
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১১১ জন নিহত ও ৮৭ জন আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের তীব্রতায় দেশটির বিভিন্ন শহরে অন্তত ৬১টি ভবন ধসে পড়েছে এবং বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দ্য গার্ডিয়ান ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সোমবার (১০ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের চোকো বিভাগের সান হোসে দেল পালমার এলাকার কাছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ১০৭ কিলোমিটার। রাজধানী বোগোতাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। প্রতিবেশী ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা ও পানামাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কলম্বিয়ার কফি উৎপাদনকারী অঞ্চল রিসারালদা। স্থানীয় গভর্নরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই বিভাগেই অন্তত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রিসারালদার প্রধান শহর পেরেইরায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে শহরটিতে ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে বিভাগের অন্যান্য এলাকায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে থাকে। আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে পেরেইরার একাধিক হাসপাতালও চাপের মুখে পড়ে।
ভাল্যে দেল কাউকা বিভাগেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেখানে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অন্তত তিনজন শিশু।
দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালি, মানিজালেস এবং চোকো বিভাগের বিভিন্ন এলাকাতেও ভবন ধসে পড়া ও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। মানিজালেসে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। শহরটির ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালের একটি টাওয়ারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ধসে পড়েছে।
ভূমিকম্পের পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করা। চোকো ও অন্যান্য দুর্গম এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে উদ্ধারকাজ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, চোকো কলম্বিয়ার অপেক্ষাকৃত দরিদ্র ও দুর্গম অঞ্চলগুলোর একটি। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি হওয়ায় ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আঞ্চলিক রাজধানী কুইবদোতেও ভবন ও অন্যান্য অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
কালী ও পেরেইরার মতো বড় শহরেও বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ভবন থেকে মানুষকে বেরিয়ে আসতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আতঙ্কিত মানুষের ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।
কর্তৃপক্ষ ভূমিকম্প-পরবর্তী আফটারশকের আশঙ্কায় বাসিন্দাদের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে না ঢোকার পরামর্শ দিয়েছে।

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র কয়েক দিন পরই এটি তার সরকারের প্রথম বড় জাতীয় সংকট। ভূমিকম্পের ভয়াবহতার পর তিনি জাতীয় দুর্যোগ পরিস্থিতি ঘোষণা করেছেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে দ্রুত জরুরি তহবিল ছাড় ও ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ পাঠানোর পথ সহজ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট বলেন, সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের জীবিত উদ্ধার করা। সরকার মানুষের জীবন রক্ষা, ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা ও যেখানে প্রয়োজন সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দিতে রাষ্ট্রের সব সক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট বোগোতায় জরুরি বৈঠক করেন এবং জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার সংকটকেন্দ্র থেকে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়ের নির্দেশ দেন। পরে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরাসরি উদ্ধার তৎপরতা তদারকের উদ্যোগ নেন।
ভূমিকম্পে পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুইবদো, মানিজালেস ও আর্মেনিয়াসহ কয়েকটি বিমানবন্দরে অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে বিমান চলাচল বন্ধ বা সীমিত করা হয়। ফলে দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকারী দল, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়াও জটিল হয়ে পড়ে।
কর্তৃপক্ষ একই সঙ্গে সড়ক ও অন্যান্য যোগাযোগ অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করছে। দুর্গম চোকো অঞ্চলে উদ্ধারকাজ দ্রুত করতে বিশেষ ব্যবস্থার প্রয়োজন হচ্ছে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র চোকোর অপেক্ষাকৃত জনবিরল এলাকায় হলেও এর গভীরতা ও শক্তির কারণে কম্পন বহু দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরের রাজধানী বোগোতাতেও কম্পন অনুভূত হয়। দেশের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের কালী, পেরেইরা, মানিজালেস ও কুইবদোর মতো শহরগুলোতে মানুষ ঘরবাড়ি ও ভবন থেকে বেরিয়ে আসে।
প্রতিবেশী ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা ও পানামাতেও কম্পন অনুভূত হলেও সেখানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়াকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে কয়েকটি দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ওয়াশিংটন কলম্বিয়ায় আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্প পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশটির জনগণকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাম, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট দানিয়েল নোবোয়া এবং ইসরায়েলও সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে।
৭.৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পকে গত এক দশকে কলম্বিয়ায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। তবে দেশটির ইতিহাসে এর চেয়েও ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছে। ১৯৯৯ সালে কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়। সেই দুর্যোগে পেরেইরা ও আর্মেনিয়াসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
এবারের ভূমিকম্পও একই কফি অঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে আঘাত করেছে। ফলে পুরোনো ভবন, দুর্বল অবকাঠামো এবং দুর্গম এলাকায় উদ্ধার সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পরও বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছিল। কোথাও কোথাও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ভেতর মানুষ আটকে থাকার খবর পাওয়ায় উদ্ধারকারী দলগুলো সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালাচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনও পাওয়া যায়নি। প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর পর হতাহতের সংখ্যা ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির আরও সঠিক হিসাব পাওয়া যাবে। এরই মধ্যে ১১১ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হলেও ধ্বংসস্তূপে এখনো মানুষ আটকে থাকায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১১১ জন নিহত ও ৮৭ জন আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের তীব্রতায় দেশটির বিভিন্ন শহরে অন্তত ৬১টি ভবন ধসে পড়েছে এবং বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দ্য গার্ডিয়ান ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সোমবার (১০ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের চোকো বিভাগের সান হোসে দেল পালমার এলাকার কাছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ১০৭ কিলোমিটার। রাজধানী বোগোতাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। প্রতিবেশী ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা ও পানামাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কলম্বিয়ার কফি উৎপাদনকারী অঞ্চল রিসারালদা। স্থানীয় গভর্নরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই বিভাগেই অন্তত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রিসারালদার প্রধান শহর পেরেইরায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে শহরটিতে ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে বিভাগের অন্যান্য এলাকায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে থাকে। আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে পেরেইরার একাধিক হাসপাতালও চাপের মুখে পড়ে।
