
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শিল্পোন্নত সাত দেশের জোট জি-৭-এর পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে উত্তর কোরিয়া। কোনো চাপেই পিয়ংইয়ং তাদের পারমাণবিক নীতি পরিবর্তন করবে না জানিয়ে দেশটির নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয়।
আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি জি-৭-এর এই আহ্বানকে সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপ বলে তীব্র সমালোচনা করেন। এর আগে ফ্রান্সের এভিয়ান শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে নেতারা উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ এবং তাদের সাইবার অপরাধ ও ক্রিপ্টো মুদ্রা চুরির বিরুদ্ধে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয়। কোনো পরিস্থিতিতেই সেই অবস্থানের পরিবর্তন ঘটবে না।
তিনি দাবি করেন, দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার উত্তর কোরিয়ার মৌলিক জাতীয় স্বার্থের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বৈরী শক্তির হুমকির বিরুদ্ধে এটি কার্যকর প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করছে। এই অবস্থান দুর্বল করার যেকোনো প্রচেষ্টা গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
ফ্রান্সের এভিয়ান শহরে অনুষ্ঠিত এবারের জি–৭ শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর নেতারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
সম্মেলনে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার সাইবার অপরাধ ও ক্রিপ্টো মুদ্রা চুরির বিরুদ্ধে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন জি–৭ নেতারা।
তবে এসব আহ্বানকে পুরোনো ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন কিম ইয়ো জং। তার ভাষ্য, আন্তর্জাতিক চাপ বা বাহ্যিক কোনো উদ্যোগ উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে না।
রাজনীতি/এসআর

শিল্পোন্নত সাত দেশের জোট জি-৭-এর পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে উত্তর কোরিয়া। কোনো চাপেই পিয়ংইয়ং তাদের পারমাণবিক নীতি পরিবর্তন করবে না জানিয়ে দেশটির নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয়।
আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি জি-৭-এর এই আহ্বানকে সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপ বলে তীব্র সমালোচনা করেন। এর আগে ফ্রান্সের এভিয়ান শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে নেতারা উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ এবং তাদের সাইবার অপরাধ ও ক্রিপ্টো মুদ্রা চুরির বিরুদ্ধে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয়। কোনো পরিস্থিতিতেই সেই অবস্থানের পরিবর্তন ঘটবে না।
তিনি দাবি করেন, দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার উত্তর কোরিয়ার মৌলিক জাতীয় স্বার্থের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বৈরী শক্তির হুমকির বিরুদ্ধে এটি কার্যকর প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করছে। এই অবস্থান দুর্বল করার যেকোনো প্রচেষ্টা গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
ফ্রান্সের এভিয়ান শহরে অনুষ্ঠিত এবারের জি–৭ শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর নেতারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী উত্তর কোরিয়ার সম্পূর্ণ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
সম্মেলনে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার সাইবার অপরাধ ও ক্রিপ্টো মুদ্রা চুরির বিরুদ্ধে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন জি–৭ নেতারা।
তবে এসব আহ্বানকে পুরোনো ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন কিম ইয়ো জং। তার ভাষ্য, আন্তর্জাতিক চাপ বা বাহ্যিক কোনো উদ্যোগ উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে না।
রাজনীতি/এসআর

বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এটি দ্বিতীয়বারের মতো বড় হামলার শিকার হলো। আল-কায়েদার আঞ্চলিক শাখা ‘জামাত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন’ (জেএনআইএম) হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে বার্তা দিয়েছে। তবে সরকার এখনো সেই দাবির সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
৬ ঘণ্টা আগে
নিজের লেখা এক মতামত নিবন্ধে হিলারি বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা পরিকল্পনা নিখুঁত নয়, এতে অনেক বিতর্কিত বিষয় রয়েছে। তারপরও বর্তমানে এটিই একমাত্র কার্যকর কাঠামো, যার মাধ্যমে গাজা সংকট থেকে বের হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বিকল্প কোনো কার্যকর পরিকল্পনা এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে
১০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন চুক্তিটিকে এর সমর্থকরা ‘শতাব্দীর সেরা চুক্তি’ (ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি) হিসেবে অভিহিত করছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তেহরানের প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে— ইসরায়েল থেকে শুরু করে উপসাগরীয় দেশ এবং লেবাননের বিভিন্ন গোষ্ঠী— এটি বরং ‘শতাব্দীর অভিশাপ’ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ত
১০ ঘণ্টা আগে
এ বাস্তবতায় অনেক বিশ্লেষকের মতে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মূল্য ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছিল। ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা ট্রাম্পের জন্য যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে আসার একটি পথ হয়ে উঠেছে।
১১ ঘণ্টা আগে