রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের বন্দরে নিহত ৭

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী ইউক্রেনের ওডেসা বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে অভিযানরত রুশ বাহিনী। এতে অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ১৫ জন।

গতকাল শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ওলেক্সিয়ে কুলেবা। টেলিগ্রামপোস্টে কুলেবা বলেন, “আজ সন্ধ্যার পর ওডেসার বন্দর অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এতে ঘটনাস্থলেই ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।”

ওডেসা ইউক্রেনের প্রধান বন্দরশহর। কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী ওডেসায় মোট তিনটি বন্দর আছে। এই ৩ বন্দর দিয়েই ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে রপ্তানি হয় ইউক্রেনের শস্য ও অন্যান্য সামগ্রী। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে বেশ কয়েকবার ওডেসা এবং এর সমুদ্রবন্দরগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।

ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন— শুক্রবার এই তিন বন্দরের একটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রুশ বাহিনী। বন্দরটির নাম পিভদেন্নি।

সম্প্রতি ইউক্রেনে হামলার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। গত বৃহস্পতিবার ওডেসার দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলে একটি সেতু ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ধ্বংস করে দেয় রুশ সেনারা। সেতুটি ধ্বংসের ফলে ইউক্রেনের প্রধান নদীবন্‌দর রেনি এবং মলদোভা ও রোমানিয়া ক্রসিংয়ের সঙ্গে ওডেসার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

সূত্র : রয়টার্স

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে ইরানের খারগ দ্বীপ দখল করার চেষ্টা করতে পারে?

এই দ্বীপটি উপকূল থেকে কিছুটা দূরে এমন এক গভীর জলসীমায় অবস্থিত, যেখানে ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি) নামক বিশাল তেলের ট্যাঙ্কারগুলো সহজেই ভিড়তে পারে।

১০ ঘণ্টা আগে

যুদ্ধ কবে শেষ, নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে নারাজ নেতানিয়াহু

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র এমন সব স্থাপনায় হামলা চালাবে, যেগুলো এখনো ইচ্ছাকৃতভাবে স্পর্শ করা হয়নি।

১১ ঘণ্টা আগে

হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেই ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চান ট্রাম্প

কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ইরানের নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ধ্বংস করা। এরপর বর্তমান সংঘাত কমিয়ে আনা ও কূটনৈতিকভাবে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, যাতে তারা অবাধ অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ দেয়।

১১ ঘণ্টা আগে

ট্রাম্পের পদক্ষেপে জল্পনা— ইরানে স্থল হামলার পথে যুক্তরাষ্ট্র?

শনিবার দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ইরানের খার্গ দ্বীপে অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ দ্বীপ থেকেই ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি প্রক্রিয়াজাত হয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী উপকূলীয় এলাকাগুলোকেও সম্ভাব্

১১ ঘণ্টা আগে