
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ষষ্ঠ শতাব্দীতে চীনে ছিল অন্ধকার যুগ। সেই সময়কার শাসক এক চীনা সম্রাটের দেহাংশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রাচীন ডিএনএ। ওই শাসক দেখতে কেমন ছিলেন, সে বিষয়ে বিশদ ধারণা মিলেছে ডিএনএ পরীক্ষার পর। গত বৃহস্পতিবার কারেন্ট বায়োলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
সম্রাট উ ৫৬০ থেকে ৫৮০ সাল পর্যন্ত নর্দান চেৌ রাজবংশের উত্তরসূরি হিসেবে চীন শাসন করেছিলেন। বিশৃঙ্খল সময়ে প্রাচীন চীনের উত্তর অংশকে একত্রিত করার কৃতিত্ব দেওয়া হয় তাকে।
প্রত্নতাত্ত্বিকরা ১৯৯৬ সালে উত্তর-পশ্চিম চীনে তার সমাধি খুঁজে পান। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্রাট উয়ের দেহাংশের জিনগত উপাদান বিশেষ করে প্রায় সম্পূর্ণ একটি মাথার খুলি বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকরা। এর মাধ্যমে তার অবয়ব, স্বাস্থ্য ও বংশ সম্পর্কে তথ্য মিলেছে।
গবেষকরা বলছেন, সম্রাট উ জিয়ানবেই নামের যাযাবর গোষ্ঠীর অর্ন্তভুক্ত ছিলেন। গোষ্ঠীটি বর্তমান সময়ের মঙ্গোলিয়া এবং চীনের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বাস করত। জিনের ক্রম বিশ্লেষণেল পর দেখা গেছে, সম্রাটের ছিল বাদামি চোখ ও কালো চুল। গায়ের বর্ণ ছিল গাঢ় থেকে মাঝারি ধরনের।
গবেষক দলের সদস্য শাওকিং ওয়েন বলেন, অনেকের ধারণা, জিয়েনবেই গোষ্ঠীর অবয়ব ছিল ভিন্ন প্রকৃতির। তাদের ছিল ঘন দাড়ি, উঁচু নাক ও হলুদ চুল। তবে আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, পূর্ব বা উত্তর-পূর্ব এশিয়ার লোকজনের শারীরিক বৈশষ্ট্যি ছিল সম্রাট উয়ের মধ্যে।
গবেষকরা বলেন, মাত্র ৩৬ বছর বয়সে সম্রাটের মৃতু্য হয়। ধারণা করা হয়, অসুস্থতা ও বিষপ্রয়োগে তঁার মৃতু্য হয়েছে। তবে সম্রাটের মৃতু্যর বিষয়ে কোনো স্পষ্ট প্রমাণ খুঁজে পায়নি গবেষক দল। প্রাচীন ডিএনএ পরীক্ষার পর সম্ভবত তার মৃত্যুর বিষয়ে প্রকৃত তথ্য মিলবে বলে ধারণা গবেষকদের। সূত্র : সিএনএন

ষষ্ঠ শতাব্দীতে চীনে ছিল অন্ধকার যুগ। সেই সময়কার শাসক এক চীনা সম্রাটের দেহাংশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রাচীন ডিএনএ। ওই শাসক দেখতে কেমন ছিলেন, সে বিষয়ে বিশদ ধারণা মিলেছে ডিএনএ পরীক্ষার পর। গত বৃহস্পতিবার কারেন্ট বায়োলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
সম্রাট উ ৫৬০ থেকে ৫৮০ সাল পর্যন্ত নর্দান চেৌ রাজবংশের উত্তরসূরি হিসেবে চীন শাসন করেছিলেন। বিশৃঙ্খল সময়ে প্রাচীন চীনের উত্তর অংশকে একত্রিত করার কৃতিত্ব দেওয়া হয় তাকে।
প্রত্নতাত্ত্বিকরা ১৯৯৬ সালে উত্তর-পশ্চিম চীনে তার সমাধি খুঁজে পান। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্রাট উয়ের দেহাংশের জিনগত উপাদান বিশেষ করে প্রায় সম্পূর্ণ একটি মাথার খুলি বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকরা। এর মাধ্যমে তার অবয়ব, স্বাস্থ্য ও বংশ সম্পর্কে তথ্য মিলেছে।
গবেষকরা বলছেন, সম্রাট উ জিয়ানবেই নামের যাযাবর গোষ্ঠীর অর্ন্তভুক্ত ছিলেন। গোষ্ঠীটি বর্তমান সময়ের মঙ্গোলিয়া এবং চীনের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বাস করত। জিনের ক্রম বিশ্লেষণেল পর দেখা গেছে, সম্রাটের ছিল বাদামি চোখ ও কালো চুল। গায়ের বর্ণ ছিল গাঢ় থেকে মাঝারি ধরনের।
গবেষক দলের সদস্য শাওকিং ওয়েন বলেন, অনেকের ধারণা, জিয়েনবেই গোষ্ঠীর অবয়ব ছিল ভিন্ন প্রকৃতির। তাদের ছিল ঘন দাড়ি, উঁচু নাক ও হলুদ চুল। তবে আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, পূর্ব বা উত্তর-পূর্ব এশিয়ার লোকজনের শারীরিক বৈশষ্ট্যি ছিল সম্রাট উয়ের মধ্যে।
গবেষকরা বলেন, মাত্র ৩৬ বছর বয়সে সম্রাটের মৃতু্য হয়। ধারণা করা হয়, অসুস্থতা ও বিষপ্রয়োগে তঁার মৃতু্য হয়েছে। তবে সম্রাটের মৃতু্যর বিষয়ে কোনো স্পষ্ট প্রমাণ খুঁজে পায়নি গবেষক দল। প্রাচীন ডিএনএ পরীক্ষার পর সম্ভবত তার মৃত্যুর বিষয়ে প্রকৃত তথ্য মিলবে বলে ধারণা গবেষকদের। সূত্র : সিএনএন

জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রানচেসকা আলবানিজ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে পৃথিবীর ‘সবচেয়ে নিকৃষ্ট’ সেনাবাহিনী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করাসহ সব সীমারেখা অতিক্রম করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হাতে জব্দ হওয়া পণ্যবাহী জাহাজ ‘তুসকা’ এবং এর আরোহীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন ও ‘অপরাধমূলক কাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে তেহরান।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, হুমকির মুখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় যেতে রাজি নয়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— পরিস্থিতি ফের যুদ্ধের দিকে গড়ালে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন কৌশল ও ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত রয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
পেন্টাগনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭১ জন সেনাবাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৬৩ জন, বিমানবাহিনীর ৬২ জন এবং ১৯ জন মেরিন সেনা আহত হয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে