
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ব্যাংককের উপকণ্ঠে ননথাবুরির দেবসিরিন স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর গুলিতে আটজন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার পর থাইল্যান্ডে নতুন ও কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল।
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার ওই শিক্ষার্থী প্রথমে তার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকা দাদা ও দাদিকে হত্যা করে। এরপর সে তার স্কুলে যায়। সেখানে পাঁচ শিক্ষককে হত্যার পর সে নিজেও আত্মহত্যা করে। পরে থাই গণমাধ্যম জানায়, আহত এক শিক্ষার্থীও মারা গেছে।

পুলিশের কর্নেল থাদসাকর্ন কনথং বলেন, হামলায় ব্যবহৃত বন্দুক ও গুলিগুলো হামলাকারী কিশোরটির দাদার। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, দাদার শোবার ঘরে ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি খোঁজা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বন্দুকটি বৈধভাবে নিবন্ধিত ছিল এবং এর জন্য অনুমতিও নেওয়া হয়েছিল।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় যেসব দেশের বেসামরিক নাগরিকদের আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানার হার সবচেয়ে বেশি, তার একটি থাইল্যান্ড। দেশটিতে বেসামরিক নাগরিকদের কাছে প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ অবৈধভাবে মালিকানাধীন বলে ধারণা করা হয়।
থাইল্যান্ডে কঠোর অস্ত্র আইন রয়েছে। অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে এসব আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুতিন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু আইন চালু করেছিলেন। এর মধ্যে নতুন আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার ওপর স্বল্পমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা এবং অস্ত্র আমদানিতে বিধিনিষেধও ছিল।
হামলার পর ননথাবুরির দেবসিরিন স্কুল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনা ‘ঘটা উচিত ছিল না’। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু নিহতদের জন্য দুঃখিত নই, এই ঘটনা ঘটেছে বলেও আমি দুঃখিত। আমাদের দেশে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটতে পারে?’
কিশোরটি তার দাদা-দাদির সঙ্গে থাকত। তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে দুই তলা একটি ফ্ল্যাটে ৭৩ বছর বয়সী দাদা ও ৭৪ বছর বয়সী দাদিকে গুলি করে হত্যা করে ওই কিশোর। থাই পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের প্রত্যেককে মাথায় একটি করে গুলি করে হত্যা করা হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, দাদা-দাদিকে হত্যার পর আগ্নেয়াস্ত্র ও কয়েক ডজন গুলি নিয়ে স্কুলবাসে ওঠে কিশোরটি। এরপর সে স্কুলে যায়। সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সে প্রথম ক্লাসে অংশ নেয়। এরপর ৯টা ২০ মিনিটে দ্বিতীয় ক্লাস শুরু করে। ক্লাস শুরুর প্রায় আধা ঘণ্টা পর সে বন্দুক বের করে গুলি চালাতে শুরু করে।
ধারণা করা হচ্ছে, কিশোরটি প্রথমে স্কুলের ষষ্ঠ তলায় শিক্ষকদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তিন শিক্ষক নিহত হন। পুলিশের মেজর জেনারেল দেজরাপি কংদে রয়টার্সকে বলেন, ‘এরপর সে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় স্কুলের উপপরিচালক ও পরিচালকের সচিবের মুখোমুখি হয়। তারা পরিস্থিতি দেখতে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘হামলাকারী সিঁড়ির ওপরই তাদের দুজনকে গুলি করে হত্যা করে।’ গুলি চলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দেজরাপি জানান, সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে পুলিশ হামলাকারীকে খুঁজে পায়। ততক্ষণে সে নিজেকেও গুলি করেছিল।
প্রাথমিকভাবে পাঁচজন নিহত ও অন্তত ২৩ জন আহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ও ব্যাংকক পোস্ট জানায়, অষ্টম একজন নিহত হয়েছেন। থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, হামলাটি ‘ভালোভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল’ এবং এর ‘স্পষ্ট ধাপ ও লক্ষ্য’ ছিল।
