
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউক্রেন পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ লুহানস্ক অঞ্চল পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে রাশিয়া। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ২০২২ সালের আগ্রাসন শুরুর পর থেকে যে অঞ্চলটি পুরোপুরি দখলে আনতে পারেনি, সেটিই এখন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে এ দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, ওয়েস্ট সামরিক গ্রুপিংয়ের ইউনিটগুলো লুহানস্কের ‘মুক্তি’ সম্পন্ন করেছে। ইউক্রেনের এ অঞ্চলটিকে লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক হিসেবে অভিহিত করে থাকে।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ অঞ্চলের ভেরখন্যা পিসারিভকা গ্রাম ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের বোইকোভে গ্রামও রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক মিলে ডনবাস অঞ্চল গঠিত। লুহানস্কের ৯৯ শতাংশের বেশি এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০২২ সালে যে চারটি ইউক্রেনীয় অঞ্চল রাশিয়া সংযুক্ত করে, তার একটি এটি। অন্যদিকে দোনেৎস্কের প্রায় তিন-চতুর্থাংশও বর্তমানে রুশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে ক্রেমলিন আবারও দাবি জানিয়েছে, ইউক্রেনকে পুরো দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে, যা কিয়েভ বারবার প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির গতকালই ডনবাস অঞ্চল থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল, যেন রাশিয়ার ভাষায় যুদ্ধের “হট ফেজ” শেষ করা যায়।
পেসকভের এই মন্তব্য এসেছে জেলেনস্কির বক্তব্যের একদিন পর। জেলেনস্কি দাবি করেন, রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে একটি আলটিমেটাম দিয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে দুই মাসের মধ্যে ইউক্রেন সেনা প্রত্যাহার না করলে শান্তি চুক্তির শর্ত আরও কঠোর করা হবে।
জেলেনস্কি আরও বলেন, এত অল্প সময়ের মধ্যে রাশিয়া পুরো ডনবাস দখল করতে পারবে— এমন ধারণা বিশ্বাস করা কঠিন। তিনি জানান, ইউক্রেন কূটনৈতিক সমাধান চায়। তবে বর্তমান ফ্রন্টলাইন ধরে রেখেই কেবল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হবে।
ড্রোন হামলায় নিহত ২, উত্তেজনা ছড়াচ্ছে ইউরোপ জুড়ে
রাতভর রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানা হয়েছে। খেরসন অঞ্চলে একটি বেসামরিক গাড়িতে হামলায় দুই নারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রসিকিউটর দপ্তর।
পশ্চিমাঞ্চলীয় লুটস্ক শহরে একটি গুদামে আগুন ধরে যাওয়ার ছবি প্রকাশ করেছে ডাকসেবা প্রতিষ্ঠান নোভা পোশতা।
জেলেনস্কি বলেন, এক রাতেই ৩৩৯টি ড্রোন ব্যবহার করেছে রাশিয়া। তার ভাষায়, আমরা ইস্টারের জন্য যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিলাম, কিন্তু জবাবে পাচ্ছি শাহেদ ড্রোন। একই দিনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের পরিকল্পনার কথাও জানান।
অন্যদিকে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বাল্টিক সাগরের উস্ত-লুগা বন্দরে আঘাত হানা হয়েছে, যা দেশটির তেল রপ্তানিতে চাপ বাড়াতে পারে।
এদিকে ইউরোপের কয়েকটি দেশে ইউক্রেনীয় ড্রোন ঢুকে পড়ার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড ও লাটভিয়ায় ড্রোন প্রবেশ বা ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। এমনকি ফিনল্যান্ডে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন শনাক্তের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা অবশ্য বলেছেন, এসব দেশে ড্রোন পাঠানোর কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না।

