
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে ও অসদাচরণের তদন্তের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের মন্ত্রিসভার সদস্য পিটার ম্যান্ডেলসনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।
কয়েক দশক ধরে যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই রাজনীতিককে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ জানিয়েছে, ৭২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে ‘সরকারি দায়িত্বে থাকাকালে অসদাচরণের সন্দেহে’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী তারা সরাসরি ম্যান্ডেলসনের নাম উল্লেখ করেনি। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লন্ডনের একটি পুলিশ স্টেশনে নেওয়া হয়।
যুক্তরাজ্যের একটি প্রভাবশালী সংবাদপত্রে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, খাকি প্যান্ট, ধূসর সোয়েটার ও গাঢ় রঙের জ্যাকেট পরা ম্যান্ডেলসনকে সাদা পোশাকের এক পুলিশ সদস্য গাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।
পরবর্তীতে মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, তদন্তে সহযোগিতার শর্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে বিবিসির খবরে বলা হয়, গ্রিনিচ মান সময় রাত ২টার দিকে ম্যান্ডেলসনকে তার লন্ডনের বাসায় ফিরে যেতে দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক ঘিরে এর আগেও ম্যান্ডেলসনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর গত বছর তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে সরিয়ে দেয় ব্রিটিশ সরকার। তবে তিনি এখনো ‘লর্ড’ উপাধি বহাল রেখেছেন।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এপস্টেইন সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি প্রকাশ করে। এরপর নতুন করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন ম্যান্ডেলসন। প্রকাশিত নথির বিভিন্ন ইমেইলে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে ম্যান্ডেলসন ও এপস্টেইনের মধ্যে বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ম্যান্ডেলসন বর্তমান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন। একই সঙ্গে তিনি পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের সদস্য পদও ছেড়ে দেন। এর আগে ম্যান্ডেলসন এপস্টেইনের সঙ্গে অতীতের সম্পর্কের জন্য প্রকাশ্যে ‘গভীর অনুতপ্ত’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
ম্যান্ডেলসনের এই গ্রেপ্তার ব্রিটেনের রাজপরিবারের সদস্য অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর (প্রিন্স অ্যান্ড্রু) গ্রেপ্তারের এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে ঘটল। অ্যান্ড্রুকেও এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে একই ধরনের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।
জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের ছোট ভাই অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। নিজের ৬৬তম জন্মদিনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আধুনিক ইতিহাসে এটিই প্রথম ব্রিটিশ রাজপরিবারের কোনো জ্যেষ্ঠ সদস্যের গ্রেপ্তারের ঘটনা ছিল। ইংল্যান্ডের নরফোকের একটি পুলিশ স্টেশনে দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সেদিন রাতেই অ্যান্ড্রুকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
২০১১ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছিলেন অ্যান্ড্রু। তখন তিনি ‘ডিউক অব ইয়র্ক’ পদে ছিলেন। ব্রিটিশ সরকার এখন সাবেক এই প্রিন্সকে রাজপরিবারের উত্তরাধিকার থেকে বাদ দেওয়ার জন্য আইন প্রণয়নের কথা ভাবছে। যদিও অ্যান্ড্রু তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এপস্টেইন কেলেঙ্কারির এই রেশ এখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপরও চাপ সৃষ্টি করছে। কিছু মহল থেকে তার পদত্যাগেরও দাবি উঠেছে। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদক জোনাহ হাল বলেন, ‘এটি স্টারমারের বর্তমান অবস্থানে আরও রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি ও নাটকীয়তা যোগ করবে। মনে হচ্ছে, এপস্টিন কেলেঙ্কারির প্রভাব আটলান্টিকের অপর পারের (যুক্তরাষ্ট্র) চেয়ে এখানে (যুক্তরাজ্য) বেশি তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে।’

মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে ও অসদাচরণের তদন্তের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের মন্ত্রিসভার সদস্য পিটার ম্যান্ডেলসনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।
