
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের অন্তত ৭ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও অনেকে। একই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় আরও ৩০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইরানি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটির সেনাবাহিনীর ৩৮৮তম ব্রিগেডের একটি ঘাঁটিতে বেশ কয়েকটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। হামলায় ঘাঁটির অতিথিশালা, সেন্ট্রি পোস্ট ও সেনাদের আবাসন ভবনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তবে সেনাবাহিনীর দাবি, তাদের ‘প্যাসিভ ডিফেন্স’ (নিষ্ক্রিয় প্রতিরক্ষা) ব্যবস্থার কারণে হতাহতের সংখ্যা অনেক কম হয়েছে।
এই হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত আগ্রাসন’ আখ্যা দিয়ে ইরানের সেনাবাহিনী সতর্কবার্তা দিয়েছে। তারা বলেছে, উপযুক্ত সময়ে এই হামলার ‘কঠোর জবাব’ দেওয়া হবে।
এদিকে, ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফারিমা মোহাজেরানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানান, গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় দক্ষিণ ইরানে অন্তত ৩০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার সর্বশক্তি দিয়ে জনগণের পাশে থাকবে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলকে দেশের ‘স্পন্দিত হৃদয়’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে ইরানের এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাজনীতি/এসআর

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের অন্তত ৭ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও অনেকে। একই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় আরও ৩০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইরানি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটির সেনাবাহিনীর ৩৮৮তম ব্রিগেডের একটি ঘাঁটিতে বেশ কয়েকটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। হামলায় ঘাঁটির অতিথিশালা, সেন্ট্রি পোস্ট ও সেনাদের আবাসন ভবনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তবে সেনাবাহিনীর দাবি, তাদের ‘প্যাসিভ ডিফেন্স’ (নিষ্ক্রিয় প্রতিরক্ষা) ব্যবস্থার কারণে হতাহতের সংখ্যা অনেক কম হয়েছে।
এই হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত আগ্রাসন’ আখ্যা দিয়ে ইরানের সেনাবাহিনী সতর্কবার্তা দিয়েছে। তারা বলেছে, উপযুক্ত সময়ে এই হামলার ‘কঠোর জবাব’ দেওয়া হবে।
এদিকে, ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফারিমা মোহাজেরানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানান, গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় দক্ষিণ ইরানে অন্তত ৩০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার সর্বশক্তি দিয়ে জনগণের পাশে থাকবে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলকে দেশের ‘স্পন্দিত হৃদয়’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে ইরানের এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাজনীতি/এসআর

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৮ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
২১ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে