
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান অভিযানে সমর্থন না দেওয়ায় পশ্চিমা মিত্রদের ওপর চটেছে যুক্তরাষ্ট্র। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট (ন্যাটো) থেকে স্পেনকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার এবং ফকল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার মতো কঠোর প্রস্তাব দিয়েছে পেন্টাগন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ ইমেইলের বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতায় যেসব ন্যাটো মিত্র দেশ কার্যকর সহযোগিতা করেনি, তাদের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প প্রশাসন। ওই ইমেইলে স্পেনকে জোট থেকে বাদ দেয়ার পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের মালিকানাধীন ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের বিষয়ে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অবস্থানে পরিবর্তন আনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ফকল্যান্ড ইস্যুতে ব্রিটেনের পক্ষ নেয়া থেকে সরে আসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলার পর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপীয় মিত্রদের কাছ থেকে আরও সক্রিয় সামরিক ও রাজনৈতিক সমর্থন আশা করেছিল। কিন্তু স্পেনসহ বেশ কিছু দেশ এই যুদ্ধে সরাসরি অংশ নিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। পেন্টাগনের এই অভ্যন্তরীণ বার্তা থেকে স্পষ্ট যে, ইরান ইস্যুতে অবাধ্য মিত্রদের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে হোয়াইট হাউস।

ইরান অভিযানে সমর্থন না দেওয়ায় পশ্চিমা মিত্রদের ওপর চটেছে যুক্তরাষ্ট্র। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট (ন্যাটো) থেকে স্পেনকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার এবং ফকল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার মতো কঠোর প্রস্তাব দিয়েছে পেন্টাগন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ ইমেইলের বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতায় যেসব ন্যাটো মিত্র দেশ কার্যকর সহযোগিতা করেনি, তাদের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প প্রশাসন। ওই ইমেইলে স্পেনকে জোট থেকে বাদ দেয়ার পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের মালিকানাধীন ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের বিষয়ে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অবস্থানে পরিবর্তন আনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ফকল্যান্ড ইস্যুতে ব্রিটেনের পক্ষ নেয়া থেকে সরে আসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলার পর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপীয় মিত্রদের কাছ থেকে আরও সক্রিয় সামরিক ও রাজনৈতিক সমর্থন আশা করেছিল। কিন্তু স্পেনসহ বেশ কিছু দেশ এই যুদ্ধে সরাসরি অংশ নিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। পেন্টাগনের এই অভ্যন্তরীণ বার্তা থেকে স্পষ্ট যে, ইরান ইস্যুতে অবাধ্য মিত্রদের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে হোয়াইট হাউস।

মেহের নিউজ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ৪০ দিনব্যাপী যুদ্ধের প্রথম দিনেই মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হন। তাঁর দাফন প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে ইতোমধ্যে রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা ইরানে পৌঁছেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানিয়েছেন, এই হামলায় আরও অন্তত ৯২ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তারা আমাদের জন্য ছিল না!’ তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর জন্য যে পরিমাণ ব্যয় ও দায়ভার বহন করছে, অন্য সদস্যরা তার তুলনায় অনেক কম অবদান রাখছে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বাসটি কোয়েটা থেকে মাত্র ৩৬ জন যাত্রী নিয়ে রওনা হয়েছিল। তবে পথিমধ্যে বিকল হয়ে পড়া অন্য একটি বাসের যাত্রীদের এই বাসে তুলে নেওয়ার কারণে যাত্রী সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। যার ফলে প্রাণহানির সংখ্যাও এতটা বেশি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে