
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে শুরু হয়েছে ১০ দিনব্যাপী বিশেষ শিল্পপ্রদর্শনী ‘সম্প্রীতি’।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে (আইজিসিসি) এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন ও সংযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতীকী ব্যক্তিত্ব হিসেবে অভিহিত করেন। দুই দেশের অভিন্ন শিল্প-ঐতিহ্যের প্রতিফলন হিসেবে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ৩৩ জন খ্যাতিমান শিল্পীর শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে।
দুই দিনব্যাপী একটি আর্ট ক্যাম্পে সৃষ্ট এসব শিল্পকর্মের মধ্যে রয়েছে শিল্পী রফিকুন নবী, মনিরুল ইসলাম, আব্দুস শাকুর, আব্দুস সাত্তার, ফরিদা জামান, রঞ্জিত দাস, জামাল আহমেদ, নাঈমা হকসহ আরও অনেক বিশিষ্ট শিল্পীর কাজ। অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের অনেকেই ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদের (আইসিসিআর) সাবেক স্কলার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন শিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি। শিল্প এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা সীমান্তের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের মধ্যে সংলাপ, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির ক্ষেত্র তৈরি করে।
তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সংযোগের সবচেয়ে প্রতীকী ব্যক্তিত্ব। তাঁর সৃজনশীলতা, মানবতাবাদ ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির আদর্শ আজও দুই দেশের সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করছে।
অনুষ্ঠানে জ্যেষ্ঠ শিল্পী অধ্যাপক রফিকুন নবী ও মনিরুল ইসলাম আশা প্রকাশ করেন, ‘সম্প্রীতি’ প্রদর্শনী ভারত ও বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে ভবিষ্যতে আরও শিল্প ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকরা জানান, এই প্রদর্শনী দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও শিল্প-সহযোগিতার প্রতিফলন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষক অধ্যাপক সঞ্জয় চক্রবর্তী পুরো আর্ট ক্যাম্প ও প্রদর্শনীর কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।‘সম্প্রীতি’ প্রদর্শনীটি মূলত ১০ ও ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘সম্প্রীতি’ আর্ট ক্যাম্পের ধারাবাহিক আয়োজন। ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদের (আইসিসিআর) ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ওই আর্ট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে আইসিসিআর শিল্প, শিক্ষা, সংগীত, সাহিত্য ও একাডেমিক বিনিময়ের মাধ্যমে ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন গড়ে তুলছে।
অনুষ্ঠানে সম্প্রতি প্রয়াত বিশিষ্ট বাংলাদেশি শিল্পী ও আইসিসিআর স্কলার তরুণ ঘোষের প্রতিও শ্রদ্ধা জানানো হয়। তাঁর শিল্পঐতিহ্যের স্মরণে প্রদর্শনীতে তাঁর একটি শিল্পকর্ম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের অধ্যাপক শাহনাজ নাসরিন ইলার পরিবেশনায় রবীন্দ্রসংগীত অনুষ্ঠান প্রদর্শনীতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
প্রদর্শনীটি আগামী ৮ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত আইজিসিসিতে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
জেপিআই/এসআর

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে শুরু হয়েছে ১০ দিনব্যাপী বিশেষ শিল্পপ্রদর্শনী ‘সম্প্রীতি’।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে (আইজিসিসি) এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন ও সংযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতীকী ব্যক্তিত্ব হিসেবে অভিহিত করেন। দুই দেশের অভিন্ন শিল্প-ঐতিহ্যের প্রতিফলন হিসেবে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ৩৩ জন খ্যাতিমান শিল্পীর শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে।
দুই দিনব্যাপী একটি আর্ট ক্যাম্পে সৃষ্ট এসব শিল্পকর্মের মধ্যে রয়েছে শিল্পী রফিকুন নবী, মনিরুল ইসলাম, আব্দুস শাকুর, আব্দুস সাত্তার, ফরিদা জামান, রঞ্জিত দাস, জামাল আহমেদ, নাঈমা হকসহ আরও অনেক বিশিষ্ট শিল্পীর কাজ। অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের অনেকেই ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদের (আইসিসিআর) সাবেক স্কলার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন শিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি। শিল্প এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা সীমান্তের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের মধ্যে সংলাপ, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির ক্ষেত্র তৈরি করে।
তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সংযোগের সবচেয়ে প্রতীকী ব্যক্তিত্ব। তাঁর সৃজনশীলতা, মানবতাবাদ ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির আদর্শ আজও দুই দেশের সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করছে।
অনুষ্ঠানে জ্যেষ্ঠ শিল্পী অধ্যাপক রফিকুন নবী ও মনিরুল ইসলাম আশা প্রকাশ করেন, ‘সম্প্রীতি’ প্রদর্শনী ভারত ও বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে ভবিষ্যতে আরও শিল্প ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকরা জানান, এই প্রদর্শনী দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও শিল্প-সহযোগিতার প্রতিফলন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষক অধ্যাপক সঞ্জয় চক্রবর্তী পুরো আর্ট ক্যাম্প ও প্রদর্শনীর কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।‘সম্প্রীতি’ প্রদর্শনীটি মূলত ১০ ও ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘সম্প্রীতি’ আর্ট ক্যাম্পের ধারাবাহিক আয়োজন। ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদের (আইসিসিআর) ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ওই আর্ট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে আইসিসিআর শিল্প, শিক্ষা, সংগীত, সাহিত্য ও একাডেমিক বিনিময়ের মাধ্যমে ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন গড়ে তুলছে।
অনুষ্ঠানে সম্প্রতি প্রয়াত বিশিষ্ট বাংলাদেশি শিল্পী ও আইসিসিআর স্কলার তরুণ ঘোষের প্রতিও শ্রদ্ধা জানানো হয়। তাঁর শিল্পঐতিহ্যের স্মরণে প্রদর্শনীতে তাঁর একটি শিল্পকর্ম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের অধ্যাপক শাহনাজ নাসরিন ইলার পরিবেশনায় রবীন্দ্রসংগীত অনুষ্ঠান প্রদর্শনীতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
প্রদর্শনীটি আগামী ৮ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত আইজিসিসিতে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
জেপিআই/এসআর

শনিবার তেহরানে অনুষ্ঠিত ‘ইমাম খামেনেয়ী; প্রতিরোধের চিরন্তন নেতা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন পেজেশকিয়ান। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে পার্সটুডে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, খামেনির তিন ছেলে— মোস্তাফা, মেইসাম ও মাসউদ খামেনি তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে বাবার কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজার নামাজে অংশ নিচ্ছেন। তবে উত্তরসূরি মোজতবা খামেনির কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি।
১৭ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় মেয়াদের প্রায় অর্ধেক পথ পেরিয়ে আসার সময়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, তার ক্ষমতার ‘কোনো সীমা নেই’। এ মন্তব্যকে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল দর্শনের সম্পূর্ণ বিপরীত বলে মনে করছেন। প্রায় আড়াই শ বছর আগে ব্রিটিশ রাজতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করে যে রাষ্ট্রের জন
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রায় ৪০ মিনিটের ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস, সামরিক শক্তি ও নিজের প্রশাসনের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমেরিকান ড্রিম ফিরে এসেছে।’ তার দাবি, বর্তমানে সামরিক বাহিনী ও পুলিশে এত বেশি মানুষ যোগ দিতে আগ্রহী যে এসব পেশায় চাকরি পাওয়া এখন ‘কঠিন’ হয়ে গেছে।
২১ ঘণ্টা আগে