শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনায় বসতে নারাজ সিজেপি

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিচ্ছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। ফাইল ছবি: গেটি ইমেজেস
দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিচ্ছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। ফাইল ছবি: গেটি ইমেজেস

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণের দাবি থেকে একচুলও সরে আসছে না ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটি জানিয়েছে, এই দাবি পূরণ না হলে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তৃতীয় দফা আলোচনায় বসার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে এক্সে দেওয়া পোস্টে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের প্রশ্নে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত। সরকার যদি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে আলোচনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার অর্থ হয় না।

এর কয়েক ঘণ্টা পরই কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সিজেপির তৃতীয় দফা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে শুক্রবার নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিরা।

সেই বৈঠকে সিজেপি তিনটি দাবি তোলে। এগুলো হলো, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার নিশ্চয়তা এবং নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ।

সরকার প্রথম দুটি দাবির মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা না করার আশ্বাস এবং ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনার কথা জানিয়েছে। তবে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরানোর দাবিতে এখনো কোনো ইতিবাচক সংকেত দেয়নি।

বৈঠক শেষে জে পি নাড্ডা বলেন, আন্দোলনকারীরা পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারসংক্রান্ত আরও পাঁচটি প্রস্তাবও দিয়েছেন। সেগুলো নিয়ে আলোচনা করে শনিবার সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান জানানো হবে।

অন্যদিকে, এনডিটিভির প্রতিবেদনে সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সম্ভাবনা নেই। সরকারের মতে, মন্ত্রীকে সরানো সমস্যার সমাধান নয়। তাই তার প্রতি আস্থা রেখেই তারা এগোতে চায়।

চাপের মুখে গত দুই দিনে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপও নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে আইন সংশোধন করে শাস্তি ও জরিমানার পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া শিক্ষা সচিবকে বদলি করা হয়েছে এবং জাতীয় পরীক্ষা সংস্থার (এনটিএ) ৪৭ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সংস্থাটির কার্যক্রমে বড় ধরনের সংস্কারের আশ্বাসও দিয়েছে সরকার।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement