
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে একটি চুক্তির বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বৈঠক হলেও এরপর চুক্তি নিয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে কোনো ধরনের স্পষ্টতা ছাড়াই বৈঠকটি শেষ হয়।
শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানকে অবশ্যই প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। পাশাপাশি উভয় দিকের জন্য ‘অবাধ নৌ চলাচলের’ উপযোগী করে হরমুজ প্রণালিকে পুনরায় খুলে দিতে হবে এবং ওই জলপথে পাতা সব মাইন ধ্বংস করতে হবে।
বৈঠকের কথা জানিয়ে পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন, আমি এখন সিচুয়েশন রুমের বৈঠকে যাচ্ছি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।
ওই বৈঠক থেকে আর কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, সিচুয়েশন রুমে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বৈঠকটি হয়েছে। কিন্তু বৈঠকে ট্রাম্প কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কিছু জানাননি।
ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুধু তখনই একটি চুক্তি করবেন যখন সেটি আমেরিকার জন্য ভালো হবে আর তার শর্তগুলো পূরণ করবে। প্রধান শর্ত, ইরান কখনোই একটি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।
চুক্তি নিয়ে একই অচলাবস্থা ইরানেও। দেশটির এক ঊর্ধ্বতন সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, একটি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত, কিন্তু এখনো অনুমোদন পায়নি।
ইরানের আধাস্বায়ত্তশাসিত বার্তা সংস্থা ফার্স বিভিন্ন সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ট্রাম্পের মন্তব্যগুলো একটি মনগড়া বিজয় চিত্রিত করার চেষ্টা।
ইরানের ওই ঊর্ধ্বতন সূত্র নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানিয়েছেন, সম্ভাব্য চুক্তিটিতে পারমাণবিক সংক্রান্ত কোনো বিষয় অন্তর্ভুক্ত নেই।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা অবশ্যই ইরান ও ওমানের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
ফার্স বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি জাহাজগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করার পর তেহরানের শর্তের অধীনে হরমুজ প্রণালি আবার উন্মুক্ত করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট বলেছেন, চুক্তি হলে মার্কিন অবরোধ ধীরে ধীরে সরিয়ে নেওয়া হবে।
ফার্স জানিয়েছে, জব্দ থাকা ইরানের এক হাজার ২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত করার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে একটি চুক্তির বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বৈঠক হলেও এরপর চুক্তি নিয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে কোনো ধরনের স্পষ্টতা ছাড়াই বৈঠকটি শেষ হয়।
শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানকে অবশ্যই প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। পাশাপাশি উভয় দিকের জন্য ‘অবাধ নৌ চলাচলের’ উপযোগী করে হরমুজ প্রণালিকে পুনরায় খুলে দিতে হবে এবং ওই জলপথে পাতা সব মাইন ধ্বংস করতে হবে।
বৈঠকের কথা জানিয়ে পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন, আমি এখন সিচুয়েশন রুমের বৈঠকে যাচ্ছি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।
ওই বৈঠক থেকে আর কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, সিচুয়েশন রুমে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বৈঠকটি হয়েছে। কিন্তু বৈঠকে ট্রাম্প কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কিছু জানাননি।
ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুধু তখনই একটি চুক্তি করবেন যখন সেটি আমেরিকার জন্য ভালো হবে আর তার শর্তগুলো পূরণ করবে। প্রধান শর্ত, ইরান কখনোই একটি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।
চুক্তি নিয়ে একই অচলাবস্থা ইরানেও। দেশটির এক ঊর্ধ্বতন সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, একটি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত, কিন্তু এখনো অনুমোদন পায়নি।
ইরানের আধাস্বায়ত্তশাসিত বার্তা সংস্থা ফার্স বিভিন্ন সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ট্রাম্পের মন্তব্যগুলো একটি মনগড়া বিজয় চিত্রিত করার চেষ্টা।
ইরানের ওই ঊর্ধ্বতন সূত্র নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানিয়েছেন, সম্ভাব্য চুক্তিটিতে পারমাণবিক সংক্রান্ত কোনো বিষয় অন্তর্ভুক্ত নেই।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা অবশ্যই ইরান ও ওমানের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
ফার্স বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি জাহাজগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করার পর তেহরানের শর্তের অধীনে হরমুজ প্রণালি আবার উন্মুক্ত করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট বলেছেন, চুক্তি হলে মার্কিন অবরোধ ধীরে ধীরে সরিয়ে নেওয়া হবে।
ফার্স জানিয়েছে, জব্দ থাকা ইরানের এক হাজার ২০০ কোটি ডলার অবমুক্ত করার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) রুশ সংবাদমাধ্যম আরআইএ নভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আজিজি বলেন, ‘ইরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনো তৃতীয় দেশের কাছে হস্তান্তর করতে চায় না।’
২১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত অক্টোবরে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ইসরায়েলি বাহিনী গাজার ৫৩ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে রেখে একটি নির্ধারিত সীমারেখায় অবস্থান নেয়। তবে এরপর থেকেই ধীরে ধীরে তারা পশ্চিমমুখী অগ্রসর হয়ে হামাস-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর দিকে নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করে আসছে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী বিস্ত
১ দিন আগে
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর তথ্য বলছে, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির যে খসড়া, তাতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও এ প্রণালি থেকে অবরোধ প্রত্যাহার এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরানের আটকে থাকা ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের প্রস্তাব রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিবদমান এসব ইস্যুতে সমঝোতা হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে এখনো চূড়ান
১ দিন আগে
এক ঘোষণায় ডব্লিউএইচও জানায়, সম্ভাব্য চিকিৎসাগুলোর কার্যকারিতা যাচাই করতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনা করা হবে। সংস্থাটি এরই মধ্যে বাইরের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মিলে সম্ভাব্য ওষুধ ও টিকার তালিকা চূড়ান্ত করতে কাজ করছে।
১ দিন আগে