
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সব ধরনের সামরিক হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এ ঘোষণা দেন। সোমবার (২৩ মার্চ) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে লেখেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের শত্রুতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত সমাধানের বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’
ইরানের সঙ্গে আলোচনাকে ‘গভীর, বিস্তারিত ও গঠনমূলক’ অভিহিত করে ট্রাম্প লেখেন, ‘এই আলোচনা সপ্তাহ জুড়ে চলবে। আমি প্রতিরক্ষা বিভাগকে আগামী পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে সব ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছি। তবে এ সিদ্ধান্ত চলমান বৈঠক ও আলোচনার সাফল্যের ওপর নির্ভর করছে।’
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে প্রণালিটি তারা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানির বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানির দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শনিবার তিনি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করে না দিলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় এই সময়সীমা আজ সন্ধ্যায় শেষ হবে।
ইরান পালটা হুমকি দিয়ে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে তারা হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণ’ বন্ধ করে দেবে। অবকাঠামোগুলো মেরামত না করা পর্যন্ত তা বন্ধই থাকবে। তা ছাড়া পুরো অঞ্চলের জ্বালানি ও পানি অবকাঠামোতে হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান।

ইরানের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সব ধরনের সামরিক হামলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এ ঘোষণা দেন। সোমবার (২৩ মার্চ) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে লেখেন, ‘আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের শত্রুতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত সমাধানের বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’
ইরানের সঙ্গে আলোচনাকে ‘গভীর, বিস্তারিত ও গঠনমূলক’ অভিহিত করে ট্রাম্প লেখেন, ‘এই আলোচনা সপ্তাহ জুড়ে চলবে। আমি প্রতিরক্ষা বিভাগকে আগামী পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে সব ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছি। তবে এ সিদ্ধান্ত চলমান বৈঠক ও আলোচনার সাফল্যের ওপর নির্ভর করছে।’
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে প্রণালিটি তারা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানির বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানির দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শনিবার তিনি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করে না দিলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় এই সময়সীমা আজ সন্ধ্যায় শেষ হবে।
ইরান পালটা হুমকি দিয়ে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে তারা হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণ’ বন্ধ করে দেবে। অবকাঠামোগুলো মেরামত না করা পর্যন্ত তা বন্ধই থাকবে। তা ছাড়া পুরো অঞ্চলের জ্বালানি ও পানি অবকাঠামোতে হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান।

একইসঙ্গে ইরান, গাজা ও লেবাননের সঙ্গে চলমান বহুমুখী যুদ্ধের জন্য সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করে তেল আবিবে বড় ধরনের বিক্ষোভ করেছে সাধারণ ইসরায়েলিরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে নেতানিয়াহু প্রশাসন দেশকে ভুল পথে পরিচালিত করছে।
৬ ঘণ্টা আগে
সোমবার এক বার্তায় ডেমোক্র্যাট এই নেতা সাফ জানিয়ে দেন, এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো যুদ্ধ শেষ করা। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, রিপাবলিকানরা যদি এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে ট্রাম্পের এই যুদ্ধের দায়ভার তাদেরই বহন করতে হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
এবারের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তেহরান বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়ন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মূলত ইরানকে তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সন্ত্রাসী মিত্রগোষ্ঠীর অর্থায়ন থেকে বিচ্ছিন্ন করতেই যুক্তরাষ্ট্র
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবে রোববার ইরান যে পাল্টা প্রস্তাব পাঠিয়েছে, সেখানে যুদ্ধ বন্ধ এবং মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নিয়ে হরমুজ প্রণালীকে পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে