
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ এক পাইলটকে খুঁজে বের করতে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ওই পাইলটকে উদ্ধার করতে একদিকে যেমন মরিয়া হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে তাকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় বন্দি করতে বিশাল পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে ইরান। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, নিখোঁজ এই পাইলট ইরানের হাতে ধরা পড়লে চলমান যুদ্ধের মোড় সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।
নিখোঁজ পাইলটের সন্ধান পেতে দুই পক্ষই মরিয়া হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ওই নিখোঁজ ক্রু সদস্যের ভাগ্যে ঠিক কী ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে অন্য একজন ক্রুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে। নিখোঁজ ওই পাইলটকে খুঁজতে মার্কিন বাহিনী যেমন জোর তৎপরতা চালাচ্ছে, তেমনি ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীও সমানতালে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।
নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে জীবিত অবস্থায় আটক করতে পারলে বড় পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। অন্যদিকে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় মার্কিন দলগুলো প্রবল গুলিবর্ষণের মুখে পড়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারা দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে একটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে উড্ডয়নরত এফ-১৫ এবং অন্যটি ওই বিমানের ক্রুদের উদ্ধারে পাঠানো হয়েছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম বিধ্বস্ত বিমানের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের সময় হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি এ-১০ যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সে সময় পাইলট ইজেক্ট করতে সক্ষম হন এবং তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ওই ক্রু সদস্যের সন্ধানে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে মার্কিন বাহিনী।

ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ এক পাইলটকে খুঁজে বের করতে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ওই পাইলটকে উদ্ধার করতে একদিকে যেমন মরিয়া হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে তাকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় বন্দি করতে বিশাল পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে ইরান। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, নিখোঁজ এই পাইলট ইরানের হাতে ধরা পড়লে চলমান যুদ্ধের মোড় সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।
নিখোঁজ পাইলটের সন্ধান পেতে দুই পক্ষই মরিয়া হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ওই নিখোঁজ ক্রু সদস্যের ভাগ্যে ঠিক কী ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে অন্য একজন ক্রুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে। নিখোঁজ ওই পাইলটকে খুঁজতে মার্কিন বাহিনী যেমন জোর তৎপরতা চালাচ্ছে, তেমনি ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীও সমানতালে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।
নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে জীবিত অবস্থায় আটক করতে পারলে বড় পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। অন্যদিকে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় মার্কিন দলগুলো প্রবল গুলিবর্ষণের মুখে পড়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারা দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে একটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে উড্ডয়নরত এফ-১৫ এবং অন্যটি ওই বিমানের ক্রুদের উদ্ধারে পাঠানো হয়েছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম বিধ্বস্ত বিমানের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের সময় হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি এ-১০ যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সে সময় পাইলট ইজেক্ট করতে সক্ষম হন এবং তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ওই ক্রু সদস্যের সন্ধানে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে মার্কিন বাহিনী।

নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১ দিন আগে
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
২ দিন আগে