
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই দুপক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা শেষ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানে বিমান হামলা চালানোর কথা ভাবছেন। তবে হোয়াইট হাউজ এমন পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেনি।
প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা এমন আভাস দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই কর্মকর্তারা বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তিতে ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানে নতুন করে বিমান হামলার কথা চিন্তা করছেন। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে অবরোধসহ আরও কিছু পদক্ষেপের কথা ভাবছেন তিনি।
ট্রাম্প অবশ্য রোববার রাতেই হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। হরমুজে মাইন পরিষ্কার করার জন্য ন্যাটোর সদস্যরা আগ্রহী বলেও জানান তিনি। যুক্তরাজ্য অবশ্য জানিয়েছে, তারা হরমুজে কোনো সামরিক উদ্যোগে অংশ নেবে না।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এ প্রতিবেদন নিয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউজ বিবিসিকে বলেছে, আলোচনাসহ সব বিকল্প এখনো খোলা আছে।
হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, ইরানের চাঁদাবাজি (টোল) বন্ধের উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি বিচক্ষণতার সঙ্গে অন্য সব বিকল্প বিবেচনায় রেখেছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেবেন, এ বিষয়ে কেউ যদি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে কিছু বলে থাকেন, তা সম্পূর্ণই অনুমাননির্ভর বলে জানান অলিভিয়া।

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে কোনো ধরনের সমঝোতা ছাড়াই দুপক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা শেষ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানে বিমান হামলা চালানোর কথা ভাবছেন। তবে হোয়াইট হাউজ এমন পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেনি।
প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা এমন আভাস দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই কর্মকর্তারা বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তিতে ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানে নতুন করে বিমান হামলার কথা চিন্তা করছেন। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে অবরোধসহ আরও কিছু পদক্ষেপের কথা ভাবছেন তিনি।
ট্রাম্প অবশ্য রোববার রাতেই হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। হরমুজে মাইন পরিষ্কার করার জন্য ন্যাটোর সদস্যরা আগ্রহী বলেও জানান তিনি। যুক্তরাজ্য অবশ্য জানিয়েছে, তারা হরমুজে কোনো সামরিক উদ্যোগে অংশ নেবে না।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এ প্রতিবেদন নিয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউজ বিবিসিকে বলেছে, আলোচনাসহ সব বিকল্প এখনো খোলা আছে।
হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, ইরানের চাঁদাবাজি (টোল) বন্ধের উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি বিচক্ষণতার সঙ্গে অন্য সব বিকল্প বিবেচনায় রেখেছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেবেন, এ বিষয়ে কেউ যদি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে কিছু বলে থাকেন, তা সম্পূর্ণই অনুমাননির্ভর বলে জানান অলিভিয়া।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আঞ্চলিক দুটি সূত্র জানায়, শুক্রবারই চুক্তিটি সই হওয়ার কথা। পরে এক তুর্কি কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আরেকটি আঞ্চলিক সূত্রের ভাষ্য, চুক্তিটি সই হলেও শুক্রবারই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
৬ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ননথাবুরি প্রদেশের বাং কুরাই জেলায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় স্কুলে নিয়মিত কার্যক্রম চলছিল।
৮ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে ট্রাম্পের সামনে মূলত দুটি পথ খোলা— ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় থাকা একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি মেনে নেওয়া, যা কার্যকর হলে যুদ্ধের আগে কখনো না পাওয়া হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণের একটি অংশ পাবে তেহরান; অন্য পথে ট্রাম্প চাইলে তার দেওয়া হুঁশিয়ারি অনুযায়ী সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন, যাতে
১১ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে অবগত সূত্রগুলোর ভাষ্য, উপসাগর জুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখাই ছিল ইরানের বৃহত্তর কৌশলের অংশ। ২৮ জুলাই ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দেওয়ার পর উচ্চপর্যায়ের একাধিক কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ
১ দিন আগে