
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামে ভয়াবহ হামলার সঙ্গে পাকিস্তানকে জড়িত করার ভারতীয় প্রচেষ্টার প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান সংসদের উচ্চ কক্ষ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) দেশটির সিনেটে পাস হওয়া ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা পাকিস্তানের মূল্যবোধের পরিপন্থি।
পাকিস্তানের সংসদ সদস্যরা বলছেন, তারা ২২ এপ্রিলের হামলার সঙ্গে পাকিস্তানকে যুক্ত করার যেকোনো ধরনের ‘অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন দাবি’ দৃঢ়তার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করছেন।
সিনেটে পাস হওয়া প্রস্তাবে সিন্ধু নদীর পানিবণ্টন চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করার ভারতীয় সিদ্ধান্তকে ‘যুদ্ধের পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতেও এ সিদ্ধান্তকে ‘যুদ্ধের পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছিল।
সংসদে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের উত্থাপিত প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তান পানি সন্ত্রাস বা সামরিক উসকানিসহ যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তারা সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা করতে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম এবং প্রস্তুত।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত কাশ্মির হামলার জের ধরে যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার মধ্যে সিন্ধু নদীর পানিবণ্টন চুক্তিটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ পাকিস্তানের প্রধান কৃষিভিত্তিক অঞ্চল পাঞ্জাবের মাঠ-ঘাট, খেত-খামার বাঁচিয়ে রাখে সিন্ধু ও এর শাখা নদীগুলোর পানি। পুরো দেশের খাদ্য উৎপাদনের বড় অংশও আসে এই এলাকা থেকে।
পাকিস্তানের অর্থনীতিতে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ এই পাঞ্জাবের সেচব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ নির্ভর করে সিন্ধু চুক্তির অধীনে পাওয়া বিভিন্ন নদীর পানির ওপর। ভারত পানি বন্ধ করে দিলে শুকিয়ে যাবে এই এলাকা। পাকিস্তানের খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি ব্যবস্থা আর অর্থনীতি— সব ধসে পড়বে।
দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়া সিন্ধু নদীর পানিবণ্টনে ১৯৬০ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় চুক্তি সই হয়। কাশ্মিরে গত মঙ্গলবারের হামলায় পাকিস্তানের মদত রয়েছে অভিযোগ তুলে বুধবার চুক্তি স্থগিত করে ভারত। ১৯৬০ সালে সই হওয়ার পর এই প্রথম এই চুক্তি স্থগিত করা হলো।
তথ্য বলছে, এ মুহূর্তে সিন্ধু নদীর পানি প্রবাহ আটকানোর মতো কোনো অবকাঠামো ভারতের নেই। তবে ভারতের জলশক্তিমসন্ত্রী সিআর পাতিল স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, ভারত অবকাঠামো না থাকলেওে পানির প্রবাহ বন্ধ করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেছেন, এক ফোঁটা পানিও ভারত থেকে পাকিস্তানে যেন না যায়, সে ব্যবস্থা করেই ছাড়বেন তিনি।

ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামে ভয়াবহ হামলার সঙ্গে পাকিস্তানকে জড়িত করার ভারতীয় প্রচেষ্টার প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান সংসদের উচ্চ কক্ষ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) দেশটির সিনেটে পাস হওয়া ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা পাকিস্তানের মূল্যবোধের পরিপন্থি।
পাকিস্তানের সংসদ সদস্যরা বলছেন, তারা ২২ এপ্রিলের হামলার সঙ্গে পাকিস্তানকে যুক্ত করার যেকোনো ধরনের ‘অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন দাবি’ দৃঢ়তার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করছেন।
সিনেটে পাস হওয়া প্রস্তাবে সিন্ধু নদীর পানিবণ্টন চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করার ভারতীয় সিদ্ধান্তকে ‘যুদ্ধের পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতেও এ সিদ্ধান্তকে ‘যুদ্ধের পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছিল।
সংসদে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের উত্থাপিত প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তান পানি সন্ত্রাস বা সামরিক উসকানিসহ যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তারা সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা করতে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম এবং প্রস্তুত।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত কাশ্মির হামলার জের ধরে যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার মধ্যে সিন্ধু নদীর পানিবণ্টন চুক্তিটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ পাকিস্তানের প্রধান কৃষিভিত্তিক অঞ্চল পাঞ্জাবের মাঠ-ঘাট, খেত-খামার বাঁচিয়ে রাখে সিন্ধু ও এর শাখা নদীগুলোর পানি। পুরো দেশের খাদ্য উৎপাদনের বড় অংশও আসে এই এলাকা থেকে।
পাকিস্তানের অর্থনীতিতে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ এই পাঞ্জাবের সেচব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ নির্ভর করে সিন্ধু চুক্তির অধীনে পাওয়া বিভিন্ন নদীর পানির ওপর। ভারত পানি বন্ধ করে দিলে শুকিয়ে যাবে এই এলাকা। পাকিস্তানের খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি ব্যবস্থা আর অর্থনীতি— সব ধসে পড়বে।
দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়া সিন্ধু নদীর পানিবণ্টনে ১৯৬০ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় চুক্তি সই হয়। কাশ্মিরে গত মঙ্গলবারের হামলায় পাকিস্তানের মদত রয়েছে অভিযোগ তুলে বুধবার চুক্তি স্থগিত করে ভারত। ১৯৬০ সালে সই হওয়ার পর এই প্রথম এই চুক্তি স্থগিত করা হলো।
তথ্য বলছে, এ মুহূর্তে সিন্ধু নদীর পানি প্রবাহ আটকানোর মতো কোনো অবকাঠামো ভারতের নেই। তবে ভারতের জলশক্তিমসন্ত্রী সিআর পাতিল স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, ভারত অবকাঠামো না থাকলেওে পানির প্রবাহ বন্ধ করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেছেন, এক ফোঁটা পানিও ভারত থেকে পাকিস্তানে যেন না যায়, সে ব্যবস্থা করেই ছাড়বেন তিনি।

গত দু’সপ্তাহ ধরে ব্যাপক আকারে সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছে ইরানে। দিন যতো গড়াচ্ছে, আন্দোলনের মাত্রাও তত তীব্র হচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজের খবরে বলা হয়েছে, এই স্থগিতাদেশ ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং ভিসা প্রক্রিয়ার পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকাল বহাল থাকবে।
১ দিন আগে
ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার হুমকি দেওয়ার পর আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
১ দিন আগে
ইরানে গত কয়েকদিনে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় দুই হাজার ৫৭১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আমেরিকা-ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ অ্যাজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
২ দিন আগে