ভাল্যে দেল কাউকা বিভাগেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেখানে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অন্তত তিনজন শিশু।
দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালি, মানিজালেস এবং চোকো বিভাগের বিভিন্ন এলাকাতেও ভবন ধসে পড়া ও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। মানিজালেসে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। শহরটির ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালের একটি টাওয়ারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ধসে পড়েছে।
ভূমিকম্পের পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করা। চোকো ও অন্যান্য দুর্গম এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে উদ্ধারকাজ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, চোকো কলম্বিয়ার অপেক্ষাকৃত দরিদ্র ও দুর্গম অঞ্চলগুলোর একটি। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি হওয়ায় ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আঞ্চলিক রাজধানী কুইবদোতেও ভবন ও অন্যান্য অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
কালী ও পেরেইরার মতো বড় শহরেও বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ভবন থেকে মানুষকে বেরিয়ে আসতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আতঙ্কিত মানুষের ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।
কর্তৃপক্ষ ভূমিকম্প-পরবর্তী আফটারশকের আশঙ্কায় বাসিন্দাদের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে না ঢোকার পরামর্শ দিয়েছে।

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র কয়েক দিন পরই এটি তার সরকারের প্রথম বড় জাতীয় সংকট। ভূমিকম্পের ভয়াবহতার পর তিনি জাতীয় দুর্যোগ পরিস্থিতি ঘোষণা করেছেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে দ্রুত জরুরি তহবিল ছাড় ও ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ পাঠানোর পথ সহজ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট বলেন, সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের জীবিত উদ্ধার করা। সরকার মানুষের জীবন রক্ষা, ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা ও যেখানে প্রয়োজন সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দিতে রাষ্ট্রের সব সক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট বোগোতায় জরুরি বৈঠক করেন এবং জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার সংকটকেন্দ্র থেকে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়ের নির্দেশ দেন। পরে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরাসরি উদ্ধার তৎপরতা তদারকের উদ্যোগ নেন।
ভূমিকম্পে পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুইবদো, মানিজালেস ও আর্মেনিয়াসহ কয়েকটি বিমানবন্দরে অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে বিমান চলাচল বন্ধ বা সীমিত করা হয়। ফলে দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকারী দল, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়াও জটিল হয়ে পড়ে।
কর্তৃপক্ষ একই সঙ্গে সড়ক ও অন্যান্য যোগাযোগ অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করছে। দুর্গম চোকো অঞ্চলে উদ্ধারকাজ দ্রুত করতে বিশেষ ব্যবস্থার প্রয়োজন হচ্ছে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র চোকোর অপেক্ষাকৃত জনবিরল এলাকায় হলেও এর গভীরতা ও শক্তির কারণে কম্পন বহু দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরের রাজধানী বোগোতাতেও কম্পন অনুভূত হয়। দেশের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের কালী, পেরেইরা, মানিজালেস ও কুইবদোর মতো শহরগুলোতে মানুষ ঘরবাড়ি ও ভবন থেকে বেরিয়ে আসে।
প্রতিবেশী ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা ও পানামাতেও কম্পন অনুভূত হলেও সেখানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়াকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে কয়েকটি দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ওয়াশিংটন কলম্বিয়ায় আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্প পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশটির জনগণকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাম, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট দানিয়েল নোবোয়া এবং ইসরায়েলও সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে।
৭.৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পকে গত এক দশকে কলম্বিয়ায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। তবে দেশটির ইতিহাসে এর চেয়েও ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছে। ১৯৯৯ সালে কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়। সেই দুর্যোগে পেরেইরা ও আর্মেনিয়াসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
এবারের ভূমিকম্পও একই কফি অঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে আঘাত করেছে। ফলে পুরোনো ভবন, দুর্বল অবকাঠামো এবং দুর্গম এলাকায় উদ্ধার সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পরও বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছিল। কোথাও কোথাও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ভেতর মানুষ আটকে থাকার খবর পাওয়ায় উদ্ধারকারী দলগুলো সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালাচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনও পাওয়া যায়নি। প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর পর হতাহতের সংখ্যা ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির আরও সঠিক হিসাব পাওয়া যাবে। এরই মধ্যে ১১১ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হলেও ধ্বংসস্তূপে এখনো মানুষ আটকে থাকায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনো ইরানকে হুমকি দেওয়া চলবে না। ইরান ও অঞ্চলটিতে তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে ওয়াশিংটনকে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির
২ দিন আগে
দাবানল নিয়ন্ত্রণ অভিযানের উপ-প্রধান টাইলার হেক্ট জানান, দুর্ঘটনার পর কর্মীরা কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পরবর্তীতে পুনরায় কাজ শুরু হয়। তিনি বলেন, “এই দুর্ঘটনা আমাদের কাজের পদ্ধতি বদলে দেবে না। আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাব এবং মাটিতে থাকা দমকলকর্মীদের সহায়তায় বিমান
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেয়র এদুয়ার্দো নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির (এএনএসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আকাশে চলাচলকারী সকল হেলিকপ্টারের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত কর
২ দিন আগে
নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
২ দিন আগে