জাতীয় পুলিশপ্রধান জেনারেল কিত্তিরাত ফানফেত সাংবাদিকদের বলেন, ফরেনসিক কর্মকর্তারা দেখতে পেয়েছেন, হামলাকারীর গুলি চালানোর দক্ষতা বেশ ভালো ছিল। তার ছোড়া বেশ কয়েকটি গুলি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গিয়ে লাগে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ কিশোরটির ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস তল্লাশি করে যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে গুলি চালানোর ঘটনা সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি ভিডিও পেয়েছে।
এদিকে কিশোরটির পরিবারের সদস্যরা তাকে শান্ত ও ভালো আচরণের ছেলে হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার এক চাচা থাই গণমাধ্যমকে বলেন, সে বেশির ভাগ সময় ঘরের ভেতর থেকে সহিংস ভিডিও গেম খেলত এবং খুব কমই বাইরে বের হতো। সে যে এমন হামলার পরিকল্পনা করছিল— তার কোনো ইঙ্গিতও পাওয়া যায়নি।
১৮৮৫ সালে ব্যাংককে প্রতিষ্ঠিত দেবসিরিন স্কুল থাইল্যান্ডের অন্যতম শীর্ষ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে এই স্কুলের শাখা রয়েছে। কূটনীতিক, ক্রীড়াবিদ থেকে শুরু করে বেশ কয়েকজন প্রধানমন্ত্রীসহ থাইল্যান্ডের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি এই স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী।
দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক প্রাণঘাতী গুলির ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ থাইল্যান্ডে একটি স্কুল অবরোধের সময় ১৮ বছর বয়সী এক বন্দুকধারীর গুলিতে এক প্রধান শিক্ষক ও এক ছাত্রী আহত হন। পরদিন হাসপাতালে ওই প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত বছর ব্যাংককের একটি খাদ্যবাজারে গুলির ঘটনায় পাঁচজন নিহত হন।

ব্যাংককের উপকণ্ঠে ননথাবুরির দেবসিরিন স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর গুলিতে আটজন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার পর থাইল্যান্ডে নতুন ও কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল।
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার ওই শিক্ষার্থী প্রথমে তার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকা দাদা ও দাদিকে হত্যা করে। এরপর সে তার স্কুলে যায়। সেখানে পাঁচ শিক্ষককে হত্যার পর সে নিজেও আত্মহত্যা করে। পরে থাই গণমাধ্যম জানায়, আহত এক শিক্ষার্থীও মারা গেছে।

পুলিশের কর্নেল থাদসাকর্ন কনথং বলেন, হামলায় ব্যবহৃত বন্দুক ও গুলিগুলো হামলাকারী কিশোরটির দাদার। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, দাদার শোবার ঘরে ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি খোঁজা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বন্দুকটি বৈধভাবে নিবন্ধিত ছিল এবং এর জন্য অনুমতিও নেওয়া হয়েছিল।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় যেসব দেশের বেসামরিক নাগরিকদের আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানার হার সবচেয়ে বেশি, তার একটি থাইল্যান্ড। দেশটিতে বেসামরিক নাগরিকদের কাছে প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ অবৈধভাবে মালিকানাধীন বলে ধারণা করা হয়।
থাইল্যান্ডে কঠোর অস্ত্র আইন রয়েছে। অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে এসব আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুতিন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু আইন চালু করেছিলেন। এর মধ্যে নতুন আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার ওপর স্বল্পমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা এবং অস্ত্র আমদানিতে বিধিনিষেধও ছিল।
হামলার পর ননথাবুরির দেবসিরিন স্কুল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনা ‘ঘটা উচিত ছিল না’। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু নিহতদের জন্য দুঃখিত নই, এই ঘটনা ঘটেছে বলেও আমি দুঃখিত। আমাদের দেশে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটতে পারে?’