কয়েক দশক ধরে যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই রাজনীতিককে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ জানিয়েছে, ৭২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে ‘সরকারি দায়িত্বে থাকাকালে অসদাচরণের সন্দেহে’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী তারা সরাসরি ম্যান্ডেলসনের নাম উল্লেখ করেনি। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লন্ডনের একটি পুলিশ স্টেশনে নেওয়া হয়।
যুক্তরাজ্যের একটি প্রভাবশালী সংবাদপত্রে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, খাকি প্যান্ট, ধূসর সোয়েটার ও গাঢ় রঙের জ্যাকেট পরা ম্যান্ডেলসনকে সাদা পোশাকের এক পুলিশ সদস্য গাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।
পরবর্তীতে মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, তদন্তে সহযোগিতার শর্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে বিবিসির খবরে বলা হয়, গ্রিনিচ মান সময় রাত ২টার দিকে ম্যান্ডেলসনকে তার লন্ডনের বাসায় ফিরে যেতে দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক ঘিরে এর আগেও ম্যান্ডেলসনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর গত বছর তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে সরিয়ে দেয় ব্রিটিশ সরকার। তবে তিনি এখনো ‘লর্ড’ উপাধি বহাল রেখেছেন।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এপস্টেইন সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি প্রকাশ করে। এরপর নতুন করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন ম্যান্ডেলসন। প্রকাশিত নথির বিভিন্ন ইমেইলে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে ম্যান্ডেলসন ও এপস্টেইনের মধ্যে বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ম্যান্ডেলসন বর্তমান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন। একই সঙ্গে তিনি পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের সদস্য পদও ছেড়ে দেন। এর আগে ম্যান্ডেলসন এপস্টেইনের সঙ্গে অতীতের সম্পর্কের জন্য প্রকাশ্যে ‘গভীর অনুতপ্ত’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
ম্যান্ডেলসনের এই গ্রেপ্তার ব্রিটেনের রাজপরিবারের সদস্য অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর (প্রিন্স অ্যান্ড্রু) গ্রেপ্তারের এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে ঘটল। অ্যান্ড্রুকেও এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে একই ধরনের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।
জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের ছোট ভাই অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। নিজের ৬৬তম জন্মদিনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আধুনিক ইতিহাসে এটিই প্রথম ব্রিটিশ রাজপরিবারের কোনো জ্যেষ্ঠ সদস্যের গ্রেপ্তারের ঘটনা ছিল। ইংল্যান্ডের নরফোকের একটি পুলিশ স্টেশনে দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সেদিন রাতেই অ্যান্ড্রুকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
২০১১ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছিলেন অ্যান্ড্রু। তখন তিনি ‘ডিউক অব ইয়র্ক’ পদে ছিলেন। ব্রিটিশ সরকার এখন সাবেক এই প্রিন্সকে রাজপরিবারের উত্তরাধিকার থেকে বাদ দেওয়ার জন্য আইন প্রণয়নের কথা ভাবছে। যদিও অ্যান্ড্রু তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এপস্টেইন কেলেঙ্কারির এই রেশ এখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপরও চাপ সৃষ্টি করছে। কিছু মহল থেকে তার পদত্যাগেরও দাবি উঠেছে। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদক জোনাহ হাল বলেন, ‘এটি স্টারমারের বর্তমান অবস্থানে আরও রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি ও নাটকীয়তা যোগ করবে। মনে হচ্ছে, এপস্টিন কেলেঙ্কারির প্রভাব আটলান্টিকের অপর পারের (যুক্তরাষ্ট্র) চেয়ে এখানে (যুক্তরাজ্য) বেশি তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে।’

গত দুই বছর ধরে কিশতওয়ার এলাকায় সক্রিয় থাকা সাইফুল্লাহ অন্তত ২০ বার অভিযানের মুখে নিরাপত্তা বাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল পাঁচ লাখ টাকা। এবার নিরাপত্তা বাহিনীর ২১ বারের চেষ্টায় তিনি এনকাউন্টারে নিহত হলেন।
১ দিন আগে
পাম বিচে অবস্থিত বাসভবনটি মূলত ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্র। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন ওই শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি সেখানকার ফটকের আশপাশে সন্দেহজনভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। তাকে থামিয়ে তল্লাশি করা হলে তার হাতে একটি শটগান ও জ্বালানির ক্যান পাওয়া যায়।
১ দিন আগে
গত বছর ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ককে 'ক্ষমতার অপব্যবহার' আখ্যা দিয়ে আদালত তা বাতিল করলেও, দমে না গিয়ে নতুন করে এই বর্ধিত শুল্ক আরোপ করলেন তিনি।
২ দিন আগে