
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম ধাপে ভোট পড়েছে রেকর্ড ভোট, যা ছাড়িয়ে গেছে ৯১ শতাংশ। স্বাধীনতা-উত্তর ভারতের কোনো রাজ্যেই এর আগে কখনো বিধানসভা নির্বাচনে এত বেশি ভোট পড়েনি। ভোটারদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার।
এদিকে ভোটের পর সন্তুষ্টি জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আত্মবিশ্বাসী, প্রথম দফার এ ভোটে বিপুল ব্যবধানে জয় পাবে তার দল। অন্যদিকে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও জানিয়েছেন, তার দল ১২৫ আসনেই জয় তুলে নেবে। রাজ্যে মোট ১৫২টি আসনে ভোট হয়েছে।
আনন্দবাজার ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৭টা) শুরু হয় ভোটগ্রহণ। চলে একটানা সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ও উত্তেজনার খবর মিললেও মোটের ওপর ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানাচ্ছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার সবশেষ খবরে বলা হয়েছে, এ রাজ্যে ভোটের নতুন রেকর্ড হয়েছে, যার পরিমাণ ৯১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। তবে আনন্দবাজার বলছে ভোটের হার ৯২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন এখনো ভোটের পরিমাণ হালনাগাদ করছে বলে এ সংখ্যা চূড়ান্তভাবে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।
ভোটের চূড়ান্ত হিসাব যেটিই হোক, এটি যে স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নতুন রেকর্ড, তাতে সন্দেহ নেই। সিইসি জ্ঞানেশ কুমার বলেন, ভোটাররা রেকর্ড গড়েছেন। এত বেশি ভোট আগে কখনো পড়েনি। নির্বাচন কমিশন ভোটারদের কুর্নিশ জানায়।
পশ্চিমবঙ্গের এ ভোটের হার ভারতের ইতিহাসে যেকোনো রাজ্যের জন্য নতুন রেকর্ড। চলতি বছর বিধানসভা ভোটে আসামে ভোট পড়ে ৮৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। সেই দুই রাজ্যকে পেছনে ফেলল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট।
তবে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোটদান কত হবে, সেই হার নজির গড়বে কি না, তা জানা যাবে দ্বিতীয় দফার পরেই। আর পশ্চিমবঙ্গে এর আগে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১ সালে, ভোটের হার ছিল ৮৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
ভোটের হারে সন্তোষ জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনারা শুনলে খুশি হবেন, এবার প্রচুর ভোট পড়েছে। আসলে এত নাম বাদ গিয়েছে, তাই এবার কেউ রিস্ক নেননি। সকলে ভোট দিয়েছেন। এটা গুড সাইন। সকলে এসআইআর নিয়ে ভীত।
প্রথম দফার এ ভোটে জয়ের প্রত্যয় তুলে ধরে মমতা বলেন, যে অত্যাচার করছে, অনাচার করছে, বাংলা চুপ আছে মানে মাথানত করে না, ইলেকশন কাউন্টিংয়ে গড়বড় করবেই। হারতে পারে না তৃণমূল। আজকেই আমরা জিতে বসে আছি। এর পর আমরা দুরমুশ করব। দুরমুশ!
