
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলার জবাবে শুক্রবার মধ্যরাতে ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে জাহাজে ইরানের হামলাকে 'অযৌক্তিক আগ্রাসন' বলে উল্লেখ করেছে তারা। নতুন করে এ হামলার ঘটনায় সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিচুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধবিমান ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, কৌশলগত এ জলপথের তীরবর্তী শহর সিরিকের একটি জেটিঘাটার আশপাশে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
এদিকে ইসরায়েল ও লেবানন ইসরায়েল এবং ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসানে একটি চুক্তি সই করেছে। উভয় পক্ষই এ চুক্তিকে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছে। এতে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ এবং লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। তবে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা এ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে না।
উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের সতর্কবার্তা
তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকবে। বৃহস্পতিবার ওমান উপকূলের কাছে চলাচলরত একটি কার্গো জাহাজে হামলার পর উপসাগরীয় দেশগুলোকে ওয়াশিংটনের পক্ষ না নিতে সতর্ক করেছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করে বলেন, এটি গত সপ্তাহের চুক্তির লঙ্ঘন।
এদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজের কাছ থেকে টোল আদায়ের ইরানের দাবির বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ছয়টি উপসাগরীয় দেশ যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। ওই বিবৃতিকে 'হস্তক্ষেপমূলক, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও উসকানিমূলক' বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তেহরান।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, 'উপকূলীয় রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের ভূমিকা উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। অস্পষ্ট কোনো ব্যবস্থা, বিকল্প পথ বা অন্য কোনো সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সেটি করা যাবে না।'
ব্লুমবার্গ নিউজ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির অপর পাশে অবস্থিত ওমান তাদের মিত্রদের জানিয়েছে, এ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে টোল দিতে হতে পারে। তবে রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে 'অননুমোদিতভাবে' অতিক্রমের চেষ্টা করা তিনটি বিদেশি তেলবাহী জাহাজকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সতর্কবার্তা দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে তারা আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত খবরগুলো যাচাই করে দেখছে ওয়াশিংটন।
কমেছে তেলের দাম
শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। ফলে সপ্তাহ জুড়ে বড় ধরনের দরপতনের পথে রয়েছে বাজার। যদিও গত সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তী চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন ব্যাখ্যা এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা বহাল রয়েছে। বিশ্বের মোট তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ সাধারণত এই প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হয়।
জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় চার মাস বন্ধ থাকার পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলবন্দর উপসাগরীয় অঞ্চলের রাস তানুরা টার্মিনাল থেকে আবারও অপরিশোধিত তেল রপ্তানি শুরু করেছে সৌদি আরামকো।
এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার পরিবহনও বেড়েছে। এতে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।
অন্তর্বর্তী চুক্তি নিয়ে আঞ্চলিক মিত্রদের আশ্বস্ত করতে উপসাগরীয় দেশগুলো সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। এতে হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের টোল বা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা ছাড়াই 'অবাধ, নিঃশর্ত এবং বাধাহীন নৌ চলাচল' নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, হরমুজ প্রণালির শাসনব্যবস্থা ইরান ও ওমানের অধীনেই থাকা উচিত। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শীর্ষ উপদেষ্টা আলি আকবর ভেলায়াতি ওয়াশিংটনের উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করে বলেছেন, তাদের টিকে থাকা তেহরানের সহনশীলতার ওপর নির্ভরশীল।

হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলার জবাবে শুক্রবার মধ্যরাতে ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে জাহাজে ইরানের হামলাকে 'অযৌক্তিক আগ্রাসন' বলে উল্লেখ করেছে তারা। নতুন করে এ হামলার ঘটনায় সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন শান্তিচুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধবিমান ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, কৌশলগত এ জলপথের তীরবর্তী শহর সিরিকের একটি জেটিঘাটার আশপাশে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
