
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তেজস্ক্রিয়ার মাত্রাও স্বাভাবিক রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আবুধাবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার (১৭ মে) আল-ধাফরা এলাকায় অবস্থিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি জেনারেটরে আঘাত করে ড্রোন। এ সময় সেখানে আগুন ধরে যায়।
বিবিসি ও আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত এ ড্রোন হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনো দেশ বা গোষ্ঠী। সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষও প্রকাশ্যে কোনো দেশকে দায়ী করেনি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এবং দুই দেশের পালটাপালটি আক্রমণের হুমকির মধ্যে এ ঘটনায় নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
আমিরাতের পারমাণবিক কেন্দ্র পরিচালনা সংস্থা জানিয়েছে, এই হামলার কারণে আরব উপদ্বীপের প্রথম নির্মিত এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে সংস্থাটি বলেছে, সব ইউনিটের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, এ ঘটনার ফলে একটি চুল্লিকে সাময়িকভাবে জরুরি ডিজেল জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। সংস্থাটির প্রধান রাফায়েল গ্রোসি ড্রোন হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, পারমাণবিক স্থাপনার জন্য হুমকি হয়— এমন কোনো সামরিক তৎপরতা গ্রহণযোগ্য নয়।
পরে এক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘সফলভাবে’ দুটি ড্রোন ঠেকিয়েছে। তৃতীয় একটি ড্রোন বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে জেনারেটরে আঘাত হেনেছে।
ড্রোনগুলো ‘পশ্চিম সীমান্ত’ থেকে উড়ে এসেছে বলে জানানো হয় বিবৃতিতে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। কোথা থেকে হামলা হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চলছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন হামলার ঘটনা এই প্রথম নয়। গত প্রায় মাস দুয়েক সময়ে বারবার ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে দেশটি। এমনকি ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও চালিয়েছে।
শুধু আমিরাত নয়, মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর তার সবগুলোতেই ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়েছে ইরান।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তেজস্ক্রিয়ার মাত্রাও স্বাভাবিক রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আবুধাবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার (১৭ মে) আল-ধাফরা এলাকায় অবস্থিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি জেনারেটরে আঘাত করে ড্রোন। এ সময় সেখানে আগুন ধরে যায়।
বিবিসি ও আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত এ ড্রোন হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনো দেশ বা গোষ্ঠী। সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষও প্রকাশ্যে কোনো দেশকে দায়ী করেনি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এবং দুই দেশের পালটাপালটি আক্রমণের হুমকির মধ্যে এ ঘটনায় নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
আমিরাতের পারমাণবিক কেন্দ্র পরিচালনা সংস্থা জানিয়েছে, এই হামলার কারণে আরব উপদ্বীপের প্রথম নির্মিত এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে সংস্থাটি বলেছে, সব ইউনিটের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, এ ঘটনার ফলে একটি চুল্লিকে সাময়িকভাবে জরুরি ডিজেল জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। সংস্থাটির প্রধান রাফায়েল গ্রোসি ড্রোন হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, পারমাণবিক স্থাপনার জন্য হুমকি হয়— এমন কোনো সামরিক তৎপরতা গ্রহণযোগ্য নয়।
পরে এক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘সফলভাবে’ দুটি ড্রোন ঠেকিয়েছে। তৃতীয় একটি ড্রোন বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে জেনারেটরে আঘাত হেনেছে।
ড্রোনগুলো ‘পশ্চিম সীমান্ত’ থেকে উড়ে এসেছে বলে জানানো হয় বিবৃতিতে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। কোথা থেকে হামলা হয়েছে, তা জানতে তদন্ত চলছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন হামলার ঘটনা এই প্রথম নয়। গত প্রায় মাস দুয়েক সময়ে বারবার ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে দেশটি। এমনকি ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও চালিয়েছে।
শুধু আমিরাত নয়, মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর তার সবগুলোতেই ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়েছে ইরান।

নগর পুলিশ একে একে সাম্প্রতিক বছরের অন্যতম বড় পুলিশি তৎপরতা বলে উল্লেখ করেছে। কারণ শনিবার বিকেলে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে এফএ কাপ ফাইনাল উপলক্ষে হাজার হাজার ফুটবল সমর্থকও উপস্থিত হয়েছিলেন।
২১ ঘণ্টা আগে
জেনেভাভিত্তিক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো ও উগান্ডায় বুন্দিবুগিও ভাইরাসজনিত ইবোলা সংক্রমণকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগজনক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা (পিএইচইআইসি) হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় ওয়াশিংটনে জ্বালানি ব্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং গৃহঋণের সুদের হার যেভাবে বাড়ছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের অর্থনৈতিক মন্দার দিকে যেতে পারে বলে দাবি তেহরানের। আল-জাজিরার বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।
১ দিন আগে
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধ অত্যাসন্ন ধরে নিয়ে ইতিমধ্যেই সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং চূড়ান্ত পদক্ষেপের জন্য এখন কেবল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেষ সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে