
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হরমুজ প্রণালিতে খার্গ দ্বীপের দিকে যাচ্ছিল একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধের অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। একই সময়ে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, টানা পঞ্চম দিনের সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে খালি একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে অচল করে দেওয়া হয়েছে। একাধিক সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় জাহাজটির ধোঁয়া নির্গমনের চিমনিতে হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যায়ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। তার কয়েক ঘণ্টা আগে সকালে গ্রেটার তুনব দ্বীপে থাকা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের গুদাম ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রেও হামলা হয়।
একই দিনে ইরানের আরও উত্তরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজধানী তেহরানে হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে শহরজুড়ে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দ শোনা গেছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর জবাবে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতে হামলা চালায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে—এমন আশঙ্কা তৈরির কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে ফেরার শঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বুধবার রাতে জানায়, সর্বশেষ হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের এমন সামরিক সক্ষমতা, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এদিকে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, আহভাজ শহরের আশপাশের চারটি এলাকায় হামলা হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির প্রধান বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসেও হামলা চালানো হয়েছে। দক্ষিণ ইরানের সিরিক ও কেশম এলাকার কাছেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
গত শনিবার তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা আরও তীব্র হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।
বুধবার ইরানের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ পুনর্বহাল করে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্য থেকে সব ধরনের জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। আইআরজিসি জানায়, ‘আঞ্চলিক জ্বালানি রপ্তানি হয় সবার জন্য থাকবে, নয়তো কারও জন্যই থাকবে না।’
সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারেও তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বুধবার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলারের ওপরে ওঠে। এটি যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় ১৫ শতাংশের বেশি হলেও সংঘাতের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানো প্রায় ১২০ ডলারের তুলনায় এখনও অনেক কম।
বুধবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ‘খুব শিগগিরই পরাজিত হবে’। পেনসিলভানিয়ায় এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরান ‘সমঝোতা করতে খুবই আগ্রহী’। এর এক দিন আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, মার্কিন আলোচকরা তাদের ইরানি সমকক্ষদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বলেছেন, ‘চুক্তি করাই ভালো।’
হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে হামলার পরিধি আরও বাড়াতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনেও’ হামলা চালানো হতে পারে।
যুদ্ধ বন্ধ এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার কয়েক সপ্তাহ পরই ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, স্মারকটির ‘ধারাগুলো কার্যকর ও বাস্তবায়িত হলেই’ কেবল এর অর্থ থাকে। তার এ বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, সাম্প্রতিক হামলার কারণে পরবর্তী আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে গালিবাফ বলেন, ‘সমঝোতা স্মারক থেকে ইরান যদি কোনো সুবিধাই না পায়, তাহলে সেটি মেনে চলারও আমাদের কোনো কারণ নেই।’ তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ‘ইরানের নিজস্ব ব্যবস্থা’ বজায় রাখার ওপরই দেশের নিরাপত্তা নির্ভর করছে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান এখন ‘অপরিহার্য ও অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধে’ রয়েছে।
ইরানের সামরিক মুখপাত্রও বলেছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার একমাত্র উপায় হলো যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক মেনে চলা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমওইউর শর্তগুলো স্পষ্ট না হওয়া এবং সেখানে হরমুজ প্রণালিতে ‘জাহাজের নিরাপদ চলাচল’ নিশ্চিত করার দায়িত্ব ইরানের হতে পারে—এমন ভাষা অন্তর্ভুক্ত থাকায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশল নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তাতে এই অস্পষ্টতাও ভূমিকা রেখেছে।
তবে সংঘাত বাড়তে থাকলেও বুধবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে সদিচ্ছার একটি সম্ভাব্য ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ২০২৪ সালের শেষ দিকে ‘অন্যায়ভাবে আটক’ এক মার্কিন নাগরিককে ইরান দেশ ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে। ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘ইরানের এই সদিচ্ছাপূর্ণ পদক্ষেপের প্রশংসা জানায় যুক্তরাষ্ট্র।’
মানবাধিকারবিষয়ক আইনজীবী জ্যারেড জেনসার জানান, মুক্তি পাওয়া ওই মার্কিন নাগরিকের নাম ডেনা কারারি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে তাকে ইরান ছাড়তে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেনসার লেখেন, ‘ডেনা এখন নিরাপদে আছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছেন।’ একই সঙ্গে তাকে মুক্ত করতে প্রচেষ্টার জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

হরমুজ প্রণালিতে খার্গ দ্বীপের দিকে যাচ্ছিল একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধের অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। একই সময়ে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, টানা পঞ্চম দিনের সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে খালি একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে অচল করে দেওয়া হয়েছে। একাধিক সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় জাহাজটির ধোঁয়া নির্গমনের চিমনিতে হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যায়ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। তার কয়েক ঘণ্টা আগে সকালে গ্রেটার তুনব দ্বীপে থাকা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের গুদাম ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রেও হামলা হয়।
