
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন অবকাঠামোগত হামলার হুমকির পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, ইরান যদি তেল বিক্রি করতে না পারে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। এমনকি ইরানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে পুরো অঞ্চলের কোনো অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
বুধবার (২২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এখন ‘সব অথবা কিছুই নয়’ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তিনি বলেন, ‘যে অঞ্চলে আমরা তেল বিক্রি করতে পারি না, সেখানে অন্য কেউও তেল বিক্রি করতে পারবে না।’
গালিবাফ আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব। ইরান বহুবার জানিয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধের আগের অবস্থায় হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আর ফিরে যাবে না।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের অবকাঠামোর ওপর যেকোনো হামলার জবাবে ‘শক্তিশালী ও চূড়ান্ত’ প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। পাশাপাশি এমন হামলায় যে দেশগুলো যেকোনো ধরনের সহায়তা করবে, তাদেরও বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি বলেন, ইরানের প্রতিরক্ষা নীতি ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসন, আমাদের অবকাঠামোর ওপর হামলাসহ, শক্তিশালী ও চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া ডেকে আনবে।’
এর আগে এক ইরানি সামরিক সূত্র সতর্ক করে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায়, তাহলে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষ করে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালাবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ জড়িত রয়েছে।
আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থাকে ওই সূত্র জানায়, হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ইরান ‘ইস্পাত কঠিন সংকল্প’ নিয়ে এগোচ্ছে এবং এই জলপথকে আর কখনো দেশের বিরুদ্ধে হুমকির উৎস হতে দেবে না।
সূত্রটি আরও দাবি করে, জাহাজগুলো যদি ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং তেহরানের নির্ধারিত ব্যবস্থাপনা মেনে চলে, তাহলে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিরাপদ থাকবে। অন্যথায়, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান কৌশলগত এই জলপথের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখবে।
ওই সামরিক সূত্রের দাবি, গত ১০ দিনে যুক্তরাষ্ট্র বুঝে গেছে যে ইরান চাইলে যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন কোনো ‘ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ’ আগের মতোই ব্যর্থ হবে বলেও মন্তব্য করে তারা।
এর আগে বুধবার ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে হুঁশিয়ারি দেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যদি ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন বা অন্য কোনো অস্ত্র দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবারই তেহরানের ভেতরে বা রাজধানীর আশপাশে থাকা একটি সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করবে।
ট্রাম্প লেখেন, ‘এখন থেকে হরমুজ প্রণালিতে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যখনই কোনো জাহাজে হামলা চালাবে, যুক্তরাষ্ট্র একটি সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে বোমা হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করবে।’
এদিকে তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪৮ মিনিটে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর একটি দ্বীপে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হামলার স্থান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ক্ষেপণাস্ত্রটি কোথায় আঘাত হেনেছে, তা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুদ্ধ বন্ধে গত জুনে পাকিস্তারের মধ্যস্থতায় একটি কাঠামোগত সমঝোতা হলেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন অবকাঠামোগত হামলার হুমকির পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, ইরান যদি তেল বিক্রি করতে না পারে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। এমনকি ইরানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে পুরো অঞ্চলের কোনো অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
বুধবার (২২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এখন ‘সব অথবা কিছুই নয়’ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তিনি বলেন, ‘যে অঞ্চলে আমরা তেল বিক্রি করতে পারি না, সেখানে অন্য কেউও তেল বিক্রি করতে পারবে না।’
গালিবাফ আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব। ইরান বহুবার জানিয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধের আগের অবস্থায় হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আর ফিরে যাবে না।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের অবকাঠামোর ওপর যেকোনো হামলার জবাবে ‘শক্তিশালী ও চূড়ান্ত’ প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। পাশাপাশি এমন হামলায় যে দেশগুলো যেকোনো ধরনের সহায়তা করবে, তাদেরও বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি বলেন, ইরানের প্রতিরক্ষা নীতি ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসন, আমাদের অবকাঠামোর ওপর হামলাসহ, শক্তিশালী ও চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া ডেকে আনবে।’
এর আগে এক ইরানি সামরিক সূত্র সতর্ক করে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায়, তাহলে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষ করে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালাবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ জড়িত রয়েছে।
আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থাকে ওই সূত্র জানায়, হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ইরান ‘ইস্পাত কঠিন সংকল্প’ নিয়ে এগোচ্ছে এবং এই জলপথকে আর কখনো দেশের বিরুদ্ধে হুমকির উৎস হতে দেবে না।
সূত্রটি আরও দাবি করে, জাহাজগুলো যদি ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং তেহরানের নির্ধারিত ব্যবস্থাপনা মেনে চলে, তাহলে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিরাপদ থাকবে। অন্যথায়, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান কৌশলগত এই জলপথের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখবে।
ওই সামরিক সূত্রের দাবি, গত ১০ দিনে যুক্তরাষ্ট্র বুঝে গেছে যে ইরান চাইলে যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন কোনো ‘ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ’ আগের মতোই ব্যর্থ হবে বলেও মন্তব্য করে তারা।
এর আগে বুধবার ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে হুঁশিয়ারি দেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যদি ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন বা অন্য কোনো অস্ত্র দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবারই তেহরানের ভেতরে বা রাজধানীর আশপাশে থাকা একটি সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করবে।
ট্রাম্প লেখেন, ‘এখন থেকে হরমুজ প্রণালিতে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যখনই কোনো জাহাজে হামলা চালাবে, যুক্তরাষ্ট্র একটি সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে বোমা হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করবে।’
এদিকে তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪৮ মিনিটে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর একটি দ্বীপে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হামলার স্থান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ক্ষেপণাস্ত্রটি কোথায় আঘাত হেনেছে, তা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুদ্ধ বন্ধে গত জুনে পাকিস্তারের মধ্যস্থতায় একটি কাঠামোগত সমঝোতা হলেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

হুথিদের দাবি, তারা একই সময়ে ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে জাহাজ দুটিতে হামলা চালায়। এতে জাহাজে বড় ধরনের আগুন লাগে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। গোষ্ঠীটি বলেছে, এটি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তাদের ‘যেমন কর্ম, তেমন ফল’ নীতির অংশ। হুথিদের ভাষ্য, গত ১২ বছর ধরে সৌদি আরব ইয়েমেনের ওপর অবর
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যতবার কোনো জাহাজে হামলা চালাবে, ততবারই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি করে সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালাবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠী সতর্ক করে বলেছে, লোহিত সাগরের সৌদি আরব উপকূলের কোনো বন্দর ব্যবহার করা জাহাজ হামলার ঝুঁকিতে থাকবে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই তা কার্যকর করার অংশ হিসেবে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলায় নিহত চার মার্কিন সেনাসদস্যের মরদেহ বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা হবে। জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনে করে তাদের মরদেহ দেশে পৌঁছালে তা গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১৭ ঘণ্টা আগে