কিশোরটি তার দাদা-দাদির সঙ্গে থাকত। তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে দুই তলা একটি ফ্ল্যাটে ৭৩ বছর বয়সী দাদা ও ৭৪ বছর বয়সী দাদিকে গুলি করে হত্যা করে ওই কিশোর। থাই পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের প্রত্যেককে মাথায় একটি করে গুলি করে হত্যা করা হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, দাদা-দাদিকে হত্যার পর আগ্নেয়াস্ত্র ও কয়েক ডজন গুলি নিয়ে স্কুলবাসে ওঠে কিশোরটি। এরপর সে স্কুলে যায়। সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সে প্রথম ক্লাসে অংশ নেয়। এরপর ৯টা ২০ মিনিটে দ্বিতীয় ক্লাস শুরু করে। ক্লাস শুরুর প্রায় আধা ঘণ্টা পর সে বন্দুক বের করে গুলি চালাতে শুরু করে।
ধারণা করা হচ্ছে, কিশোরটি প্রথমে স্কুলের ষষ্ঠ তলায় শিক্ষকদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তিন শিক্ষক নিহত হন। পুলিশের মেজর জেনারেল দেজরাপি কংদে রয়টার্সকে বলেন, ‘এরপর সে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় স্কুলের উপপরিচালক ও পরিচালকের সচিবের মুখোমুখি হয়। তারা পরিস্থিতি দেখতে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘হামলাকারী সিঁড়ির ওপরই তাদের দুজনকে গুলি করে হত্যা করে।’ গুলি চলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দেজরাপি জানান, সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে পুলিশ হামলাকারীকে খুঁজে পায়। ততক্ষণে সে নিজেকেও গুলি করেছিল।
প্রাথমিকভাবে পাঁচজন নিহত ও অন্তত ২৩ জন আহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ও ব্যাংকক পোস্ট জানায়, অষ্টম একজন নিহত হয়েছেন। থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, হামলাটি ‘ভালোভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল’ এবং এর ‘স্পষ্ট ধাপ ও লক্ষ্য’ ছিল।
জাতীয় পুলিশপ্রধান জেনারেল কিত্তিরাত ফানফেত সাংবাদিকদের বলেন, ফরেনসিক কর্মকর্তারা দেখতে পেয়েছেন, হামলাকারীর গুলি চালানোর দক্ষতা বেশ ভালো ছিল। তার ছোড়া বেশ কয়েকটি গুলি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গিয়ে লাগে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ কিশোরটির ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস তল্লাশি করে যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে গুলি চালানোর ঘটনা সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি ভিডিও পেয়েছে।
এদিকে কিশোরটির পরিবারের সদস্যরা তাকে শান্ত ও ভালো আচরণের ছেলে হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার এক চাচা থাই গণমাধ্যমকে বলেন, সে বেশির ভাগ সময় ঘরের ভেতর থেকে সহিংস ভিডিও গেম খেলত এবং খুব কমই বাইরে বের হতো। সে যে এমন হামলার পরিকল্পনা করছিল— তার কোনো ইঙ্গিতও পাওয়া যায়নি।
১৮৮৫ সালে ব্যাংককে প্রতিষ্ঠিত দেবসিরিন স্কুল থাইল্যান্ডের অন্যতম শীর্ষ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে এই স্কুলের শাখা রয়েছে। কূটনীতিক, ক্রীড়াবিদ থেকে শুরু করে বেশ কয়েকজন প্রধানমন্ত্রীসহ থাইল্যান্ডের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি এই স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী।
দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক প্রাণঘাতী গুলির ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ থাইল্যান্ডে একটি স্কুল অবরোধের সময় ১৮ বছর বয়সী এক বন্দুকধারীর গুলিতে এক প্রধান শিক্ষক ও এক ছাত্রী আহত হন। পরদিন হাসপাতালে ওই প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত বছর ব্যাংককের একটি খাদ্যবাজারে গুলির ঘটনায় পাঁচজন নিহত হন।

২০১৫ সালে ‘অবাঞ্ছিত সংগঠন’ আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে রাশিয়া শত শত বিদেশি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এই তালিকায় রয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, বিভিন্ন স্বাধীন সংবাদমাধ্যম এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও।
১৭ ঘণ্টা আগে
সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পেছনে পেরুর নতুন ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। গত জুলাইয়ে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি মেক্সিকোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, গত ১৮ জুলাই থেকে প্রায় প্রতি রাতেই রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামগুলোতে হামলা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ২০টি গুদাম লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এসব হামলায় বড় অগ্নিকাণ্ড, বিপুল পরিমাণ পণ্যের ক্ষয়ক্ষতি এবং দেশটির বিস্তৃত সরবরাহ নেটওয়ার্কে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়
১৮ ঘণ্টা আগে