একই দিনে ইরানের আরও উত্তরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজধানী তেহরানে হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে শহরজুড়ে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দ শোনা গেছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর জবাবে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতে হামলা চালায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে—এমন আশঙ্কা তৈরির কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে ফেরার শঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বুধবার রাতে জানায়, সর্বশেষ হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের এমন সামরিক সক্ষমতা, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এদিকে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, আহভাজ শহরের আশপাশের চারটি এলাকায় হামলা হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির প্রধান বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসেও হামলা চালানো হয়েছে। দক্ষিণ ইরানের সিরিক ও কেশম এলাকার কাছেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
গত শনিবার তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা আরও তীব্র হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।
বুধবার ইরানের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ পুনর্বহাল করে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্য থেকে সব ধরনের জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। আইআরজিসি জানায়, ‘আঞ্চলিক জ্বালানি রপ্তানি হয় সবার জন্য থাকবে, নয়তো কারও জন্যই থাকবে না।’
সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারেও তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বুধবার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলারের ওপরে ওঠে। এটি যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় ১৫ শতাংশের বেশি হলেও সংঘাতের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানো প্রায় ১২০ ডলারের তুলনায় এখনও অনেক কম।
বুধবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ‘খুব শিগগিরই পরাজিত হবে’। পেনসিলভানিয়ায় এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরান ‘সমঝোতা করতে খুবই আগ্রহী’। এর এক দিন আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, মার্কিন আলোচকরা তাদের ইরানি সমকক্ষদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বলেছেন, ‘চুক্তি করাই ভালো।’
হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে হামলার পরিধি আরও বাড়াতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনেও’ হামলা চালানো হতে পারে।
যুদ্ধ বন্ধ এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার কয়েক সপ্তাহ পরই ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, স্মারকটির ‘ধারাগুলো কার্যকর ও বাস্তবায়িত হলেই’ কেবল এর অর্থ থাকে। তার এ বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, সাম্প্রতিক হামলার কারণে পরবর্তী আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে গালিবাফ বলেন, ‘সমঝোতা স্মারক থেকে ইরান যদি কোনো সুবিধাই না পায়, তাহলে সেটি মেনে চলারও আমাদের কোনো কারণ নেই।’ তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ‘ইরানের নিজস্ব ব্যবস্থা’ বজায় রাখার ওপরই দেশের নিরাপত্তা নির্ভর করছে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান এখন ‘অপরিহার্য ও অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধে’ রয়েছে।
ইরানের সামরিক মুখপাত্রও বলেছেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার একমাত্র উপায় হলো যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক মেনে চলা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমওইউর শর্তগুলো স্পষ্ট না হওয়া এবং সেখানে হরমুজ প্রণালিতে ‘জাহাজের নিরাপদ চলাচল’ নিশ্চিত করার দায়িত্ব ইরানের হতে পারে—এমন ভাষা অন্তর্ভুক্ত থাকায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশল নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তাতে এই অস্পষ্টতাও ভূমিকা রেখেছে।
তবে সংঘাত বাড়তে থাকলেও বুধবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে সদিচ্ছার একটি সম্ভাব্য ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ২০২৪ সালের শেষ দিকে ‘অন্যায়ভাবে আটক’ এক মার্কিন নাগরিককে ইরান দেশ ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে। ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘ইরানের এই সদিচ্ছাপূর্ণ পদক্ষেপের প্রশংসা জানায় যুক্তরাষ্ট্র।’
মানবাধিকারবিষয়ক আইনজীবী জ্যারেড জেনসার জানান, মুক্তি পাওয়া ওই মার্কিন নাগরিকের নাম ডেনা কারারি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে তাকে ইরান ছাড়তে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেনসার লেখেন, ‘ডেনা এখন নিরাপদে আছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছেন।’ একই সঙ্গে তাকে মুক্ত করতে প্রচেষ্টার জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বুধবার দিনের শেষে সাংবাদিকরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে জানতে চান এমন করার আগে ইরানকে কোনো ডেডলাইন দেওয়া হবে কি না। তিনি বলেন, "আমি ডেডলাইন দিতে পছন্দ করি না। কিন্তু তারা খুব ভালো করেই জানে, তারা পুরো বিষয়টাই জানে.... তাদের ভদ্র আচরণ করা উচিত।"
৮ ঘণ্টা আগে
এদিকে, ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফারিমা মোহাজেরানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানান, গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় দক্ষিণ ইরানে অন্তত ৩০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
১ দিন আগে
ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির উদ্যোগে আয়োজিত এই স্মরণসভায় হাজারো সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শহীদ পরিবারের সদস্য, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, সামরিক-বেসামরিক বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা শহীদ নেতার রক্তের প্রতিশোধ নেও
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সকল প্রকার জাহাজকে তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে ২০ শতাংশ হারে শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের দেশগুলোর জাহাজের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছিল।
১ দিন আগে