রাজ্যের বিরোধী দলীয় নেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীও একই রকম আত্মবিশ্বাসী ভোটে জেতার বিষয়ে। ভোট শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে তিনি বলেন, বিজেপি এ দফায় ১২৫ আসনের কমে পাবে না। তৃণমূলের সরকার চলে গেছে।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ভোট হয় দুই দফায়। প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোট হয়েছে। ২৯৪ আসনের এ বিধানসভার বাকি ১৪২টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায় আগামী ২৯ এপ্রিল। সব মিলিয়ে রাজ্য সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগার হলো ১৪৮ আসন। প্রথম দফায় যেকোনো দল শতাধিক আসন নিশিত করতে পারলে দ্বিতীয় দফায় নির্ভার হয়ে থাকতে পারবে ভোটের মাঠে।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের এ নির্বাচনে কয়েকটি জেলায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা ও মারামারির খবর মিলেছে। আনন্দবাজার বলছে, ভোটগ্রহণের শেষ দিকে উত্তেজনা ছড়ায় বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের সিউড়ি ২ ব্লকে। সেখানে তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় ২৮১ নম্বর বুথে বিজেপি একটি সহায়তাকেন্দ্র খুলেছিল। অভিযোগ উঠেছে, সেখানে হামলা করে তৃণমূল এবং ওই সহায়তাকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীর পোলিং এজেন্টের পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগও উঠেছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, বহরমপুরের পীরতলা (কান্তনগর) এলাকায় তাদের পোলিং এজেন্টের পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা হয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিকারীরাই এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।
হামলার অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোন অধীরও। তৃণমূলকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, ওদের টার্গেট শেষ বেলায় কিছু বুথ লুট করা। এমনিই ধীরে ভোট হচ্ছে, ফলে এখানে ভোটদানের হার কম। সকাল থেকে ধীরে ভোট করার পিছনে কী রহস্য, আমার জানা নেই। সব বুথে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখানে এখনো ৬০ শতাংশ পার করছে না। এত মানুষ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। এমন কিছু বুথকে ওরা শেষ বেলায় দখল করার চেষ্টা করছে। তাই পরিকল্পিতভাবে এজেন্টের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।
বীরভূমের খয়রাশোলেও উত্তেজনা ও বিক্ষোভ হয়েছে। আনন্দবাজারের খবর বলছে, সেখানে খয়রাশোল ব্লকের ৬৫ নম্বর বুথে ভোটারদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, ইভিএমে গোলমালের জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা সেখানে ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। তার জেরেই বিক্ষোভ এবং সেই বিক্ষোভ থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে ভোটারদের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। উত্তেজিত জনতার একাংশ বাহিনীর দিকে তেড়ে গিয়ে ইট ছু়ড়তে উদ্যত হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর কয়েকজন সদস্য। একজনের গাল থেকে রক্ত বের হতে দেখা গেছে। পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করে উত্তেজিত জনতা। পরিস্থিতি সামলাতে পিস্তলও বার করতে হয় পুলিশকে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম ধাপে ভোট পড়েছে রেকর্ড ভোট, যা ছাড়িয়ে গেছে ৯১ শতাংশ। স্বাধীনতা-উত্তর ভারতের কোনো রাজ্যেই এর আগে কখনো বিধানসভা নির্বাচনে এত বেশি ভোট পড়েনি। ভোটারদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার।
এদিকে ভোটের পর সন্তুষ্টি জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আত্মবিশ্বাসী, প্রথম দফার এ ভোটে বিপুল ব্যবধানে জয় পাবে তার দল। অন্যদিকে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও জানিয়েছেন, তার দল ১২৫ আসনেই জয় তুলে নেবে। রাজ্যে মোট ১৫২টি আসনে ভোট হয়েছে।
আনন্দবাজার ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৭টা) শুরু হয় ভোটগ্রহণ। চলে একটানা সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ও উত্তেজনার খবর মিললেও মোটের ওপর ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানাচ্ছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার সবশেষ খবরে বলা হয়েছে, এ রাজ্যে ভোটের নতুন রেকর্ড হয়েছে, যার পরিমাণ ৯১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। তবে আনন্দবাজার বলছে ভোটের হার ৯২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন এখনো ভোটের পরিমাণ হালনাগাদ করছে বলে এ সংখ্যা চূড়ান্তভাবে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।
ভোটের চূড়ান্ত হিসাব যেটিই হোক, এটি যে স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গের ভোটে নতুন রেকর্ড, তাতে সন্দেহ নেই। সিইসি জ্ঞানেশ কুমার বলেন, ভোটাররা রেকর্ড গড়েছেন। এত বেশি ভোট আগে কখনো পড়েনি। নির্বাচন কমিশন ভোটারদের কুর্নিশ জানায়।
পশ্চিমবঙ্গের এ ভোটের হার ভারতের ইতিহাসে যেকোনো রাজ্যের জন্য নতুন রেকর্ড। চলতি বছর বিধানসভা ভোটে আসামে ভোট পড়ে ৮৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। সেই দুই রাজ্যকে পেছনে ফেলল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট।
তবে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোটদান কত হবে, সেই হার নজির গড়বে কি না, তা জানা যাবে দ্বিতীয় দফার পরেই। আর পশ্চিমবঙ্গে এর আগে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১ সালে, ভোটের হার ছিল ৮৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
ভোটের হারে সন্তোষ জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনারা শুনলে খুশি হবেন, এবার প্রচুর ভোট পড়েছে। আসলে এত নাম বাদ গিয়েছে, তাই এবার কেউ রিস্ক নেননি। সকলে ভোট দিয়েছেন। এটা গুড সাইন। সকলে এসআইআর নিয়ে ভীত।
প্রথম দফার এ ভোটে জয়ের প্রত্যয় তুলে ধরে মমতা বলেন, যে অত্যাচার করছে, অনাচার করছে, বাংলা চুপ আছে মানে মাথানত করে না, ইলেকশন কাউন্টিংয়ে গড়বড় করবেই। হারতে পারে না তৃণমূল। আজকেই আমরা জিতে বসে আছি। এর পর আমরা দুরমুশ করব। দুরমুশ!
