
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাজ্যে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টিতে নেতৃত্বের সংকট আরও তীব্র হয়েছে। স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচনে ভরাডুবির জের ধরে দলের নেতা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারকে সরে যাওয়ার জন্য কদিন ধরেই চাপ দেওয়া হচ্ছে দলের ভেতর থেকে। এবার ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার একাংশ থেকেও আওয়াজ উঠেছে, স্টারমার কবে পদত্যাগ করবেন, তাত রূপরেখা যেন দেওয়া হয়।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে মিলে স্টারমারের সরে যাওয়ার রোডম্যাপ ঘোষণার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এতে স্টারমারের দল লেবার পার্টির পাশাপাশি সরকারের শীর্ষ পর্যায়েও স্পষ্ট বিভক্তি তৈরি হয়েছে।
তবে সূত্রগুলো বলছে, মন্ত্রিসভায় মাহমুদের মতো যারা স্টারমারের পদত্যাগের পক্ষে, তারা এখনো সংখ্যায় কম। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে এ সংকট নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে মন্ত্রিসভার।
স্টারমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ শুধু দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, সোমবার (১১ মে) সরকারের ছয়জন মন্ত্রী-সহকারীকে (পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি) বদলে দিয়েছে ডাউনিং স্ট্রিট। কারণ তারা হয় পদত্যাগ করেছেন, নয়তো প্রকাশ্যে স্টারমারের বিদায়ের সময়সূচি চেয়েছেন।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব ওয়েস স্টিটিংয়ের সহকারী জো মরিস। স্টারমারের পর স্ট্রিটিংকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বপ্রত্যাশীদের একজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মরিস বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখন আর জনগণের আস্থা বা বিশ্বাস ধরে রাখতে পারেননি।’
এ ছাড়া পদত্যাগ করেছেন উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামির সহকারী মেলানি ওয়ার্ড, কেবিনেট অফিসমন্ত্রী ড্যারেন জোনসের সহকারী নওশাবা খান এবং পরিবেশমন্ত্রী এমা রেনল্ডসের সহকারী টম রাটল্যান্ড।
অন্যদিকে আরও দুজন সহকারী প্রকাশ্যে স্টারমারের বিদায়ের সময়সূচি দাবি করেছেন। তারা হলেন— পেনশনসচিব প্যাট ম্যাকফ্যাডেনের সহকারী গর্ডন ম্যাককে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদের সহকারী স্যালি জেমসন।
জেমসন বলেন, ‘স্টারমারের সেপ্টেম্বরের মধ্যে বা এর কিছু পর পরিষ্কারভাবে বিদায়ের সময়সূচি ঘোষণা করা উচিত।’
মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত অন্তত ৭২ জন লেবার এমপি স্টারমারের পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এই চাপ আরও বাড়িয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সমর্থকরা। তারা চান, স্টারমার দ্রুত বিদায়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করুন, যেন বার্নহ্যাম পার্লামেন্টে ফিরে এসে নেতৃত্বের দৌড়ে নামতে পারেন।
লেবারের ডানপন্থি অংশ থেকেও দ্রুত নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি উঠছে। স্ট্রিটিংয়ের ঘনিষ্ঠদের একটি অংশও দ্রুত রদবদলের পক্ষে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাজ্যের সবশেষ স্থানীয় নির্বাচনে লেবার প্রায় দেড় হাজার কাউন্সিলর হারিয়েছে। একই সময়ে রিফর্ম ইউকের উত্থান ও লন্ডনসহ শহরাঞ্চলে গ্রিন পার্টি অব ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের আধিপত্য লেবারের ভিত্তিকে নড়িয়ে দিয়েছে।
ওয়েলসে শত বছরের রাজনৈতিক আধিপত্য হারিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে লেবার পার্টি। স্কটিশ পার্লামেন্টেও ১২৯টির মধ্যে মাত্র ১৭টি আসন পেয়েছে লেবার, যা সেখানে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ফল।
এ পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেই দায়ী করছেন দলীয় অনেকে। জো মরিস বলেন, ‘স্থানীয় কাউন্সিলর ও প্রার্থীদের এমন সিদ্ধান্তের দায় নিতে হয়েছে, যেগুলো তাদের ছিল না।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্টারমারের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও ভোটাররা বিশ্বাস করছেন না যে তিনি সেই পরিবর্তন আনতে পারবেন, যার জন্য তারা ভোট দিয়েছিলেন।’
চাপের মুখেও পদ ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি কিয়ের স্টারমার। সোমবার এক ভাষণে তিনি বলেন, সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করবেন এবং দায়িত্ব ছেড়ে যাবেন না।
স্টারমার বলেন, ‘আমি দেশকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে ঠেলে দিয়ে চলে যাব না, যেমনটা কনজারভেটিভরা বারবার করেছে।’
ভাষণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ব্রিটিশ স্টিলকে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই আইন আনার কথাও জানান তিনি।
এর আগে উত্তর লন্ডনের এমপি ক্যাথরিম ওয়েস্ট লেবার পার্টিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করার হুমকি দিয়েছিলেন। তবে স্টারমারের ভাষণ শোনার পর তিনি আপাতত সরাসরি চ্যালেঞ্জ থেকে সরে এসে সেপ্টেম্বরে বিদায়ের সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছেন।
ক্যাথরিন নিজে অবশ্য লেবার পার্টিতে নেতৃত্বের দৌড়ে নেই। তবে তিনি আশা করেছিলেন— স্টারমার পদত্যাগ করলে অন্য কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আসবেন।
স্টারমারের সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় উঠে এসেছে সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাংগেলা রেইনারের নাম। তিনি এক শ্রমিক সম্মেলনে বলেন, ‘দল হিসেবে আমাদের এর চেয়ে ভালো করতে হবে।’
রেইনার আরও বলেন, ভোটারদের হতাশা স্টারমার স্বীকার করেছেন ঠিকই, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষ ‘কথা নয়, কাজ’ দিয়েই সরকারকে মূল্যায়ন করবে।
একই সঙ্গে অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে আবার পার্লামেন্টে ফেরার সুযোগ দেওয়ার আহ্বানও জানান রেইনার।

যুক্তরাজ্যে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টিতে নেতৃত্বের সংকট আরও তীব্র হয়েছে। স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচনে ভরাডুবির জের ধরে দলের নেতা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারকে সরে যাওয়ার জন্য কদিন ধরেই চাপ দেওয়া হচ্ছে দলের ভেতর থেকে। এবার ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার একাংশ থেকেও আওয়াজ উঠেছে, স্টারমার কবে পদত্যাগ করবেন, তাত রূপরেখা যেন দেওয়া হয়।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে মিলে স্টারমারের সরে যাওয়ার রোডম্যাপ ঘোষণার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এতে স্টারমারের দল লেবার পার্টির পাশাপাশি সরকারের শীর্ষ পর্যায়েও স্পষ্ট বিভক্তি তৈরি হয়েছে।
তবে সূত্রগুলো বলছে, মন্ত্রিসভায় মাহমুদের মতো যারা স্টারমারের পদত্যাগের পক্ষে, তারা এখনো সংখ্যায় কম। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে এ সংকট নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে মন্ত্রিসভার।
স্টারমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ শুধু দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, সোমবার (১১ মে) সরকারের ছয়জন মন্ত্রী-সহকারীকে (পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি) বদলে দিয়েছে ডাউনিং স্ট্রিট। কারণ তারা হয় পদত্যাগ করেছেন, নয়তো প্রকাশ্যে স্টারমারের বিদায়ের সময়সূচি চেয়েছেন।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব ওয়েস স্টিটিংয়ের সহকারী জো মরিস। স্টারমারের পর স্ট্রিটিংকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বপ্রত্যাশীদের একজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মরিস বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখন আর জনগণের আস্থা বা বিশ্বাস ধরে রাখতে পারেননি।’
এ ছাড়া পদত্যাগ করেছেন উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামির সহকারী মেলানি ওয়ার্ড, কেবিনেট অফিসমন্ত্রী ড্যারেন জোনসের সহকারী নওশাবা খান এবং পরিবেশমন্ত্রী এমা রেনল্ডসের সহকারী টম রাটল্যান্ড।
অন্যদিকে আরও দুজন সহকারী প্রকাশ্যে স্টারমারের বিদায়ের সময়সূচি দাবি করেছেন। তারা হলেন— পেনশনসচিব প্যাট ম্যাকফ্যাডেনের সহকারী গর্ডন ম্যাককে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদের সহকারী স্যালি জেমসন।
জেমসন বলেন, ‘স্টারমারের সেপ্টেম্বরের মধ্যে বা এর কিছু পর পরিষ্কারভাবে বিদায়ের সময়সূচি ঘোষণা করা উচিত।’
মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত অন্তত ৭২ জন লেবার এমপি স্টারমারের পদত্যাগ অথবা সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এই চাপ আরও বাড়িয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সমর্থকরা। তারা চান, স্টারমার দ্রুত বিদায়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করুন, যেন বার্নহ্যাম পার্লামেন্টে ফিরে এসে নেতৃত্বের দৌড়ে নামতে পারেন।
লেবারের ডানপন্থি অংশ থেকেও দ্রুত নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি উঠছে। স্ট্রিটিংয়ের ঘনিষ্ঠদের একটি অংশও দ্রুত রদবদলের পক্ষে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাজ্যের সবশেষ স্থানীয় নির্বাচনে লেবার প্রায় দেড় হাজার কাউন্সিলর হারিয়েছে। একই সময়ে রিফর্ম ইউকের উত্থান ও লন্ডনসহ শহরাঞ্চলে গ্রিন পার্টি অব ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের আধিপত্য লেবারের ভিত্তিকে নড়িয়ে দিয়েছে।
ওয়েলসে শত বছরের রাজনৈতিক আধিপত্য হারিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে লেবার পার্টি। স্কটিশ পার্লামেন্টেও ১২৯টির মধ্যে মাত্র ১৭টি আসন পেয়েছে লেবার, যা সেখানে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ফল।
এ পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেই দায়ী করছেন দলীয় অনেকে। জো মরিস বলেন, ‘স্থানীয় কাউন্সিলর ও প্রার্থীদের এমন সিদ্ধান্তের দায় নিতে হয়েছে, যেগুলো তাদের ছিল না।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্টারমারের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও ভোটাররা বিশ্বাস করছেন না যে তিনি সেই পরিবর্তন আনতে পারবেন, যার জন্য তারা ভোট দিয়েছিলেন।’
চাপের মুখেও পদ ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি কিয়ের স্টারমার। সোমবার এক ভাষণে তিনি বলেন, সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করবেন এবং দায়িত্ব ছেড়ে যাবেন না।
স্টারমার বলেন, ‘আমি দেশকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে ঠেলে দিয়ে চলে যাব না, যেমনটা কনজারভেটিভরা বারবার করেছে।’
ভাষণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ব্রিটিশ স্টিলকে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই আইন আনার কথাও জানান তিনি।
এর আগে উত্তর লন্ডনের এমপি ক্যাথরিম ওয়েস্ট লেবার পার্টিতে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করার হুমকি দিয়েছিলেন। তবে স্টারমারের ভাষণ শোনার পর তিনি আপাতত সরাসরি চ্যালেঞ্জ থেকে সরে এসে সেপ্টেম্বরে বিদায়ের সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছেন।
ক্যাথরিন নিজে অবশ্য লেবার পার্টিতে নেতৃত্বের দৌড়ে নেই। তবে তিনি আশা করেছিলেন— স্টারমার পদত্যাগ করলে অন্য কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আসবেন।
স্টারমারের সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় উঠে এসেছে সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাংগেলা রেইনারের নাম। তিনি এক শ্রমিক সম্মেলনে বলেন, ‘দল হিসেবে আমাদের এর চেয়ে ভালো করতে হবে।’
রেইনার আরও বলেন, ভোটারদের হতাশা স্টারমার স্বীকার করেছেন ঠিকই, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষ ‘কথা নয়, কাজ’ দিয়েই সরকারকে মূল্যায়ন করবে।
একই সঙ্গে অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে আবার পার্লামেন্টে ফেরার সুযোগ দেওয়ার আহ্বানও জানান রেইনার।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবে হুতিদের হামলা, সপ্তাহান্তে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং উপসাগরে জাহাজে হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশিয়ায় পৌঁছানোর চার দিনের মাথায় এজেন্সির লোকজন ও সেখানকার একটি পাচারকারী চক্র মামুনসহ দলের সবাইকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। সেখানে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে জোরপূর্বক যুদ্ধের ময়দানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠকগুলোকে ইতিবাচক ও অর্থবহ বলে বর্ণনা করেছেন। জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র শীতকালে সংঘাত কমানোর কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে দেখছে কিয়েভ।
১ দিন আগে
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার পাওয়ার পরই ‘নাজা’ নিয়ে ইসরায়েলি সরকারের তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। গত শনিবার ঘোষিত পুরস্কারের আগে ছবিটি ২৫ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওবেশন পেয়েছিল। ছবিটির দুই পরিচালক এর আগে ‘নো আদার ল্যান্ড’ তথ্যচিত্রের সহপরিচালক হিসেবে ২০২৫ সালে অস্কারে সেরা তথ্যচিত্
১ দিন আগে