ইউক্রেন পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ লুহানস্ক অঞ্চল পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে রাশিয়া। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ২০২২ সালের আগ্রাসন শুরুর পর থেকে যে অঞ্চলটি পুরোপুরি দখলে আনতে পারেনি, সেটিই এখন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে এ দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, ওয়েস্ট সামরিক গ্রুপিংয়ের ইউনিটগুলো লুহানস্কের ‘মুক্তি’ সম্পন্ন করেছে। ইউক্রেনের এ অঞ্চলটিকে লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক হিসেবে অভিহিত করে থাকে।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ অঞ্চলের ভেরখন্যা পিসারিভকা গ্রাম ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের বোইকোভে গ্রামও রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক মিলে ডনবাস অঞ্চল গঠিত। লুহানস্কের ৯৯ শতাংশের বেশি এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০২২ সালে যে চারটি ইউক্রেনীয় অঞ্চল রাশিয়া সংযুক্ত করে, তার একটি এটি। অন্যদিকে দোনেৎস্কের প্রায় তিন-চতুর্থাংশও বর্তমানে রুশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে ক্রেমলিন আবারও দাবি জানিয়েছে, ইউক্রেনকে পুরো দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে, যা কিয়েভ বারবার প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির গতকালই ডনবাস অঞ্চল থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল, যেন রাশিয়ার ভাষায় যুদ্ধের “হট ফেজ” শেষ করা যায়।
পেসকভের এই মন্তব্য এসেছে জেলেনস্কির বক্তব্যের একদিন পর। জেলেনস্কি দাবি করেন, রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে একটি আলটিমেটাম দিয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে দুই মাসের মধ্যে ইউক্রেন সেনা প্রত্যাহার না করলে শান্তি চুক্তির শর্ত আরও কঠোর করা হবে।
জেলেনস্কি আরও বলেন, এত অল্প সময়ের মধ্যে রাশিয়া পুরো ডনবাস দখল করতে পারবে— এমন ধারণা বিশ্বাস করা কঠিন। তিনি জানান, ইউক্রেন কূটনৈতিক সমাধান চায়। তবে বর্তমান ফ্রন্টলাইন ধরে রেখেই কেবল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হবে।
ড্রোন হামলায় নিহত ২, উত্তেজনা ছড়াচ্ছে ইউরোপ জুড়ে
রাতভর রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানা হয়েছে। খেরসন অঞ্চলে একটি বেসামরিক গাড়িতে হামলায় দুই নারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রসিকিউটর দপ্তর।
পশ্চিমাঞ্চলীয় লুটস্ক শহরে একটি গুদামে আগুন ধরে যাওয়ার ছবি প্রকাশ করেছে ডাকসেবা প্রতিষ্ঠান নোভা পোশতা।
জেলেনস্কি বলেন, এক রাতেই ৩৩৯টি ড্রোন ব্যবহার করেছে রাশিয়া। তার ভাষায়, আমরা ইস্টারের জন্য যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিলাম, কিন্তু জবাবে পাচ্ছি শাহেদ ড্রোন। একই দিনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের পরিকল্পনার কথাও জানান।
অন্যদিকে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বাল্টিক সাগরের উস্ত-লুগা বন্দরে আঘাত হানা হয়েছে, যা দেশটির তেল রপ্তানিতে চাপ বাড়াতে পারে।
এদিকে ইউরোপের কয়েকটি দেশে ইউক্রেনীয় ড্রোন ঢুকে পড়ার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড ও লাটভিয়ায় ড্রোন প্রবেশ বা ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। এমনকি ফিনল্যান্ডে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন শনাক্তের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা অবশ্য বলেছেন, এসব দেশে ড্রোন পাঠানোর কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না।

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলগুলো। এর মধ্যে রয়েছে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফালকোন রাজ্য। এসব এলাকায় ভূমিকম্প ও পরবর্তী কম্পনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে।
১ দিন আগে
দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশগত কারণে এয়ারকনের ব্যবহার সীমিত রাখার নীতি অনুসরণ করে আসা দেশটি এখন বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে রেকর্ড তাপমাত্রা, অন্যদিকে হাসপাতাল, স্কুল ও গণসেবার ওপর বাড়তে থাকা চাপ— এ পরিস্থিতি ফ্রান্সের রাজনীতি, পরিবেশনীতি ও জনস্বাস্থ্যের আলোচনাকে নতুন মোড় দিয়েছে।
১ দিন আগে
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ঝাঁকুনিটির উৎপত্তিস্থল ছিল ইউমারে থেকে ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব এবং ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
১ দিন আগে
এর মাধ্যমে ১৯৫৭ ও ১৯৭৬ সালে গড়া জুন মাসের আগের সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের রেকর্ড ভেঙে গেছে। তবে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড এখনো ২০২২ সালের ১৯ জুলাই লিংকনশায়ারের কনিংসবিতে রেকর্ড হওয়া ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
১ দিন আগে