
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর নিজেকে দেশটির ‘ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দাবি করে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পোস্ট করা ছবিতে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ছবিটি শেয়ার করেন তিনি, যা নতুন করে আন্তর্জাতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
ছবিটি দেখতে অনলাইন বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার একটি সম্পাদিত বা বিকৃত অংশ বলে মনে হচ্ছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছেন।
ছবিতে ট্রাম্পের রাজনৈতিক পরিচিতিও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং দাবি করা হয়, তিনি সর্বশেষ ২০ জানুয়ারি ২০২৫ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের কয়েক দিনের মধ্যেই এই ছবি প্রকাশ্যে এলো। ওই অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় দেশটিতে তীব্র রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
মাদুরো অপসারিত হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার সংবিধান ও আইন অনুযায়ী দেশটির সুপ্রিম ট্রাইব্যুনাল অব জাস্টিস ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ পাঠ করায়। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই ব্যবস্থাকে পুরোপুরি স্বীকৃতি দেয়নি।
মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে মাদক পাচারসহ একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে এবং তাকে এসব মামলায় বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে।
সামরিক অভিযানের পর ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেন, ভেনেজুয়েলাকে সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে। সে সময় তিনি দাবি করেন, যতক্ষণ না একটি নিরাপদ, যথাযথ ও বিচক্ষণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে, ততক্ষণ যুক্তরাষ্ট্রই দেশটি পরিচালনা করবে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা পোস্ট আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ, সার্বভৌমত্ব প্রশ্ন এবং লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী নীতির পুরোনো বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর নিজেকে দেশটির ‘ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দাবি করে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পোস্ট করা ছবিতে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ছবিটি শেয়ার করেন তিনি, যা নতুন করে আন্তর্জাতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
ছবিটি দেখতে অনলাইন বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ার একটি সম্পাদিত বা বিকৃত অংশ বলে মনে হচ্ছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছেন।
ছবিতে ট্রাম্পের রাজনৈতিক পরিচিতিও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং দাবি করা হয়, তিনি সর্বশেষ ২০ জানুয়ারি ২০২৫ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের কয়েক দিনের মধ্যেই এই ছবি প্রকাশ্যে এলো। ওই অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় দেশটিতে তীব্র রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
মাদুরো অপসারিত হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার সংবিধান ও আইন অনুযায়ী দেশটির সুপ্রিম ট্রাইব্যুনাল অব জাস্টিস ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ পাঠ করায়। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই ব্যবস্থাকে পুরোপুরি স্বীকৃতি দেয়নি।
মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে মাদক পাচারসহ একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে এবং তাকে এসব মামলায় বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে।
সামরিক অভিযানের পর ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেন, ভেনেজুয়েলাকে সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে। সে সময় তিনি দাবি করেন, যতক্ষণ না একটি নিরাপদ, যথাযথ ও বিচক্ষণ ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে, ততক্ষণ যুক্তরাষ্ট্রই দেশটি পরিচালনা করবে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা পোস্ট আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ, সার্বভৌমত্ব প্রশ্ন এবং লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী নীতির পুরোনো বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

ট্রাম্প বলেন, পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। আমাদের সামরিক বাহিনীও বিষয়টি নজরে রাখছে। আমরা খুব কঠিন কয়েকটি বিকল্প বিবেচনায় রেখেছি। সময়মতো একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিহতের কোনো সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ফুটেজে তেহরানের বিভিন্ন মর্গে একের পর এক লাশের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ এসব নিহত ব্যক্তিকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করছে। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তারা স্বাধীন সূত্রে নিহতের এই
১১ ঘণ্টা আগে
এনডিটিভিকে দেওয়া বক্তব্যে কয়েকজন ইরানি নাগরিক জানান, মূল্যস্ফীতি সত্যিই বড় সমস্যা এবং তারা চান এটি নিয়ন্ত্রণে আসুক। তবে তারা খামেনির বিরোধী নন। তাদের মতে, যারা খামেনির বিরোধিতা করছে তারা মূলত সাবেক শাহ রেজা পাহলভির সমর্থক ও বিদেশি শক্তির সঙ্গে যুক্ত।
১ দিন আগে
মাদুরো স্টাইলে রুশ প্রেসিডেন্টকে তুলে নেওয়ার হুঙ্কার দিয়ে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে রাশিয়া থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে যুদ্ধাপরাধের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতেন।
১ দিন আগে