রাজ্যের বিরোধী দলীয় নেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীও একই রকম আত্মবিশ্বাসী ভোটে জেতার বিষয়ে। ভোট শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে তিনি বলেন, বিজেপি এ দফায় ১২৫ আসনের কমে পাবে না। তৃণমূলের সরকার চলে গেছে।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ভোট হয় দুই দফায়। প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোট হয়েছে। ২৯৪ আসনের এ বিধানসভার বাকি ১৪২টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায় আগামী ২৯ এপ্রিল। সব মিলিয়ে রাজ্য সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগার হলো ১৪৮ আসন। প্রথম দফায় যেকোনো দল শতাধিক আসন নিশিত করতে পারলে দ্বিতীয় দফায় নির্ভার হয়ে থাকতে পারবে ভোটের মাঠে।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের এ নির্বাচনে কয়েকটি জেলায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা ও মারামারির খবর মিলেছে। আনন্দবাজার বলছে, ভোটগ্রহণের শেষ দিকে উত্তেজনা ছড়ায় বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের সিউড়ি ২ ব্লকে। সেখানে তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় ২৮১ নম্বর বুথে বিজেপি একটি সহায়তাকেন্দ্র খুলেছিল। অভিযোগ উঠেছে, সেখানে হামলা করে তৃণমূল এবং ওই সহায়তাকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীর পোলিং এজেন্টের পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগও উঠেছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, বহরমপুরের পীরতলা (কান্তনগর) এলাকায় তাদের পোলিং এজেন্টের পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা হয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিকারীরাই এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।
হামলার অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোন অধীরও। তৃণমূলকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, ওদের টার্গেট শেষ বেলায় কিছু বুথ লুট করা। এমনিই ধীরে ভোট হচ্ছে, ফলে এখানে ভোটদানের হার কম। সকাল থেকে ধীরে ভোট করার পিছনে কী রহস্য, আমার জানা নেই। সব বুথে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখানে এখনো ৬০ শতাংশ পার করছে না। এত মানুষ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। এমন কিছু বুথকে ওরা শেষ বেলায় দখল করার চেষ্টা করছে। তাই পরিকল্পিতভাবে এজেন্টের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।
বীরভূমের খয়রাশোলেও উত্তেজনা ও বিক্ষোভ হয়েছে। আনন্দবাজারের খবর বলছে, সেখানে খয়রাশোল ব্লকের ৬৫ নম্বর বুথে ভোটারদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, ইভিএমে গোলমালের জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা সেখানে ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। তার জেরেই বিক্ষোভ এবং সেই বিক্ষোভ থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে ভোটারদের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। উত্তেজিত জনতার একাংশ বাহিনীর দিকে তেড়ে গিয়ে ইট ছু়ড়তে উদ্যত হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর কয়েকজন সদস্য। একজনের গাল থেকে রক্ত বের হতে দেখা গেছে। পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করে উত্তেজিত জনতা। পরিস্থিতি সামলাতে পিস্তলও বার করতে হয় পুলিশকে।

এবার যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনীমন্ত্রী জন ফেলান তার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন তার সরে দাঁড়ানোর খবর দিলেও একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান বলছে, তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
লড়াইয়ের বদলে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এখন মূলত "অবরোধ যুদ্ধ" চলছে, যেখানে দুই পক্ষই বাণিজ্যিক জাহাজ আটক ও জব্দে শক্তি প্রয়োগ করছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ মিলে প্রায় পাঁচ লাখ কর্মী প্রথম দফার ভোটের কাজে নিযুক্ত হয়েছেন, যাকে বলা হচ্ছ ‘যুদ্ধপ্রস্তুতি’।
১৫ ঘণ্টা আগে
নেপালের সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, বুধবার (২২ এপ্রিল) পদত্যাগ করেছেন সুদান গুরুং। এটি বালেন্দ্র শাহের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রীর পদত্যাগ। এর আগে ৯ এপ্রিল শ্রম, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তামন্ত্রী দীপক কুমার সাহকে বরখাস্ত করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র।
১৬ ঘণ্টা আগে