এদিকে ইসরায়েল ও লেবানন ইসরায়েল এবং ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসানে একটি চুক্তি সই করেছে। উভয় পক্ষই এ চুক্তিকে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছে। এতে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ এবং লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। তবে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা এ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে না।
উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের সতর্কবার্তা
তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকবে। বৃহস্পতিবার ওমান উপকূলের কাছে চলাচলরত একটি কার্গো জাহাজে হামলার পর উপসাগরীয় দেশগুলোকে ওয়াশিংটনের পক্ষ না নিতে সতর্ক করেছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করে বলেন, এটি গত সপ্তাহের চুক্তির লঙ্ঘন।
এদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজের কাছ থেকে টোল আদায়ের ইরানের দাবির বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ছয়টি উপসাগরীয় দেশ যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। ওই বিবৃতিকে 'হস্তক্ষেপমূলক, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও উসকানিমূলক' বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তেহরান।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, 'উপকূলীয় রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের ভূমিকা উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। অস্পষ্ট কোনো ব্যবস্থা, বিকল্প পথ বা অন্য কোনো সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সেটি করা যাবে না।'
ব্লুমবার্গ নিউজ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির অপর পাশে অবস্থিত ওমান তাদের মিত্রদের জানিয়েছে, এ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে টোল দিতে হতে পারে। তবে রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে 'অননুমোদিতভাবে' অতিক্রমের চেষ্টা করা তিনটি বিদেশি তেলবাহী জাহাজকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সতর্কবার্তা দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে তারা আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত খবরগুলো যাচাই করে দেখছে ওয়াশিংটন।
কমেছে তেলের দাম
শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। ফলে সপ্তাহ জুড়ে বড় ধরনের দরপতনের পথে রয়েছে বাজার। যদিও গত সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তী চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন ব্যাখ্যা এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা বহাল রয়েছে। বিশ্বের মোট তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ সাধারণত এই প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হয়।
জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় চার মাস বন্ধ থাকার পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলবন্দর উপসাগরীয় অঞ্চলের রাস তানুরা টার্মিনাল থেকে আবারও অপরিশোধিত তেল রপ্তানি শুরু করেছে সৌদি আরামকো।
এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার পরিবহনও বেড়েছে। এতে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।
অন্তর্বর্তী চুক্তি নিয়ে আঞ্চলিক মিত্রদের আশ্বস্ত করতে উপসাগরীয় দেশগুলো সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। এতে হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের টোল বা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা ছাড়াই 'অবাধ, নিঃশর্ত এবং বাধাহীন নৌ চলাচল' নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, হরমুজ প্রণালির শাসনব্যবস্থা ইরান ও ওমানের অধীনেই থাকা উচিত। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শীর্ষ উপদেষ্টা আলি আকবর ভেলায়াতি ওয়াশিংটনের উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করে বলেছেন, তাদের টিকে থাকা তেহরানের সহনশীলতার ওপর নির্ভরশীল।

ভূ-কম্পনের ৪০ ঘণ্টা পেরিয়ে পেলেও এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে অসংখ্য মানুষ। তাদের উদ্ধারে দিন-রাত এক করে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন বাহিনী। ভেনেজুয়েলা ছাড়াও, উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কলম্বিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কর্মীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে গত এক সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বক্তব্যে ইরান ও ইসরায়েলকে ঘিরে ভিন্ন সুর শোনা গেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
সরকার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের তথ্য সংগ্রহে চালু করা একটি ওয়েবসাইটে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি মানুষের নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে। ফলে চলমান বিপর্যয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুক্ত হওয়া তাদের ১৬০ জন সেনার সবাই ২০২২ সাল থেকে রাশিয়ার কাছে বন্দি ছিলেন। তারা ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী, ন্যাশনাল গার্ড, স্টেট বর্ডার গার্ড সার্ভিস এবং স্টেট স্পেশাল ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের সদস্য। এই যোদ্ধারা মারিউপোল, আজভস্তাল, দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খারকিভ, জাপোরিঝিয়া,
১৭ ঘণ্টা আগে