
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের কাছে মৌলিক খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) আইসিজের বিচারকদের সর্বসম্মতিক্রমে এ নির্দেশ দেয়া হয়। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
আইসিজে বলেছেন, গাজার ফিলিস্তিনিরা দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। সেখানে দুর্ভিক্ষ ও ক্ষুধা ছড়িয়ে পড়ছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ‘আদালতের পর্যবেক্ষণ হলো গাজার ফিলিস্তিনিরা আর দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতেই কেবল নেই, বরং ইতিমধ্যে সেখানে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে গেছে।’
এর আগে, ইসরায়েল রাষ্ট্রীয়ভাবে গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে অভিযোগ করে আইসিজেতে মামলা করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওই মামলার অধীনে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণে আদালতে আবেদন জানিয়েছিল দেশটি।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আইসিজে অন্তর্বর্তী আদেশে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, গণহত্যা কনভেনশনের আওতায় পড়তে পারে এমন যেকোনো ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে এবং দেশটির সেনারা গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যাতে কোনো গণহত্যামূলক কাজ না করে তা নিশ্চিত করতে।
বৃহস্পতিবারের আদেশে আদালত জানুয়ারির পদক্ষেপের বিষয়গুলো আবারও উল্লেখ করেছেন। আদেশে নতুন করে বলেছেন, ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজাজুড়ে ফিলিস্তিনিদের জন্য খাবার, পানি ও বিদ্যুতের পাশাপাশি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও চিকিৎসাসেবাসহ মৌলিক পরিষেবা এবং মানবিক সহায়তার নিরবচ্ছিন্ন ব্যবস্থা নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।
৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে নজিরবিহীন হামলা চালায় ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগঠন হামাস। হামলায় ১২শ’র বেশি মানুষ নিহত হয়। জিম্মি করে নিয়ে যায় আরও ২৪২ জনকে। ওই দিন থেকে পাল্টা আক্রমণে তীব্র আক্রোশে গাজার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলি হামলায় পুরো গাজা ভূখণ্ড প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৩১ হাজার ৮১৯ ফিলিস্তিনি। আর আহত হয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৩৪ জন। ঘরবাড়ি হারিয়ে গাজার বাসিন্দারা প্রায় সবাই উদ্বাস্তু হয়ে গেছে। অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে পুষ্টিহীনতায়।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের কাছে মৌলিক খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) আইসিজের বিচারকদের সর্বসম্মতিক্রমে এ নির্দেশ দেয়া হয়। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
আইসিজে বলেছেন, গাজার ফিলিস্তিনিরা দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। সেখানে দুর্ভিক্ষ ও ক্ষুধা ছড়িয়ে পড়ছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ‘আদালতের পর্যবেক্ষণ হলো গাজার ফিলিস্তিনিরা আর দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতেই কেবল নেই, বরং ইতিমধ্যে সেখানে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে গেছে।’
এর আগে, ইসরায়েল রাষ্ট্রীয়ভাবে গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে অভিযোগ করে আইসিজেতে মামলা করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওই মামলার অধীনে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণে আদালতে আবেদন জানিয়েছিল দেশটি।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আইসিজে অন্তর্বর্তী আদেশে ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, গণহত্যা কনভেনশনের আওতায় পড়তে পারে এমন যেকোনো ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে এবং দেশটির সেনারা গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যাতে কোনো গণহত্যামূলক কাজ না করে তা নিশ্চিত করতে।
বৃহস্পতিবারের আদেশে আদালত জানুয়ারির পদক্ষেপের বিষয়গুলো আবারও উল্লেখ করেছেন। আদেশে নতুন করে বলেছেন, ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজাজুড়ে ফিলিস্তিনিদের জন্য খাবার, পানি ও বিদ্যুতের পাশাপাশি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও চিকিৎসাসেবাসহ মৌলিক পরিষেবা এবং মানবিক সহায়তার নিরবচ্ছিন্ন ব্যবস্থা নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।
৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে নজিরবিহীন হামলা চালায় ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগঠন হামাস। হামলায় ১২শ’র বেশি মানুষ নিহত হয়। জিম্মি করে নিয়ে যায় আরও ২৪২ জনকে। ওই দিন থেকে পাল্টা আক্রমণে তীব্র আক্রোশে গাজার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলি হামলায় পুরো গাজা ভূখণ্ড প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৩১ হাজার ৮১৯ ফিলিস্তিনি। আর আহত হয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৩৪ জন। ঘরবাড়ি হারিয়ে গাজার বাসিন্দারা প্রায় সবাই উদ্বাস্তু হয়ে গেছে। অনেকেরই মৃত্যু হয়েছে পুষ্টিহীনতায়।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রানচেসকা আলবানিজ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে পৃথিবীর ‘সবচেয়ে নিকৃষ্ট’ সেনাবাহিনী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করাসহ সব সীমারেখা অতিক্রম করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হাতে জব্দ হওয়া পণ্যবাহী জাহাজ ‘তুসকা’ এবং এর আরোহীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন ও ‘অপরাধমূলক কাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে তেহরান।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, হুমকির মুখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় যেতে রাজি নয়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— পরিস্থিতি ফের যুদ্ধের দিকে গড়ালে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন কৌশল ও ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত রয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
পেন্টাগনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭১ জন সেনাবাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৬৩ জন, বিমানবাহিনীর ৬২ জন এবং ১৯ জন মেরিন সেনা আহত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে