
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারত যদি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেয়, তবে খোদ দিল্লির মানচিত্র ও ভূগোল বদলে দেওয়া হবে বলে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, গত ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে দুই দেশের মধ্যকার প্রায় ৮৭ ঘণ্টার সংঘাতে ভারত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের ‘ক্যাপিটাল টক’ অনুষ্ঠানে এ হুঁশিয়ারি করেন খাজা আসিফ।
তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে ভারত যদি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে দিল্লির মানচিত্র ও ভূগোল বদলে যেতে পারে এবং ভারত ইতিহাসের অংশে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের সামরিক অভিযানের জবাবে পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনইয়ান-উম-মারসুস’ নামে বড় ধরনের পাল্টা অভিযান চালায়। পাকিস্তানের দাবি, ওই অভিযানে ভারতের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলার পাশাপাশি আটটি যুদ্ধবিমান— যার মধ্যে রাফালও ছিল— এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এসব দাবির স্বাধীন বা আন্তর্জাতিক যাচাই এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
প্রায় ৮৭ ঘণ্টার সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ মে দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় বলে জানান তিনি।
খাজা আসিফ আরও বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারত এখন “বিব্রতকর অবস্থার” মুখোমুখি। বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ভারতের আগের প্রভাবশালী সম্পর্কও দুর্বল হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। একইসঙ্গে পাকিস্তান এই অঞ্চলে “সম্মানজনক অবস্থান” তৈরি করেছে বলেও দাবি করেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ভারত-ইসরাইল সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন খাজা আসিফ। তার মতে, এই দুই দেশের কৌশলগত লক্ষ্য ও স্বার্থের মধ্যে মিল থাকতে পারে।

ভারত যদি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেয়, তবে খোদ দিল্লির মানচিত্র ও ভূগোল বদলে দেওয়া হবে বলে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, গত ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে দুই দেশের মধ্যকার প্রায় ৮৭ ঘণ্টার সংঘাতে ভারত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের ‘ক্যাপিটাল টক’ অনুষ্ঠানে এ হুঁশিয়ারি করেন খাজা আসিফ।
তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে ভারত যদি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে দিল্লির মানচিত্র ও ভূগোল বদলে যেতে পারে এবং ভারত ইতিহাসের অংশে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের সামরিক অভিযানের জবাবে পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনইয়ান-উম-মারসুস’ নামে বড় ধরনের পাল্টা অভিযান চালায়। পাকিস্তানের দাবি, ওই অভিযানে ভারতের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলার পাশাপাশি আটটি যুদ্ধবিমান— যার মধ্যে রাফালও ছিল— এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এসব দাবির স্বাধীন বা আন্তর্জাতিক যাচাই এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
প্রায় ৮৭ ঘণ্টার সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ মে দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় বলে জানান তিনি।
খাজা আসিফ আরও বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারত এখন “বিব্রতকর অবস্থার” মুখোমুখি। বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ভারতের আগের প্রভাবশালী সম্পর্কও দুর্বল হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। একইসঙ্গে পাকিস্তান এই অঞ্চলে “সম্মানজনক অবস্থান” তৈরি করেছে বলেও দাবি করেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ভারত-ইসরাইল সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন খাজা আসিফ। তার মতে, এই দুই দেশের কৌশলগত লক্ষ্য ও স্বার্থের মধ্যে মিল থাকতে পারে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন বীরেশ্বর। নিজের গাড়িতে করে কলকাতা থেকে পালিয়ে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। ঝাড়খণ্ডে বীরেশ্বরের কয়েকজন কর্মচারীর বাড়ি রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই গিয়ে তিনি তাদের সহায়তা নিয়েছিলেন।
১ দিন আগে
তবে অ্যাসোসিয়েটেড নিউজপেপার্সের মোট আইনি খরচ কতটা বাদীদের দিতে হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অযৌক্তিক হিসেবে বিবেচিত খরচের বিষয়ে আদালত আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা না হলে আলাদা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই খরচ নির্ধারণ করা হবে।
১ দিন আগে
জাতিসংঘের পাওনা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বকেয়া অর্থের একটি অংশ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘকে ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেবে। এ বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসকেও অবহিত করা হয়েছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।
১ দিন আগে
ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট জজ জ্যানেট ভার্গাস শুক্রবার (২১ আগস্ট) এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তিনি বলেন, স্টেট ডিপার্টমেন্টের জানুয়ারিতে ঘোষিত এই নীতি ছিল ‘স্পষ্টতই বেআইনি’। এটি কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনেরও পরিপন্থি। কারণ, ওই আইনে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি ক
১ দিন আগে