
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত স্পর্শকাতর এক ‘বর্ডারলাইনে’ বা সীমান্তরেখায় এসে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে যেকোনো মুহূর্তে সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের শর্ত অনুযায়ী শতভাগ সন্তোষজনক চুক্তি না হলে খুব দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
ওয়াশিংটনের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে হয় একটি স্থায়ী সমঝোতা হবে, না হলে ইরানের ওপর আবারও মার্কিন হামলা শুরু হতে পারে; যার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘বিশ্বাস করুন, পরিস্থিতি এখন একেবারে বর্ডারলাইনে আছে।’ মার্কিন প্রশাসনের চাওয়া অনুযায়ী সন্তোষজনক সাড়া না পেলে যুক্তরাষ্ট্র বসে থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সন্তোষজনক জবাব না পাই, তাহলে খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমাদের সামরিক বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত। আমরা এমন একটি জবাব চাই, যা শতভাগ সন্তোষজনক হবে।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, ইরান যদি শেষ পর্যন্ত একটি বাস্তবসম্মত সমঝোতায় আসতে রাজি হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ সময়, শক্তি এবং সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হবে। এই চুক্তিটি অত্যন্ত দ্রুত, এমনকি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেও সম্পন্ন হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে তিনি ইরানের ওপর পুনরায় সামরিক হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়ার একেবারে শেষ প্রান্তে- মাত্র এক ঘণ্টা দূরে ছিলেন। তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি মিত্র দেশের বিশেষ অনুরোধে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পরিকল্পিত সেই হামলাটি সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। বিশ্বজুড়ে এখন মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, ইরান শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে সমঝোতায় আসে নাকি মধ্যপ্রাচ্য নতুন কোনো সংঘাতের দিকে ধাবিত হয়।
রাজনীতি/এসআর

ইরান পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত স্পর্শকাতর এক ‘বর্ডারলাইনে’ বা সীমান্তরেখায় এসে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে যেকোনো মুহূর্তে সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের শর্ত অনুযায়ী শতভাগ সন্তোষজনক চুক্তি না হলে খুব দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
ওয়াশিংটনের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে হয় একটি স্থায়ী সমঝোতা হবে, না হলে ইরানের ওপর আবারও মার্কিন হামলা শুরু হতে পারে; যার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘বিশ্বাস করুন, পরিস্থিতি এখন একেবারে বর্ডারলাইনে আছে।’ মার্কিন প্রশাসনের চাওয়া অনুযায়ী সন্তোষজনক সাড়া না পেলে যুক্তরাষ্ট্র বসে থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সন্তোষজনক জবাব না পাই, তাহলে খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমাদের সামরিক বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত। আমরা এমন একটি জবাব চাই, যা শতভাগ সন্তোষজনক হবে।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, ইরান যদি শেষ পর্যন্ত একটি বাস্তবসম্মত সমঝোতায় আসতে রাজি হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ সময়, শক্তি এবং সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হবে। এই চুক্তিটি অত্যন্ত দ্রুত, এমনকি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেও সম্পন্ন হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে তিনি ইরানের ওপর পুনরায় সামরিক হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়ার একেবারে শেষ প্রান্তে- মাত্র এক ঘণ্টা দূরে ছিলেন। তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি মিত্র দেশের বিশেষ অনুরোধে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পরিকল্পিত সেই হামলাটি সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। বিশ্বজুড়ে এখন মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, ইরান শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে সমঝোতায় আসে নাকি মধ্যপ্রাচ্য নতুন কোনো সংঘাতের দিকে ধাবিত হয়।
রাজনীতি/এসআর

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৮ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
২১ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
১ দিন আগে