচনার ফিরিস্তি দিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, তার অন্তত চার-পাঁচবার নোবেল পাওয়া উচিত ছিল।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১০ অক্টোবর) এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘‘যিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন, তিনি আজ আমাকে ফোন করে বললেন—‘আমি এই পুরস্কারটি আপনার সম্মানে গ্রহণ করছি, কারণ প্রকৃতপক্ষে এটি আপনারই প্রাপ্য।’ এটি সত্যিই ভদ্রতা ও সৌজন্যের পরিচয়।”
ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি মাচাদোর আন্দোলনে সহায়তা করেছেন এবং বলেন, ‘আমি খুশি, কারণ লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছি।’
এর আগে, নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর এক্স (পূর্বের টুইটার)-এ পোস্টে মারিয়া করিনা মাচাদো লিখেছিলেন, ‘আমি এই পুরস্কারটি ভেনেজুয়েলার কষ্টভোগী জনগণের উদ্দেশে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে উৎসর্গ করছি, যিনি আমাদের আন্দোলনে দৃঢ় সহায়তা করেছেন।’
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন যে, তিনি বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত বন্ধে ভূমিকা রেখেছেন এবং এজন্য নোবেল পুরস্কারের যোগ্য। তিনি বলেন, ‘আমি আটটি শান্তিচুক্তি করেছি—এর মধ্যে ইসরায়েল-গাজা ও ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার একটি চুক্তিও ছিল।’
তার ভাষায়, ‘ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সাতটি যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল, পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। আমি বাণিজ্যনীতি দিয়ে এটি থামিয়েছিলাম। বলেছিলাম, যদি তোমরা যুদ্ধ চালাও, তবে বিশাল শুল্ক আরোপ করা হবে। পরে তারা থেমে যায়—দুই দেশই পারমাণবিক শক্তিধর।’
তবে ট্রাম্পের এই দাবিকে আগেই দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছিল ভারত সরকার।
নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মারিয়া করিনা মাচাদো ‘ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য অবিরাম লড়াই’ করার স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছরের শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন।
ট্রাম্প গত এক বছর ধরে নিজেকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ আখ্যা দিয়ে নোবেল পুরস্কারের প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। জাতিসংঘের অধিবেশনে তিনি দাবি করেছিলেন, ‘আমার মতো শান্তির রেকর্ড কারও নেই’—ইসরায়েল-ইরান, ভারত-পাকিস্তান এমনকি ‘থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যকার’ বিরোধও তিনি নাকি মিটিয়ে দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে অন্তত চার-পাঁচবার নোবেল দেয়া উচিত ছিল। সবাই জানে আমি এটার যোগ্য।’

আইআরজিসি এক বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এমন ১৮টি মার্কিন কোম্পানির নাম উল্লেখ করেছে। মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, ইন্টেল, আইবিএম, টেসলা ও বোয়িংয়ের মতো সব জায়ান্ট রয়েছে এ তালিকায়।
১৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬ শতাংশ) মানুষ মনে করছেন, ইরানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য পূর্ণ না হলেও দেশটির উচিত দ্রুত এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা। রয়টার্স-ইপসোসের জরিপে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আমিরাত হবে প্রথম দেশ, যারা এই সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কী সুবিধা পাচ্ছে, তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। রুবিওর ভাষায়, 'এই সম্পর্ক আমাদের জন্য কতটা কার্যকর—তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।'
১৬ ঘণ্টা আগে